
প্রতিনিধি, কুয়ালালামপুর

মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় মেহেদী হাসান (২৫) নামে এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৮ মে) সকালে পুত্রাজায়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
মঙ্গলবার রাতে মালয়েশিয়ার সায়বারজায়ার এলাকায় একটি সড়ক দিয়ে সাইকেল চালিয়ে বাসায় ফিরছিলেন মেহেদী। এসময় একটি প্রাইভেটকার পেছন থেকে ধাক্কা দিলে তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন। মাথার গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত মেহেদীকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ তিনি মারা যান।
মেহেদী হাসান ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার বাসিন্দা। পারিবারিক স্বচ্ছলতার স্বপ্ন নিয়ে ২০২৩ সালে মালয়েশিয়ায় আসেন এবং নির্মাণকর্মী হিসেবে কাজ করতেন।
মেহেদী বাবা-মা ও দুই সন্তানের পরিবারের বড় সন্তান ছিলেন। তার বাবা কুয়েতপ্রবাসী। মেহেদীর মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।

মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় মেহেদী হাসান (২৫) নামে এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৮ মে) সকালে পুত্রাজায়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
মঙ্গলবার রাতে মালয়েশিয়ার সায়বারজায়ার এলাকায় একটি সড়ক দিয়ে সাইকেল চালিয়ে বাসায় ফিরছিলেন মেহেদী। এসময় একটি প্রাইভেটকার পেছন থেকে ধাক্কা দিলে তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন। মাথার গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত মেহেদীকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ তিনি মারা যান।
মেহেদী হাসান ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার বাসিন্দা। পারিবারিক স্বচ্ছলতার স্বপ্ন নিয়ে ২০২৩ সালে মালয়েশিয়ায় আসেন এবং নির্মাণকর্মী হিসেবে কাজ করতেন।
মেহেদী বাবা-মা ও দুই সন্তানের পরিবারের বড় সন্তান ছিলেন। তার বাবা কুয়েতপ্রবাসী। মেহেদীর মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।