
বিডিজেন ডেস্ক

মালয়েশিয়ায় লরি উল্টে দুই বাংলাদেশি শ্রমিক মারা গেছেন। গতকাল শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে পাহাং রাজ্যের রোমপিনে এ ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম নিউ স্ট্রেইটস টাইমস জানিয়েছে।
নিহতরা হলেন—মো. কাদের (৩৪) ও মো. ডালিম (৩০)। দুজনেই পাম বাগানে কাজ করতেন।
নিউ স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, দুর্ঘটনায় মোহাম্মদ আসকার (৪১) নামে আরও এক বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। তাকে সেগামাত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে লরিচালক কিরণ (৪৫) অক্ষত রয়েছেন।
মালয়েশিয়ার পুলিশ বলছে, লরি চালকের বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল না। লরিটির রোড ট্যাক্সের মেয়াদও পার হয়ে গিয়েছিল। তবে বাংলাদেশি শ্রমিকদের কাজের বৈধ নথিপত্র ছিল। নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ওই পুলিশের কর্মকর্তা।

মালয়েশিয়ায় লরি উল্টে দুই বাংলাদেশি শ্রমিক মারা গেছেন। গতকাল শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে পাহাং রাজ্যের রোমপিনে এ ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম নিউ স্ট্রেইটস টাইমস জানিয়েছে।
নিহতরা হলেন—মো. কাদের (৩৪) ও মো. ডালিম (৩০)। দুজনেই পাম বাগানে কাজ করতেন।
নিউ স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, দুর্ঘটনায় মোহাম্মদ আসকার (৪১) নামে আরও এক বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। তাকে সেগামাত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে লরিচালক কিরণ (৪৫) অক্ষত রয়েছেন।
মালয়েশিয়ার পুলিশ বলছে, লরি চালকের বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল না। লরিটির রোড ট্যাক্সের মেয়াদও পার হয়ে গিয়েছিল। তবে বাংলাদেশি শ্রমিকদের কাজের বৈধ নথিপত্র ছিল। নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ওই পুলিশের কর্মকর্তা।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।