
বিডিজেন ডেস্ক

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের পুডু এলাকায় অবৈধভাবে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার অভিযোগে ৬ জন ভুয়া চিকিৎসকসহ মোট ১৮ জন বিদেশিকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। একই অভিযানে জব্দ করা হয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনবিহীন বিপুল পরিমাণ ওষুধ। আটককৃতদের মধ্যে ১৭ জন বাংলাদেশি এবং একজন মিয়ানমারের নাগরিক বলে জানিয়েছে দেশটির বার্তা সংস্থা বারনামা।
গতকাল শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বারনামায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা যায়, প্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির দোকানের আড়ালে অবৈধ চিকিৎসা সেবা দেওয়া এবং ডাক্তার সেজে কাজ করার অভিযোগে এক দল বিদেশিকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার এলাকার ৯টি স্থানে অভিযান চালিয়ে এই চক্রটিকে ধরা হয়।
দুই সপ্তাহের নজরদারির পর ইমিগ্রেশন বিভাগের স্পেশাল ট্যাকটিক্যাল টিম এবং কুয়ালালামপুর স্বাস্থ্য বিভাগের ফার্মেসি এনফোর্সমেন্ট শাখার যৌথ অভিযানে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
ইমিগ্রেশন বিভাগের উপ-মহাপরিচালক (অপারেশনস) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি জানান, আটককৃতদের বয়স ২৪ থেকে ৫১ বছর বয়সী। তাদের মধ্যে ৬ জন ডাক্তার সেজে অভিবাসী সম্প্রদায়ের লোকদের চিকিৎসা দিচ্ছিল।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এসব স্থান বৈধ ব্যবসার আড়ালে পরিচালিত হচ্ছিল। যেখানে অভিযান চালানো হয়েছে, সেখানে সামনে মুদি দোকান, কাপড়ের দোকান, খাবারের দোকান, ট্রাভেল এজেন্সির কাউন্টার এবং নাপিতের দোকান হিসেবে চলছিল। কিন্তু দোকানের পেছনের অংশকে অস্থায়ী চিকিৎসা কক্ষ এবং অবৈধ ওষুধ সংরক্ষণের জায়গা হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল।
লোকমান এফেন্দি আরও বলেন, কম খরচ এবং সহজ ভাষায় যোগাযোগের সুবিধার কারণে বেশির ভাগ রোগী ছিলেন বাংলাদেশি নাগরিক। এ ছাড়া, সেখানে এমন ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছিল, যেগুলো শুধুমাত্র বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া দেওয়া যায় না।
আটককৃতদের বিরুদ্ধে ক্ষতিকর ওষুধ আইন ১৯৫২ এবং অভিবাসন ১৯৬৩ সালের আইন অনুসারে মামলা করা হয়েছে। যার মধ্যে অবৈধ ভ্রমণ নথি, পাসের অপব্যবহার এবং অবৈধভাবে অবস্থান করার অভিযোগ রয়েছে।

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের পুডু এলাকায় অবৈধভাবে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার অভিযোগে ৬ জন ভুয়া চিকিৎসকসহ মোট ১৮ জন বিদেশিকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। একই অভিযানে জব্দ করা হয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনবিহীন বিপুল পরিমাণ ওষুধ। আটককৃতদের মধ্যে ১৭ জন বাংলাদেশি এবং একজন মিয়ানমারের নাগরিক বলে জানিয়েছে দেশটির বার্তা সংস্থা বারনামা।
গতকাল শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বারনামায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা যায়, প্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির দোকানের আড়ালে অবৈধ চিকিৎসা সেবা দেওয়া এবং ডাক্তার সেজে কাজ করার অভিযোগে এক দল বিদেশিকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার এলাকার ৯টি স্থানে অভিযান চালিয়ে এই চক্রটিকে ধরা হয়।
দুই সপ্তাহের নজরদারির পর ইমিগ্রেশন বিভাগের স্পেশাল ট্যাকটিক্যাল টিম এবং কুয়ালালামপুর স্বাস্থ্য বিভাগের ফার্মেসি এনফোর্সমেন্ট শাখার যৌথ অভিযানে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
ইমিগ্রেশন বিভাগের উপ-মহাপরিচালক (অপারেশনস) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি জানান, আটককৃতদের বয়স ২৪ থেকে ৫১ বছর বয়সী। তাদের মধ্যে ৬ জন ডাক্তার সেজে অভিবাসী সম্প্রদায়ের লোকদের চিকিৎসা দিচ্ছিল।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এসব স্থান বৈধ ব্যবসার আড়ালে পরিচালিত হচ্ছিল। যেখানে অভিযান চালানো হয়েছে, সেখানে সামনে মুদি দোকান, কাপড়ের দোকান, খাবারের দোকান, ট্রাভেল এজেন্সির কাউন্টার এবং নাপিতের দোকান হিসেবে চলছিল। কিন্তু দোকানের পেছনের অংশকে অস্থায়ী চিকিৎসা কক্ষ এবং অবৈধ ওষুধ সংরক্ষণের জায়গা হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল।
লোকমান এফেন্দি আরও বলেন, কম খরচ এবং সহজ ভাষায় যোগাযোগের সুবিধার কারণে বেশির ভাগ রোগী ছিলেন বাংলাদেশি নাগরিক। এ ছাড়া, সেখানে এমন ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছিল, যেগুলো শুধুমাত্র বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া দেওয়া যায় না।
আটককৃতদের বিরুদ্ধে ক্ষতিকর ওষুধ আইন ১৯৫২ এবং অভিবাসন ১৯৬৩ সালের আইন অনুসারে মামলা করা হয়েছে। যার মধ্যে অবৈধ ভ্রমণ নথি, পাসের অপব্যবহার এবং অবৈধভাবে অবস্থান করার অভিযোগ রয়েছে।
রয়টার্সের বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৩ জুন থেকে ৬ জুলাইয়ের মধ্যে ট্রাম্প তার প্রকাশ্য বক্তব্যে ৮১ বার ‘কমিউনিজম’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন।
দলটির সমালোচকদের অভিযোগ, এএফডি বর্ণবাদী নীতি ও মনোভাবকে উৎসাহিত করে, যা জার্মানির গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং দেশের সাংবিধানিক ব্যবস্থার জন্য হুমকি হতে পারে।
সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, শহরের কেন্দ্রস্থল শেভচেঙ্কো বুলেভার্ডের একটি ভবনের ওপরের অংশে নিয়ন্ত্রণহীন আগুন জ্বলছে। অন্যদিকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ভবনের জানালা উড়ে গেছে এবং বহু গাড়ি ধ্বংস হয়েছে।