
বিডিজেন ডেস্ক

পবিত্র রমজান মাসে সৌদি আরবের মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদ হাজার হাজার বিলাসবহুল কার্পেট দিয়ে সজ্জিত করেছে কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সৌদি প্রেস এজেন্সির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
কর্তৃপক্ষ জানায়, সৌদি আরবে তৈরি উচ্চমানের, সূক্ষ্ম কারুশিল্প এবং স্থায়িত্বের জন্য প্রসিদ্ধ ৩৩ হাজার বিলাসবহুল কার্পেট রাখা হয়েছে মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে । যার আনুমানিক মোট দৈর্ঘ্য ২০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে।
ইসলামের পবিত্রতম স্থান মক্কার মসজিদুল হারাম বা গ্র্যান্ড মসজিদ। সারাবছরই ওমরাহ পালন করতে বিশ্বের লাখ লাখ মুসল্লি মসজিদটিতে ভিড় জমান।
সৌদিতে এই বছর ২৯শে মার্চ রমজান মাস শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রমজানের প্রথম দশ দিনে ৫৫ লাখেরও বেশি মুসলিম ওমরাহ পালন করেছেন।
অতিরিক্ত সওয়াবের আশায় বিশ্বের অধিকাংশ মুসলিমই ওমরাহ পালনের জন্য রমজান মাসকে বেছে নেন। সৌদি কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এবারের রমজান মাসে বিপুলসংখ্যক মুসল্লি ওমরাহ পালন করবেন।

পবিত্র রমজান মাসে সৌদি আরবের মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদ হাজার হাজার বিলাসবহুল কার্পেট দিয়ে সজ্জিত করেছে কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সৌদি প্রেস এজেন্সির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
কর্তৃপক্ষ জানায়, সৌদি আরবে তৈরি উচ্চমানের, সূক্ষ্ম কারুশিল্প এবং স্থায়িত্বের জন্য প্রসিদ্ধ ৩৩ হাজার বিলাসবহুল কার্পেট রাখা হয়েছে মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে । যার আনুমানিক মোট দৈর্ঘ্য ২০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে।
ইসলামের পবিত্রতম স্থান মক্কার মসজিদুল হারাম বা গ্র্যান্ড মসজিদ। সারাবছরই ওমরাহ পালন করতে বিশ্বের লাখ লাখ মুসল্লি মসজিদটিতে ভিড় জমান।
সৌদিতে এই বছর ২৯শে মার্চ রমজান মাস শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রমজানের প্রথম দশ দিনে ৫৫ লাখেরও বেশি মুসলিম ওমরাহ পালন করেছেন।
অতিরিক্ত সওয়াবের আশায় বিশ্বের অধিকাংশ মুসলিমই ওমরাহ পালনের জন্য রমজান মাসকে বেছে নেন। সৌদি কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এবারের রমজান মাসে বিপুলসংখ্যক মুসল্লি ওমরাহ পালন করবেন।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কাদরি বলেন, প্রবাসীদের নিজ নিজ দেশের মানুষ ও পরিবারগুলো তাদের নাগরিকদের সুরক্ষায় সরকারকে পদক্ষেপ নিতে চাপ দিচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত রাষ্ট্রগুলোর পক্ষ থেকে পাওয়া সাড়া বা ভূমিকা খুবই অপর্যাপ্ত।
যাত্রী ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দুবাই এয়ারপোর্টস কর্তৃপক্ষ। জানা গেছে, কিছু ফ্লাইট অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।