
জাহিদ হোসেন জনি, কুয়েত থেকে

বাংলাদেশের জামালপুর জেলার ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ উৎসব ‘জামাই মেলা’ এবার দেশের গণ্ডি পেরিয়ে পৌঁছে গেছে মরুর দেশ কুয়েতে। তরুণ প্রবাসীদের উদ্যোগে আয়োজিত এ মেলা কেবল বিনোদনই নয়, প্রবাস জীবনে ঐক্য ও আনন্দের নতুন দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছে।
শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুয়েতের হিজিল মরু অঞ্চলের একটি রিসোর্টে এই মেলা আয়োজন করা হয়। দুপুর থেকেই দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসেন প্রবাসীরা। নারী-পুরুষ-শিশু সবাই মিলে অংশ নেন এ উৎসবে। গ্রামের মতোই জমে ওঠে প্রবাসের এই মেলা।
বাংলাদেশে জামালপুর অঞ্চলে প্রতিবছর অনুষ্ঠিত এই ঐতিহ্যবাহী উৎসবে জামাই সাজে শ্বশুরবাড়িতে যাওয়াই মূল আকর্ষণ। সেই ধারাবাহিকতায় কুয়েতপ্রবাসী তরুণদের জামাই সেজে বউয়ের খোঁজে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। প্রবাসীরা জানান, জামাই মেলা তাদের জন্য ছিল ভিন্নধর্মী ও আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা। তারা আশা প্রকাশ করেন, এমন আয়োজন প্রবাস জীবনে আনন্দ ও প্রশান্তি এনে দেবে।
আয়োজকেরা জানায়, বিদেশের মাটিতে এই আয়োজনের মাধ্যমে একদিকে যেমন প্রবাসীদের বিনোদনের সুযোগ তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে তেমনি ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধও আরও মজবুত হয়েছে।
সংগঠনের অন্যতম আয়োজক মো. মোশারফ হোসেন বলেন, ‘আমাদের উদ্দেশ্য ছিল জামালপুরের ঐতিহ্যকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরা। প্রবাস জীবনের ব্যস্ততায় এমন সাংস্কৃতিক আয়োজন সবাইকে কাছাকাছি আনে।
দিনভর চলা এই মেলায় ছিল প্রবাস ব্যান্ড কুয়েত টিমের গান, প্রবাসী শিল্পীদের নাচ, খেলাধুলা, জাদু ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। যা দর্শকদের বিনোদনের মাত্রা বহুগুণে বাড়িয়ে তোলে। মরুর দেশে থেকেও প্রবাসীরা ভুলে যাননি নিজেদের শেকড় ও সাংস্কিত সেটি আবারও প্রমাণিত হলো এ আয়োজনে।
প্রবাসীরা জানান, কুয়েতে প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই ‘জামাই মেলা’ তাদের মধ্যে আনন্দ, ঐক্য আর সাংস্কৃতিক বন্ধনের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
মুস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং আলসাবা সরকার অপুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাফিজুর রহমান, হৃদয় খান, বাংলাদেশ প্রেসক্লাব কুয়েতের সভাপতি সাংবাদিক মঈন উদ্দিন সরকার সুমন, সহসভাপতি আল আমিন রানা, বাংলাদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন কুয়েতের সহসভাপতি সারোয়ার্দী, সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্ঝেম হোসেন, ব্লগার মো. খাইরুল ইসলাম ও ব্যবস্থাপক মনির রজু প্রমুখ।

বাংলাদেশের জামালপুর জেলার ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ উৎসব ‘জামাই মেলা’ এবার দেশের গণ্ডি পেরিয়ে পৌঁছে গেছে মরুর দেশ কুয়েতে। তরুণ প্রবাসীদের উদ্যোগে আয়োজিত এ মেলা কেবল বিনোদনই নয়, প্রবাস জীবনে ঐক্য ও আনন্দের নতুন দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছে।
শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুয়েতের হিজিল মরু অঞ্চলের একটি রিসোর্টে এই মেলা আয়োজন করা হয়। দুপুর থেকেই দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসেন প্রবাসীরা। নারী-পুরুষ-শিশু সবাই মিলে অংশ নেন এ উৎসবে। গ্রামের মতোই জমে ওঠে প্রবাসের এই মেলা।
বাংলাদেশে জামালপুর অঞ্চলে প্রতিবছর অনুষ্ঠিত এই ঐতিহ্যবাহী উৎসবে জামাই সাজে শ্বশুরবাড়িতে যাওয়াই মূল আকর্ষণ। সেই ধারাবাহিকতায় কুয়েতপ্রবাসী তরুণদের জামাই সেজে বউয়ের খোঁজে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। প্রবাসীরা জানান, জামাই মেলা তাদের জন্য ছিল ভিন্নধর্মী ও আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা। তারা আশা প্রকাশ করেন, এমন আয়োজন প্রবাস জীবনে আনন্দ ও প্রশান্তি এনে দেবে।
আয়োজকেরা জানায়, বিদেশের মাটিতে এই আয়োজনের মাধ্যমে একদিকে যেমন প্রবাসীদের বিনোদনের সুযোগ তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে তেমনি ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধও আরও মজবুত হয়েছে।
সংগঠনের অন্যতম আয়োজক মো. মোশারফ হোসেন বলেন, ‘আমাদের উদ্দেশ্য ছিল জামালপুরের ঐতিহ্যকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরা। প্রবাস জীবনের ব্যস্ততায় এমন সাংস্কৃতিক আয়োজন সবাইকে কাছাকাছি আনে।
দিনভর চলা এই মেলায় ছিল প্রবাস ব্যান্ড কুয়েত টিমের গান, প্রবাসী শিল্পীদের নাচ, খেলাধুলা, জাদু ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। যা দর্শকদের বিনোদনের মাত্রা বহুগুণে বাড়িয়ে তোলে। মরুর দেশে থেকেও প্রবাসীরা ভুলে যাননি নিজেদের শেকড় ও সাংস্কিত সেটি আবারও প্রমাণিত হলো এ আয়োজনে।
প্রবাসীরা জানান, কুয়েতে প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই ‘জামাই মেলা’ তাদের মধ্যে আনন্দ, ঐক্য আর সাংস্কৃতিক বন্ধনের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
মুস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং আলসাবা সরকার অপুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাফিজুর রহমান, হৃদয় খান, বাংলাদেশ প্রেসক্লাব কুয়েতের সভাপতি সাংবাদিক মঈন উদ্দিন সরকার সুমন, সহসভাপতি আল আমিন রানা, বাংলাদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন কুয়েতের সহসভাপতি সারোয়ার্দী, সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্ঝেম হোসেন, ব্লগার মো. খাইরুল ইসলাম ও ব্যবস্থাপক মনির রজু প্রমুখ।
মোলেন বলেন, “হয় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পূরণ করে স্থায়ী মর্যাদার আওতায় এখানে থাকার চেষ্টা করুন, নয়তো আমরা আপনাকে নিজ দেশে ফিরে যেতে সহায়তা করব।”
সময়সীমা শেষ হওয়ার প্রাক্কালে এনজিওগুলো এখনো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহের চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া অভিবাসীদের সঙ্গে যোগাযোগ ও পরামর্শ দেওয়ার কার্যক্রম জোরদার করেছে। স্পেনে প্রায় ৮ লাখ ৪০ হাজার মানুষ অনানুষ্ঠানিকভাবে কাজ করেন এবং বৈধ বসবাসের অনুমতি পেতে অনেক ক্ষেত্রেই এক বছরেরও বেশি সময় লাগে।
বার্নহ্যাম প্রধানমন্ত্রী হলে গত এক দশকে যুক্তরাজ্যের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী হবেন। লেবার পার্টির অনেকের বিশ্বাস, ভোটারদের সঙ্গে কার্যকরভাবে যোগাযোগ স্থাপন এবং নাইজেল ফারাজের অভিবাসনবিরোধী রিফর্ম ইউকে পার্টির উত্থান মোকাবিলায় বার্নহ্যামের ব্যক্তিত্ব ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিই সবচেয়ে কার্যকর হতে পারে।
ড্রস্কি বলেন, “ছোটবেলা থেকেই বিইটি অ্যাওয়ার্ডস দেখে বড় হয়েছি। আমার আগে যেসব কিংবদন্তি কৌতুক অভিনেতা এই অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন, তারা মানদণ্ড অনেক উঁচুতে নিয়ে গেছেন। সেই ইতিহাসের অংশ হতে পারাটা আমার জন্য গর্বের। তবে মঞ্চে আমি আমার নিজস্ব ধরনের কমেডিই নিয়ে আসব।”

বার্নহ্যাম প্রধানমন্ত্রী হলে গত এক দশকে যুক্তরাজ্যের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী হবেন। লেবার পার্টির অনেকের বিশ্বাস, ভোটারদের সঙ্গে কার্যকরভাবে যোগাযোগ স্থাপন এবং নাইজেল ফারাজের অভিবাসনবিরোধী রিফর্ম ইউকে পার্টির উত্থান মোকাবিলায় বার্নহ্যামের ব্যক্তিত্ব ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিই সবচেয়ে কার্যকর হতে পারে।
১৯ ঘণ্টা আগে