
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবের বাইরে অবস্থান করেও দেশটির ভিসার মেয়াদ বাড়াতে পারবেন প্রবাসীরা। সেইসঙ্গে তাদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের বসবাসের অনুমতিও (ইকামা) নবায়ন করতে পারবেন। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
কর্তৃপক্ষ জানায়, সৌদি আরবে না থেকেই প্রবাসীদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তি এবং অধীনস্থ গৃহকর্মীদের ইকামা নবায়ন করা সম্ভব। পাশাপাশি প্রবাসীরা সৌদিতে না থেকেও তাদের এক্সিট ও রিটার্ন ভিসার মেয়াদ বাড়াতে পারবেন।
প্রবাসীরা সৌদির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম আবশারের মাধ্যমে নির্ধারিত ফি প্রদান করে এসব সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। এছাড়া মুকিম পোর্টাল থেকেও এ সেবাগুলো পাওয়া যাবে।
সৌদি আরবের পরিসংখ্যান দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির জনসংখ্যা ৩ কোটি ২১ লাখ ৭৫ হাজার ২২৪ জন। এরমধ্যে সৌদির স্থানীয় নাগরিক হলেন প্রায় ১ কোটি ৮৮ লাখ। যা মোট জনসংখ্যার ৫৮ দশমিক ৪ শতাংশ। অপরদিকে প্রবাসী হলেন প্রায় ১ কোটি ৩৪ লাখ। যা মোট জনসংখ্যার ৪১ দশমিক ৬ শতাংশ।

সৌদি আরবের বাইরে অবস্থান করেও দেশটির ভিসার মেয়াদ বাড়াতে পারবেন প্রবাসীরা। সেইসঙ্গে তাদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের বসবাসের অনুমতিও (ইকামা) নবায়ন করতে পারবেন। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
কর্তৃপক্ষ জানায়, সৌদি আরবে না থেকেই প্রবাসীদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তি এবং অধীনস্থ গৃহকর্মীদের ইকামা নবায়ন করা সম্ভব। পাশাপাশি প্রবাসীরা সৌদিতে না থেকেও তাদের এক্সিট ও রিটার্ন ভিসার মেয়াদ বাড়াতে পারবেন।
প্রবাসীরা সৌদির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম আবশারের মাধ্যমে নির্ধারিত ফি প্রদান করে এসব সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। এছাড়া মুকিম পোর্টাল থেকেও এ সেবাগুলো পাওয়া যাবে।
সৌদি আরবের পরিসংখ্যান দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির জনসংখ্যা ৩ কোটি ২১ লাখ ৭৫ হাজার ২২৪ জন। এরমধ্যে সৌদির স্থানীয় নাগরিক হলেন প্রায় ১ কোটি ৮৮ লাখ। যা মোট জনসংখ্যার ৫৮ দশমিক ৪ শতাংশ। অপরদিকে প্রবাসী হলেন প্রায় ১ কোটি ৩৪ লাখ। যা মোট জনসংখ্যার ৪১ দশমিক ৬ শতাংশ।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।