
বিডিজেন ডেস্ক

আমেরিকার ট্রাম্প প্রশাসন দেশটির অভিবাসী আটক ও বিতাড়ন ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনতে বিশাল গুদাম বা ওয়্যারহাউস ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে। আমেরিকান সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট-এর হাতে আসা একটি খসড়া প্রস্তাবনা অনুযায়ী জানিয়েছে, অন্তত ৮০ হাজার অভিবাসীকে একসঙ্গে আটকে রাখার লক্ষ্যে বড় বড় গুদাম সংস্কার করার জন্য ঠিকাদার খুঁজছে আইসিই (ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট)।
ভার্জিনিয়া, টেক্সাস, অ্যারিজোনা ও মিজৌরির মতো অঙ্গরাজ্যগুলোর লজিস্টিক হাবের কাছে ৭টি বিশাল গুদাম তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। এর প্রতিটিতে ৫ থেকে ১০ হাজার মানুষ রাখা হবে। এ ছাড়া, ১৬টি ছোট গুদামে আরও দেড় হাজার করে মানুষ রাখার ব্যবস্থা থাকবে।
আমাজন যেভাবে দ্রুত পণ্য সরবরাহ করে, আইসিই ঠিক সেভাবেই একটি সুশৃঙ্খল ‘ফিডার সিস্টেম’ তৈরি করতে চায়। এর লক্ষ্য হলো নতুন গ্রেপ্তারকৃতদের প্রসেসিং শেষে দ্রুত নিজ দেশে ফেরত পাঠানো নিশ্চিত করা।
চলতি বছর কংগ্রেস অভিবাসীদের আটকে রাখার জন্য ৪৫ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ দিয়েছে। প্রশাসন পরিত্যক্ত কারাগার ও সামরিক ঘাঁটির পাশাপাশি এখন গুদাম ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছে।
রিয়েল এস্টেট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গুদামগুলো মূলত পণ্য রাখার জন্য তৈরি, মানুষের বসবাসের জন্য নয়। সেখানে বাতাস চলাচল, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার গুরুতর অভাব দেখা দিতে পারে।
অধিকারকর্মীরা এই উদ্যোগকে ‘অমানবিক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তবে আইসিই-এর দাবি, গুদামগুলোতে শৌচাগার, রান্নাঘর, মেডিকেল ইউনিট ও বিনোদন কেন্দ্র স্থাপন করে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হবে।
বর্তমানে আমেরিকাতে আটক অভিবাসীর সংখ্যা রেকর্ড ৬৮ হাজার ছাড়িয়েছে, যাদের প্রায় অর্ধেকই অরাজনৈতিক বা নিরপরাধ। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, পর্যাপ্ত প্রশিক্ষিত নিরাপত্তা ও চিকিৎসাকর্মী ছাড়া এত বড় স্থাপনা পরিচালনা করা অত্যন্ত কঠিন হবে।

আমেরিকার ট্রাম্প প্রশাসন দেশটির অভিবাসী আটক ও বিতাড়ন ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনতে বিশাল গুদাম বা ওয়্যারহাউস ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে। আমেরিকান সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট-এর হাতে আসা একটি খসড়া প্রস্তাবনা অনুযায়ী জানিয়েছে, অন্তত ৮০ হাজার অভিবাসীকে একসঙ্গে আটকে রাখার লক্ষ্যে বড় বড় গুদাম সংস্কার করার জন্য ঠিকাদার খুঁজছে আইসিই (ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট)।
ভার্জিনিয়া, টেক্সাস, অ্যারিজোনা ও মিজৌরির মতো অঙ্গরাজ্যগুলোর লজিস্টিক হাবের কাছে ৭টি বিশাল গুদাম তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। এর প্রতিটিতে ৫ থেকে ১০ হাজার মানুষ রাখা হবে। এ ছাড়া, ১৬টি ছোট গুদামে আরও দেড় হাজার করে মানুষ রাখার ব্যবস্থা থাকবে।
আমাজন যেভাবে দ্রুত পণ্য সরবরাহ করে, আইসিই ঠিক সেভাবেই একটি সুশৃঙ্খল ‘ফিডার সিস্টেম’ তৈরি করতে চায়। এর লক্ষ্য হলো নতুন গ্রেপ্তারকৃতদের প্রসেসিং শেষে দ্রুত নিজ দেশে ফেরত পাঠানো নিশ্চিত করা।
চলতি বছর কংগ্রেস অভিবাসীদের আটকে রাখার জন্য ৪৫ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ দিয়েছে। প্রশাসন পরিত্যক্ত কারাগার ও সামরিক ঘাঁটির পাশাপাশি এখন গুদাম ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছে।
রিয়েল এস্টেট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গুদামগুলো মূলত পণ্য রাখার জন্য তৈরি, মানুষের বসবাসের জন্য নয়। সেখানে বাতাস চলাচল, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার গুরুতর অভাব দেখা দিতে পারে।
অধিকারকর্মীরা এই উদ্যোগকে ‘অমানবিক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তবে আইসিই-এর দাবি, গুদামগুলোতে শৌচাগার, রান্নাঘর, মেডিকেল ইউনিট ও বিনোদন কেন্দ্র স্থাপন করে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হবে।
বর্তমানে আমেরিকাতে আটক অভিবাসীর সংখ্যা রেকর্ড ৬৮ হাজার ছাড়িয়েছে, যাদের প্রায় অর্ধেকই অরাজনৈতিক বা নিরপরাধ। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, পর্যাপ্ত প্রশিক্ষিত নিরাপত্তা ও চিকিৎসাকর্মী ছাড়া এত বড় স্থাপনা পরিচালনা করা অত্যন্ত কঠিন হবে।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল বদর আল-কাত্তান জানান, ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের ২২ এপ্রিল পর্যন্ত পথচারী পারাপারের নির্ধারিত লেন ব্যবহার না করে রাস্তা পার হওয়ায় ৮ হাজার ৯৩৮টি ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের নোটিশ জারি করা হয়েছে।
নিউ সাউথ ওয়েলসের গ্রামীণ আসন ফ্যারারে ওয়ান নেশনের প্রার্থী ডেভিড ফার্লি ৩৯ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হন। এই আসনটি ১৯৪৯ সাল থেকে লিবারেল-ন্যাশনাল জোটের দখলে ছিল।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।