
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবের বেশ কয়েকটি শহরে মুষলধারে বৃষ্টি হয়েছে। আকস্মিক এ বৃষ্টিতে দেখা দিয়েছে বন্যা। বেশ কয়েকটি এলাকায় রেকর্ড বৃষ্টিপাত হওয়ায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সতর্কতা জারি করেছে। অঞ্চলভেদে সতর্কতার মাত্রা ভিন্ন। তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
সৌদির জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র (এনসিএম) বলছে, আরও কয়েকদিন বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। গত মঙ্গলবার দেশজুড়ে বিভিন্ন স্তরের সতর্কতা জারি করেছে সৌদির আবহাওয়া কেন্দ্র।
নির্দেশনা অনুযায়ী, পশ্চিম সৌদি আরবের পবিত্র শহর মক্কা এবং মদিনার পাশাপাশি পূর্ব অঞ্চলের শহরগুলোতে জারি করা হয়েছে রেড অ্যালার্ট। এসব অঞ্চলের বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে থাকতে বলা হয়েছে। বৃষ্টি চলাকালীন করণীয় সম্পর্কেও সচেতন থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে ।
এ ছাড়া সৌদি আরবের দুর্যোগ সংক্রান্ত বিভিন্ন দপ্তর পৃথক প্রচার চালাচ্ছে। তারা নাগরিকদের সতর্ক থাকার এবং বিশেষ করে রেড অ্যালার্ট জারি করা এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা নির্দেশিকা অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়েছে।
সিভিল ডিফেন্স সার্ভিস বলছে, জনগণকে উপত্যকা, নিম্নভূমি এবং বৃষ্টির পানি জমা হতে পারে এমন এলাকা থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এদিকে ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারির পর দেশটির উদ্ধারকারী কর্তৃপক্ষ, রেড ক্রিসেন্টসহ বিভিন্ন সংস্থা নিজেদের প্রস্তুত রেখেছে। সৌদি প্রেস এজেন্সির তথ্য বলছে, রেড ক্রিসেন্ট যেকোনো সময় সহায়তা কার্যক্রম চালাবে বলে স্থানীয় প্রশাসনকে নিশ্চিত করেছে।

সৌদি আরবের বেশ কয়েকটি শহরে মুষলধারে বৃষ্টি হয়েছে। আকস্মিক এ বৃষ্টিতে দেখা দিয়েছে বন্যা। বেশ কয়েকটি এলাকায় রেকর্ড বৃষ্টিপাত হওয়ায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সতর্কতা জারি করেছে। অঞ্চলভেদে সতর্কতার মাত্রা ভিন্ন। তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
সৌদির জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র (এনসিএম) বলছে, আরও কয়েকদিন বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। গত মঙ্গলবার দেশজুড়ে বিভিন্ন স্তরের সতর্কতা জারি করেছে সৌদির আবহাওয়া কেন্দ্র।
নির্দেশনা অনুযায়ী, পশ্চিম সৌদি আরবের পবিত্র শহর মক্কা এবং মদিনার পাশাপাশি পূর্ব অঞ্চলের শহরগুলোতে জারি করা হয়েছে রেড অ্যালার্ট। এসব অঞ্চলের বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে থাকতে বলা হয়েছে। বৃষ্টি চলাকালীন করণীয় সম্পর্কেও সচেতন থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে ।
এ ছাড়া সৌদি আরবের দুর্যোগ সংক্রান্ত বিভিন্ন দপ্তর পৃথক প্রচার চালাচ্ছে। তারা নাগরিকদের সতর্ক থাকার এবং বিশেষ করে রেড অ্যালার্ট জারি করা এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা নির্দেশিকা অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়েছে।
সিভিল ডিফেন্স সার্ভিস বলছে, জনগণকে উপত্যকা, নিম্নভূমি এবং বৃষ্টির পানি জমা হতে পারে এমন এলাকা থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এদিকে ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারির পর দেশটির উদ্ধারকারী কর্তৃপক্ষ, রেড ক্রিসেন্টসহ বিভিন্ন সংস্থা নিজেদের প্রস্তুত রেখেছে। সৌদি প্রেস এজেন্সির তথ্য বলছে, রেড ক্রিসেন্ট যেকোনো সময় সহায়তা কার্যক্রম চালাবে বলে স্থানীয় প্রশাসনকে নিশ্চিত করেছে।
তেহরানে বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি বলেন, “ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান যুদ্ধ চায় না। তবে যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।’ অনুষ্ঠানটি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হয়”
গালিবফ বলেন, “ইরানে হামলার ঘটনা ঘটলে, অধিকৃত ভূখণ্ড এবং এই অঞ্চলে অবস্থিত আমেরিকার সমস্ত সামরিক কেন্দ্র, ঘাঁটি ও জাহাজ আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে। আমরা কেবল হামলা হওয়ার পর প্রতিক্রিয়া জানানোর মধ্যেই নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখব না, বরং হুমকির যেকোনো বস্তুনিষ্ঠ লক্ষণ দেখামাত্রই পদক্ষেপ নেব।”
বিবিসি বলছে, ভিক্টোরিয়া রাজ্যে তীব্র তাপপ্রবাহে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়। এতে ডজনের বেশি দাবানল ছড়িয়ে পড়ে। এসব আগুনে ৩ লাখ হেক্টরের বেশি এলাকা পুড়ে যায়। রোববার পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। তার আগের দিন কর্তৃপক্ষ ‘দুর্যোগ অবস্থা’ ঘোষণা করে।
এক প্রতিবেদনে টাইম ম্যাগাজিন জানিয়েছে, নাম গোপন রাখার শর্তে তেহরানের এক চিকিৎসক তাদের জানিয়েছেন, শুধুমাত্র তেহরানের ৬টি হাসপাতালে ২০৬ বিক্ষোভকারীর মৃত্যুর তথ্য রেকর্ড করা হয়েছে। যাদের বেশির ভাগ গুলিতে প্রাণ হারিয়েছে।

গালিবফ বলেন, “ইরানে হামলার ঘটনা ঘটলে, অধিকৃত ভূখণ্ড এবং এই অঞ্চলে অবস্থিত আমেরিকার সমস্ত সামরিক কেন্দ্র, ঘাঁটি ও জাহাজ আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে। আমরা কেবল হামলা হওয়ার পর প্রতিক্রিয়া জানানোর মধ্যেই নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখব না, বরং হুমকির যেকোনো বস্তুনিষ্ঠ লক্ষণ দেখামাত্রই পদক্ষেপ নেব।”
২ দিন আগে
বিবিসি বলছে, ভিক্টোরিয়া রাজ্যে তীব্র তাপপ্রবাহে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়। এতে ডজনের বেশি দাবানল ছড়িয়ে পড়ে। এসব আগুনে ৩ লাখ হেক্টরের বেশি এলাকা পুড়ে যায়। রোববার পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। তার আগের দিন কর্তৃপক্ষ ‘দুর্যোগ অবস্থা’ ঘোষণা করে।
২ দিন আগে