
বিডিজেন ডেস্ক

মেক্সিকোতে বাংলাদেশ-মেক্সিকো কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর উদ্যাপন করা হয়েছে। মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক মিউজিয়াম অব মিউরালিজমে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে গত বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) এক বর্ণাঢ্য কূটনৈতিক সংবর্ধনা ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী ‘নীরবতা ভাঙার ছবি’ শিরোনামে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আয়োজনটি বাংলাদেশ ও মেক্সিকোর মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০তম বার্ষিকীকে স্মরণীয় করে তোলে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মেক্সিকোর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ফার্নান্দো গনসালেস সাইফে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতি ও সহযোগিতা বিভাগের মহাপরিচালক গ্রাসিয়েলা বায়েজ রিকারদেজ এবং মিউজিয়াম অব মিউরালিজমের পরিচালক গ্লোরিয়া ফালকন। এ ছাড়া, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, পাকিস্তান, ভারত, চীন, রাশিয়া, সৌদি আরব, জর্ডান, কুয়েত, আয়ারল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, কোস্টারিকা, কিউবা, কাজাখস্তান, পর্তুগালসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকেরা, মেক্সিকো সরকারের কর্মকর্তারা, একাডেমিকস, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের প্রতিনিধিদল এবং মেক্সিকোপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটি অনুষ্ঠানে অংশ নেয়।

উদ্বোধনী বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী বলেন, বাংলাদেশ ও মেক্সিকো—দুটি দেশ, যাদের সংস্কৃতি, রং, সুর আর স্বাদের অফুরন্ত ভান্ডার। বাংলার মেলা কিংবা মেক্সিকোর ফিয়েস্তা—দুই দেশেরই প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর উৎসবমুখরতা। দুঃখ-কষ্ট চিনলেও তারা হার মানে না হাসিতে। আর সংস্কৃতি তাদের কাছে নিছক অলংকার নয়, বরং পরিচয়, আত্মার প্রতীক।
গেস্ট অব অনার ফার্নান্দো গনসালেস সাইফে বলেন, জনগণের মধ্যে সংযোগই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে সবচেয়ে শক্তিশালী করে। তিনি আলোকচিত্র প্রদর্শনীকে সাংস্কৃতিক বোঝাপড়া গভীর করার একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন এবং নিকট ভবিষ্যতে বাংলাদেশে মেক্সিকান শিল্প প্রদর্শনীর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
গ্রাসিয়েলা বায়েজ রিকারদেজ বাংলাদেশ ও মেক্সিকোর সাদৃশ্য তুলে ধরে বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের চালিকা শক্তি হলো শিক্ষা ও সংস্কৃতি। তিনি প্রদর্শনীকে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে মেক্সিকোতে তুলে ধরার এক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে প্রশংসা করেন।

আলোকচিত্রী শহিদুল আলম বলেন, মেক্সিকোর শিল্পী থেকে সাধারণ দর্শক পর্যন্ত সবাই আন্তরিকভাবে তাঁর কাজকে গ্রহণ করেছেন, যা মেক্সিকান সংস্কৃতির উন্মুক্ততা ও প্রাণবন্ততার প্রতিফলন। তিনি মেক্সিকোর বিশিষ্ট আলোকচিত্রী পেদ্রো মেয়ের ও গ্রাসিয়েলা ইটুরবিদের বাংলাদেশ সফরের কথা স্মরণ করেন এবং বলেন, এই শিল্প বিনিময় প্রমাণ করে—ভৌগোলিক দূরত্ব ও ভাষার ভিন্নতা সত্ত্বেও বাংলাদেশ ও মেক্সিকো সৃজনশীলতা, সংহতি এবং মানবিকতার অভিন্ন চেতনায় যুক্ত।
অনুষ্ঠানটি ছিল আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের আলোকচিত্রকর্মের প্রতি এক অনন্য শ্রদ্ধা নিবেদন। রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী ও শহিদুল আলম অতিথিদের প্রদর্শনী ঘুরে দেখান এবং ছবিগুলোর পেছনের গল্প তুলে ধরেন। প্রদর্শনীটি চলবে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত। শেষে অতিথিদের জন্য পরিবেশিত হয় ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি খাবার, যা সন্ধ্যার পরিবেশকে আরও উষ্ণ ও প্রাণবন্ত করে তোলে। বিজ্ঞপ্তি

মেক্সিকোতে বাংলাদেশ-মেক্সিকো কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর উদ্যাপন করা হয়েছে। মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক মিউজিয়াম অব মিউরালিজমে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে গত বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) এক বর্ণাঢ্য কূটনৈতিক সংবর্ধনা ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী ‘নীরবতা ভাঙার ছবি’ শিরোনামে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আয়োজনটি বাংলাদেশ ও মেক্সিকোর মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০তম বার্ষিকীকে স্মরণীয় করে তোলে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মেক্সিকোর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ফার্নান্দো গনসালেস সাইফে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতি ও সহযোগিতা বিভাগের মহাপরিচালক গ্রাসিয়েলা বায়েজ রিকারদেজ এবং মিউজিয়াম অব মিউরালিজমের পরিচালক গ্লোরিয়া ফালকন। এ ছাড়া, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, পাকিস্তান, ভারত, চীন, রাশিয়া, সৌদি আরব, জর্ডান, কুয়েত, আয়ারল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, কোস্টারিকা, কিউবা, কাজাখস্তান, পর্তুগালসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকেরা, মেক্সিকো সরকারের কর্মকর্তারা, একাডেমিকস, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের প্রতিনিধিদল এবং মেক্সিকোপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটি অনুষ্ঠানে অংশ নেয়।

উদ্বোধনী বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী বলেন, বাংলাদেশ ও মেক্সিকো—দুটি দেশ, যাদের সংস্কৃতি, রং, সুর আর স্বাদের অফুরন্ত ভান্ডার। বাংলার মেলা কিংবা মেক্সিকোর ফিয়েস্তা—দুই দেশেরই প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর উৎসবমুখরতা। দুঃখ-কষ্ট চিনলেও তারা হার মানে না হাসিতে। আর সংস্কৃতি তাদের কাছে নিছক অলংকার নয়, বরং পরিচয়, আত্মার প্রতীক।
গেস্ট অব অনার ফার্নান্দো গনসালেস সাইফে বলেন, জনগণের মধ্যে সংযোগই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে সবচেয়ে শক্তিশালী করে। তিনি আলোকচিত্র প্রদর্শনীকে সাংস্কৃতিক বোঝাপড়া গভীর করার একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন এবং নিকট ভবিষ্যতে বাংলাদেশে মেক্সিকান শিল্প প্রদর্শনীর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
গ্রাসিয়েলা বায়েজ রিকারদেজ বাংলাদেশ ও মেক্সিকোর সাদৃশ্য তুলে ধরে বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের চালিকা শক্তি হলো শিক্ষা ও সংস্কৃতি। তিনি প্রদর্শনীকে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে মেক্সিকোতে তুলে ধরার এক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে প্রশংসা করেন।

আলোকচিত্রী শহিদুল আলম বলেন, মেক্সিকোর শিল্পী থেকে সাধারণ দর্শক পর্যন্ত সবাই আন্তরিকভাবে তাঁর কাজকে গ্রহণ করেছেন, যা মেক্সিকান সংস্কৃতির উন্মুক্ততা ও প্রাণবন্ততার প্রতিফলন। তিনি মেক্সিকোর বিশিষ্ট আলোকচিত্রী পেদ্রো মেয়ের ও গ্রাসিয়েলা ইটুরবিদের বাংলাদেশ সফরের কথা স্মরণ করেন এবং বলেন, এই শিল্প বিনিময় প্রমাণ করে—ভৌগোলিক দূরত্ব ও ভাষার ভিন্নতা সত্ত্বেও বাংলাদেশ ও মেক্সিকো সৃজনশীলতা, সংহতি এবং মানবিকতার অভিন্ন চেতনায় যুক্ত।
অনুষ্ঠানটি ছিল আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের আলোকচিত্রকর্মের প্রতি এক অনন্য শ্রদ্ধা নিবেদন। রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী ও শহিদুল আলম অতিথিদের প্রদর্শনী ঘুরে দেখান এবং ছবিগুলোর পেছনের গল্প তুলে ধরেন। প্রদর্শনীটি চলবে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত। শেষে অতিথিদের জন্য পরিবেশিত হয় ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি খাবার, যা সন্ধ্যার পরিবেশকে আরও উষ্ণ ও প্রাণবন্ত করে তোলে। বিজ্ঞপ্তি
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
৯ দিন আগে