
বিডিজেন ডেস্ক

জার্মানির রাস্তায় বেশির ভাগ মোড়ে থাকে বইয়ের আলমারি, যেকেউ চাইলেই নিয়ে পড়ে আবার রেখে যায়। তাই এবারের স্লোগানটা এমন রিড, রিফ্লেক্ট, রিলেট। গতকাল বুধবার ১৬ অক্নিটোবরে ব্যাংকিং শহর ফ্রাঙ্কফুর্টে শুরু হয়েছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ৭৬তম আন্তর্জাতিক বই মেলা। এই মেলার আয়োজক জার্মান পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি। সারা বিশ্বের নামীদামি লেখক, সাংবাদিক, কবি, সাহিত্যিক, প্রকাশক, রাষ্ট্রীয় উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিসহ লাখো বইপাগল মানুষের পদচারণে মুখোরিত মেলা প্রাঙ্গণ।
মেলার নিয়ম অনুযায়ী প্রতিবছরের মতো এ বছরও বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকছে একটি দেশ, সে দেশ এবার ইতালি। মেলা উদ্বোধনীতে ছিলেন দেশটির রাষ্ট্রপ্রধান, ছিলেন জার্মানির সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী ক্লডিয়া রথ। চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজ উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও এবার তিনি ছিলেন না। উদ্বোধন করেন মেলার পরিচালক ইয়র্গেন বোস।
মেলা চলবে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত। খোলা থাকবে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত। ১৩০ দেশের ১ লাখ প্রকাশনা সংস্থা ও প্রকাশনার সঙ্গে যুক্ত প্রতিনিধিরা অ্যানালক ও ডিজিটাল বই নিয়ে হাজির হয়েছেন এবারের বইর মহোৎসবে। তবে এখানে কোনো বই বিক্রি হয় না নিয়ম অনুযায়ী, হয় শুধু ব্যবসায়িক চুক্তি। বাংলাদেশ থেকে ব্যক্তিগত উদ্যোগের পাশাপাশি বাংলাদেশ সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের একটি স্টল আছে। তবে বিগত দিনে ক্ষমতাসীন দলের কেউ কেউ বাংলাদেশের প্রতিনিধি হয়ে আসতেন। এটা ছিল তাদের জন্য ‘হলিডে ইন জার্মানি’ এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের জন্য ছিলো রুটিন ওয়ার্ক।
মেলা কমিটি প্রতিবছর তৃতীয় বিশ্বের একজন নতুন ও নারী প্রকাশককে মেলায় আসা যাওয়ার সমস্ত খরচ বহন করে। বাংলাদেশের প্রকাশকেরাও এই সুযোগ গ্রহণ করতে পারেন। এই মেলার শেষের দিন শহরের প্রাণকেন্দ্র পল গির্জার হল রুমে একজন লেখককে শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়। শেষের দুই দিন শনি ও রোববার যদি কেউ যেমন খুশি তেমন সেজে আসেন, তার কোনো প্রবেশ মূল্য লাগবে না বরাবরের মতোই। জার্মানরা বই কেনে, পড়ে ও উপহার দেয়। তারা যখন বাজারে যায়, তখন পেটের জন্য খাবার কেনে, প্রিয়জনের জন্য ফুল কেনে, পড়া ও জানার জন্য বই কেনে। আর এই জন্যই বিশ্ব বই মেলা এখানেই মানায়।
সূত্র: খান লিটন, জার্মানি

জার্মানির রাস্তায় বেশির ভাগ মোড়ে থাকে বইয়ের আলমারি, যেকেউ চাইলেই নিয়ে পড়ে আবার রেখে যায়। তাই এবারের স্লোগানটা এমন রিড, রিফ্লেক্ট, রিলেট। গতকাল বুধবার ১৬ অক্নিটোবরে ব্যাংকিং শহর ফ্রাঙ্কফুর্টে শুরু হয়েছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ৭৬তম আন্তর্জাতিক বই মেলা। এই মেলার আয়োজক জার্মান পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি। সারা বিশ্বের নামীদামি লেখক, সাংবাদিক, কবি, সাহিত্যিক, প্রকাশক, রাষ্ট্রীয় উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিসহ লাখো বইপাগল মানুষের পদচারণে মুখোরিত মেলা প্রাঙ্গণ।
মেলার নিয়ম অনুযায়ী প্রতিবছরের মতো এ বছরও বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকছে একটি দেশ, সে দেশ এবার ইতালি। মেলা উদ্বোধনীতে ছিলেন দেশটির রাষ্ট্রপ্রধান, ছিলেন জার্মানির সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী ক্লডিয়া রথ। চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজ উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও এবার তিনি ছিলেন না। উদ্বোধন করেন মেলার পরিচালক ইয়র্গেন বোস।
মেলা চলবে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত। খোলা থাকবে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত। ১৩০ দেশের ১ লাখ প্রকাশনা সংস্থা ও প্রকাশনার সঙ্গে যুক্ত প্রতিনিধিরা অ্যানালক ও ডিজিটাল বই নিয়ে হাজির হয়েছেন এবারের বইর মহোৎসবে। তবে এখানে কোনো বই বিক্রি হয় না নিয়ম অনুযায়ী, হয় শুধু ব্যবসায়িক চুক্তি। বাংলাদেশ থেকে ব্যক্তিগত উদ্যোগের পাশাপাশি বাংলাদেশ সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের একটি স্টল আছে। তবে বিগত দিনে ক্ষমতাসীন দলের কেউ কেউ বাংলাদেশের প্রতিনিধি হয়ে আসতেন। এটা ছিল তাদের জন্য ‘হলিডে ইন জার্মানি’ এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের জন্য ছিলো রুটিন ওয়ার্ক।
মেলা কমিটি প্রতিবছর তৃতীয় বিশ্বের একজন নতুন ও নারী প্রকাশককে মেলায় আসা যাওয়ার সমস্ত খরচ বহন করে। বাংলাদেশের প্রকাশকেরাও এই সুযোগ গ্রহণ করতে পারেন। এই মেলার শেষের দিন শহরের প্রাণকেন্দ্র পল গির্জার হল রুমে একজন লেখককে শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়। শেষের দুই দিন শনি ও রোববার যদি কেউ যেমন খুশি তেমন সেজে আসেন, তার কোনো প্রবেশ মূল্য লাগবে না বরাবরের মতোই। জার্মানরা বই কেনে, পড়ে ও উপহার দেয়। তারা যখন বাজারে যায়, তখন পেটের জন্য খাবার কেনে, প্রিয়জনের জন্য ফুল কেনে, পড়া ও জানার জন্য বই কেনে। আর এই জন্যই বিশ্ব বই মেলা এখানেই মানায়।
সূত্র: খান লিটন, জার্মানি
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।
নতুন কর্মসূচিতে বলা হয়েছে, নথিহীন অভিবাসীদের মধ্যে যারা সুনির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে পারবেন, তারা এক বছরের জন্য স্পেনে বসবাস আর কাজের অনুমতির জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন।