
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়ায রাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ভোটার নিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংক্রান্ত তথ্য বিনিময় সভা।
আজ রোববার (২৬ অক্টোবর) টারনাইটের ৬ কঙ্গো ড্রাইভে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। নাগরিক অধিকার সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত এ সভায় ছিল প্রবাসী বাংলাদেশিদের উৎসাহী অংশগ্রহণ।
তথ্য বিনিময় সভায় বক্তারা আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটার হিসেবে নিবন্ধনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
সভায় জানানো হয়, বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকেরাও এখন ভোটার তালিকাভুক্ত হয়ে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন— যা প্রবাসী সমাজের জন্য এক ঐতিহাসিক সুযোগ।

তথ্য বিনিময় পর্বে আলোচিত হয় ভোটার নিবন্ধনের যোগ্যতা, জাতীয় পরিচয়পত্রের আবেদন ও সংশোধন প্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, অনলাইন আবেদন পদ্ধতি এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা ও নির্ধারিত সময়সীমা সংক্রান্ত বিষয়গুলো।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ হাইকমিশনের কোনো আনুষ্ঠানিক সহায়তা ছাড়াই এই সভা সম্পূর্ণভাবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্বতঃস্ফূর্ত উদ্যোগ ও অংশগ্রহণে আয়োজিত হয়। এতে কমিউনিটির পারস্পরিক সহযোগিতা ও গণতান্ত্রিক চেতনাকে আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
আয়োজকদের মতে, এই ধরনের স্বতঃস্ফূর্ত উদ্যোগ প্রবাসীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, নাগরিক দায়বদ্ধতা ও ঐক্যের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে।
কমিউনিটির সদস্যরা বলেন, প্রবাসে থেকেও দেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় তারা গর্বিত ও অনুপ্রাণিত বোধ করছেন।

অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়ায রাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ভোটার নিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংক্রান্ত তথ্য বিনিময় সভা।
আজ রোববার (২৬ অক্টোবর) টারনাইটের ৬ কঙ্গো ড্রাইভে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। নাগরিক অধিকার সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত এ সভায় ছিল প্রবাসী বাংলাদেশিদের উৎসাহী অংশগ্রহণ।
তথ্য বিনিময় সভায় বক্তারা আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটার হিসেবে নিবন্ধনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
সভায় জানানো হয়, বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকেরাও এখন ভোটার তালিকাভুক্ত হয়ে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন— যা প্রবাসী সমাজের জন্য এক ঐতিহাসিক সুযোগ।

তথ্য বিনিময় পর্বে আলোচিত হয় ভোটার নিবন্ধনের যোগ্যতা, জাতীয় পরিচয়পত্রের আবেদন ও সংশোধন প্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, অনলাইন আবেদন পদ্ধতি এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা ও নির্ধারিত সময়সীমা সংক্রান্ত বিষয়গুলো।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ হাইকমিশনের কোনো আনুষ্ঠানিক সহায়তা ছাড়াই এই সভা সম্পূর্ণভাবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্বতঃস্ফূর্ত উদ্যোগ ও অংশগ্রহণে আয়োজিত হয়। এতে কমিউনিটির পারস্পরিক সহযোগিতা ও গণতান্ত্রিক চেতনাকে আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
আয়োজকদের মতে, এই ধরনের স্বতঃস্ফূর্ত উদ্যোগ প্রবাসীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, নাগরিক দায়বদ্ধতা ও ঐক্যের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে।
কমিউনিটির সদস্যরা বলেন, প্রবাসে থেকেও দেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় তারা গর্বিত ও অনুপ্রাণিত বোধ করছেন।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।