
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবে আর্থিক জটিলতায় থাকা বেসরকারি কোম্পানির প্রবাসী শ্রমিকদের অন্তত ছয় মাসের বকেয়া বেতন এবং দেশে ফেরার টিকিটের ব্যবস্থা করার জন্য নতুন বিমা পলিসি চালু করা হয়েছে।
সৌদি গেজেটের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় এবং বিমা কর্তৃপক্ষ এই বিমা পরিষেবা চালু করেছে।
৬ অক্টোবর থেকে বিমা পলিসির আওতাভুক্ত প্রবাসী কর্মীদের জন্য এই বিমা সুবিধা চালু হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
এতে বলা হয়, সৌদি বিমা কোম্পানিগুলো এই বিমা পরিচালনা করবে। এর আওতায় নিয়োগকর্তারা বেতনের বাধ্যবাধকতা পূরণ করতে ব্যর্থ হলে বিমা কোম্পানি প্রবাসী শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ করবে। তবে বিমা পলিসিতে বর্ণিত শর্তাবলি এবং প্রাসঙ্গিক বিধান ও পদ্ধতি মেনে এ সুবিধা দেওয়া হবে।
মন্ত্রণালয় বলেছে, এই বিমা সুবিধার আওতায় দেশে ফিরতে ইচ্ছুক প্রবাসী কর্মীদের জন্য ফিরতি ফ্লাইটের টিকিট দেওয়া হবে।
সৌদি আরবে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বসবাস করেন। বাংলাদেশের জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে সৌদি আরবে বাংলাদেশি কর্মী গেছেন ৬ লাখের বেশি। গত তিন বছরে দেশটিতে শ্রমিক যাওয়ার সংখ্যা প্রায় চার গুণ বেড়েছে। ধারণা করা হয়, প্রায় ৩০ লাখ বাংলাদেশি সেখানে রয়েছেন।

সৌদি আরবে আর্থিক জটিলতায় থাকা বেসরকারি কোম্পানির প্রবাসী শ্রমিকদের অন্তত ছয় মাসের বকেয়া বেতন এবং দেশে ফেরার টিকিটের ব্যবস্থা করার জন্য নতুন বিমা পলিসি চালু করা হয়েছে।
সৌদি গেজেটের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় এবং বিমা কর্তৃপক্ষ এই বিমা পরিষেবা চালু করেছে।
৬ অক্টোবর থেকে বিমা পলিসির আওতাভুক্ত প্রবাসী কর্মীদের জন্য এই বিমা সুবিধা চালু হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
এতে বলা হয়, সৌদি বিমা কোম্পানিগুলো এই বিমা পরিচালনা করবে। এর আওতায় নিয়োগকর্তারা বেতনের বাধ্যবাধকতা পূরণ করতে ব্যর্থ হলে বিমা কোম্পানি প্রবাসী শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ করবে। তবে বিমা পলিসিতে বর্ণিত শর্তাবলি এবং প্রাসঙ্গিক বিধান ও পদ্ধতি মেনে এ সুবিধা দেওয়া হবে।
মন্ত্রণালয় বলেছে, এই বিমা সুবিধার আওতায় দেশে ফিরতে ইচ্ছুক প্রবাসী কর্মীদের জন্য ফিরতি ফ্লাইটের টিকিট দেওয়া হবে।
সৌদি আরবে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বসবাস করেন। বাংলাদেশের জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে সৌদি আরবে বাংলাদেশি কর্মী গেছেন ৬ লাখের বেশি। গত তিন বছরে দেশটিতে শ্রমিক যাওয়ার সংখ্যা প্রায় চার গুণ বেড়েছে। ধারণা করা হয়, প্রায় ৩০ লাখ বাংলাদেশি সেখানে রয়েছেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।
নতুন কর্মসূচিতে বলা হয়েছে, নথিহীন অভিবাসীদের মধ্যে যারা সুনির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে পারবেন, তারা এক বছরের জন্য স্পেনে বসবাস আর কাজের অনুমতির জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
সোমবার আনুমানিক দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশনের কনস্যুলার সেবা এলাকায় অসুস্থ ওই প্রবাসী মারা যান।