
বিডিজেন ডেস্ক

বিশ্বে সংঘাতের কারণে সৃষ্ট ক্ষুধায় প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২১ হাজার মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক দাতব্য প্রতিষ্ঠান অক্সফামের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিশ্ব খাদ্য দিবস উপলক্ষে বুধবার (১৬ অক্টোবর) ‘ফুড ওয়ারর্স’ শিরোনামের প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে অক্সফাম।
প্রতিবেদনে ফিলিস্তিন ও সুদানসহ বিশ্বের ৫৪টি সংঘাতপ্রবণ দেশের ক্ষুধা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছে অক্সফাম। বলা হয়েছে, এসব দেশের ২৮ কোটি ১৬ লাখ মানুষের প্রায় সবাই এখন তীব্র ক্ষুধা পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে। আর ক্ষুধার কারণে প্রতিদিন ৭ থেকে ২১ হাজার মানুষের মৃত্যু হচ্ছে।
এ ছাড়া সংঘাতের কারণে এসব দেশে উদ্বাস্তু সমস্যাও প্রকট রূপ নিয়েছে। অক্সফামের হিসাবে, দেশগুলোয় উদ্বাস্তুর সংখ্যা এখন ১১ কোটি ৭০ লাখে উন্নীত হয়েছে।
অক্সফাম সতর্ক করে বলেছে, সংঘাতের কারণে শুধু ক্ষুধা বাড়ছে, এমনটা নয়। বরং সংঘাতপ্রবণ এলাকায় বিবদমান পক্ষগুলো খাবার, পানি ও জ্বালানি অবকাঠামোকে ‘অস্ত্র’ হিসেবেও ব্যবহার করছে। এমনকি অসহায় মানুষের কাছে খাদ্য সহায়তা পৌছে দেওয়ার পথ রুদ্ধ করা হচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা

বিশ্বে সংঘাতের কারণে সৃষ্ট ক্ষুধায় প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২১ হাজার মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক দাতব্য প্রতিষ্ঠান অক্সফামের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিশ্ব খাদ্য দিবস উপলক্ষে বুধবার (১৬ অক্টোবর) ‘ফুড ওয়ারর্স’ শিরোনামের প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে অক্সফাম।
প্রতিবেদনে ফিলিস্তিন ও সুদানসহ বিশ্বের ৫৪টি সংঘাতপ্রবণ দেশের ক্ষুধা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছে অক্সফাম। বলা হয়েছে, এসব দেশের ২৮ কোটি ১৬ লাখ মানুষের প্রায় সবাই এখন তীব্র ক্ষুধা পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে। আর ক্ষুধার কারণে প্রতিদিন ৭ থেকে ২১ হাজার মানুষের মৃত্যু হচ্ছে।
এ ছাড়া সংঘাতের কারণে এসব দেশে উদ্বাস্তু সমস্যাও প্রকট রূপ নিয়েছে। অক্সফামের হিসাবে, দেশগুলোয় উদ্বাস্তুর সংখ্যা এখন ১১ কোটি ৭০ লাখে উন্নীত হয়েছে।
অক্সফাম সতর্ক করে বলেছে, সংঘাতের কারণে শুধু ক্ষুধা বাড়ছে, এমনটা নয়। বরং সংঘাতপ্রবণ এলাকায় বিবদমান পক্ষগুলো খাবার, পানি ও জ্বালানি অবকাঠামোকে ‘অস্ত্র’ হিসেবেও ব্যবহার করছে। এমনকি অসহায় মানুষের কাছে খাদ্য সহায়তা পৌছে দেওয়ার পথ রুদ্ধ করা হচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা
ন্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা কয়েক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে সেই লকার থেকে ভল্টের চাবি উদ্ধার করেন। এরপর স্থানীয় সময় শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে ওই ব্যক্তিকে সুস্থ অবস্থায় ভল্ট থেকে বের করে আনেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
আইএসকে দমন করতে ২০১৪ সালে সিরিয়ায় প্রায় ২ হাজার সেনা মোতায়েন করেছিল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে বিভিন্ন ঘাঁটিতে প্রায় ১ হাজার আমেরিকান সেনা অবস্থান করছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের সবাইকে ধাপে ধাপে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।
লোকমান এফেন্দি আরও জানান, অভিযানের সময় ২২টি সন্দেহজনক ও জালিয়াতিপূর্ণ বাংলাদেশি পাসপোর্ট, অ্যাক্সেস কার্ড, কম্পিউটার সেট, প্রিন্টার, কাটিং মেশিন, লেজার এনগ্রেভিং মেশিন, কার্ভ কাটার এবং একটি বেনেলি লিওনসিনো মোটরসাইকেল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, যা অবৈধ কার্যক্রমে ব্যবহৃত হতো।
ইরান–আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র চলমান উত্তেজনার মধ্যে সম্প্রতি পরমাণু চুক্তি নিয়ে ওমানের রাজধানী মাসকাটে আলোচনায় বসেছিল দুই দেশ। আগামীকাল মঙ্গলবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে দ্বিতীয় ধাপের আলোচনা হতে পারে বলে জানিয়েছেন মজিদ তাখত।