

নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ের বিরোধী দলীয় নেতৃবৃন্দ।
শোক প্রকাশকারীদের মধ্যে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল সিনেটর ডেব সারমা, নিউ সাউথ ওয়েলস লিবারেল পার্টির বিরোধী দলীয় নেতা ডেমেইয়েন টিউডহোপ এমপি, ছায়া মাল্টিকালচারাল মন্ত্রী মার্ক কুরি এমপি এবং হোলসওয়ার্দি আসনের এমপি টিনা আইয়ার্ড।

শোকবার্তায় তারা বলেন, খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনীতিতে একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী, সাহসী ও আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক ছিলেন। দীর্ঘ সময় তিনি গণতন্ত্র, জনসেবা এবং দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন, যা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তারা আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার অবদান বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অনস্বীকার্য। তার মৃত্যুতে শুধু বাংলাদেশ নয়, আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক অঙ্গণেও এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে। নেতৃবৃন্দ তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার, বিএনপি নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

এদিকে বিএনপির অস্ট্রেলিয়া শাখার সভাপতি মোসলেহ উদ্দিন হাওলাদার আরিফ এক প্রতিক্রিয়ায় জানান, অস্ট্রেলিয়ার লিবারেল পার্টি ও দলটির নেতৃবৃন্দ গত ১৭ বছর ধরে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষার আন্দোলনে বিএনপির পাশে ছিলেন। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে বাংলাদেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রেও অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতেও গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তিত্ব তার রাজনৈতিক সংগ্রাম ও অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছেন।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ের বিরোধী দলীয় নেতৃবৃন্দ।
শোক প্রকাশকারীদের মধ্যে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল সিনেটর ডেব সারমা, নিউ সাউথ ওয়েলস লিবারেল পার্টির বিরোধী দলীয় নেতা ডেমেইয়েন টিউডহোপ এমপি, ছায়া মাল্টিকালচারাল মন্ত্রী মার্ক কুরি এমপি এবং হোলসওয়ার্দি আসনের এমপি টিনা আইয়ার্ড।

শোকবার্তায় তারা বলেন, খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনীতিতে একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী, সাহসী ও আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক ছিলেন। দীর্ঘ সময় তিনি গণতন্ত্র, জনসেবা এবং দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন, যা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তারা আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার অবদান বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অনস্বীকার্য। তার মৃত্যুতে শুধু বাংলাদেশ নয়, আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক অঙ্গণেও এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে। নেতৃবৃন্দ তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার, বিএনপি নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

এদিকে বিএনপির অস্ট্রেলিয়া শাখার সভাপতি মোসলেহ উদ্দিন হাওলাদার আরিফ এক প্রতিক্রিয়ায় জানান, অস্ট্রেলিয়ার লিবারেল পার্টি ও দলটির নেতৃবৃন্দ গত ১৭ বছর ধরে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষার আন্দোলনে বিএনপির পাশে ছিলেন। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে বাংলাদেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রেও অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতেও গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তিত্ব তার রাজনৈতিক সংগ্রাম ও অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছেন।
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
৯ দিন আগে