logo
প্রবাসের খবর

ব্রিটেনে অভিবাসীদের জন্য আইন আরও কঠোর হচ্ছে

বিডিজেন ডেস্ক
বিডিজেন ডেস্ক১৭ নভেম্বর ২০২৫
Copied!
ব্রিটেনে অভিবাসীদের জন্য আইন আরও কঠোর হচ্ছে
ব্রিটেন সরকার অভিবাসন নীতি কঠোর করার কারণ হিসেবে ফ্রান্স থেকে ছোট নৌকায় অবৈধ পারাপারের বিষয়টি তুলে ধরে। ছবি: রয়টার্স

ব্রিটেনে অভিবাসীদের জন্য কঠোর আইন করতে চলেছে দেশটির ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টি। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আশ্রয়প্রার্থীদের আবাসন এবং সাপ্তাহিক ভাতার মতো সহায়তা প্রদান বাতিল করা হবে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

লেবার পার্টি অভিবাসন নীতি কঠোর করার অন্যতম কারণ হিসেবে ফ্রান্স থেকে ছোট নৌকায় অবৈধ পারাপারের বিষয়টিকে দায়ী করে।

ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ বলেন, “বিপদ থেকে পালিয়ে আসা লোকদের স্বাগত জানানোর ঐতিহ্য এই দেশের আছে। আমাদের উদারতা অবৈধ অভিবাসীদের আকর্ষণ করছে। অভিবাসনের গতি এবং মাত্রা দেশের ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করছে।”

শাবানা মাহমুদ আরও জানান, আইনটি সেইসব আশ্রয়প্রার্থীদের ওপর প্রযোজ্য হবে, যারা কাজ করতে চায় না এবং আইন ভঙ্গ করে।

ব্রিটেনের রিফিউজি কাউন্সিল সোশ্যাল মিডিয়া এক্স-এ জানায়, শরণার্থীরা বিপদ থেকে পালানোর সময় আশ্রয় দেশগুলোর তুলনা করে না এবং তারা পারিবারিক বন্ধন, এবং ইংরেজির দক্ষতার কারণে যুক্তরাজ্যে আসেন। যা তাদের নিরাপদে নতুন করে শুরু করতে সাহায্য করে।

ব্রিটেনের নতুন পদক্ষেপগুলো ডেনমার্কের অভিবাসন নীতির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সংস্কারগুলো কেবল ডেনমার্ক নয়, বরং ইউরোপীয় দেশগুলো থেকেও নেওয়া হবে। আইনে শরণার্থীর অস্থায়ী মর্যাদা এবং সহায়তা শর্তসাপেক্ষ থাকবে। কিছুক্ষেত্রে আইনগুলো ইউরোপীয় ফ্রেমওয়ার্ক ছাড়িয়ে যাবে।

ডেনমার্ক সরকার অভিবাসীদের ২ বছরের জন্য অস্থায়ী বসবাসের অনুমতি দেয় এবং মেয়াদ শেষ হলে তাদের পুনরায় আবেদন করতে হয়। যদি ডেনিশ সরকার তাদের নিজ দেশকে নিরাপদ বলে মনে করে, তবে আশ্রয়প্রার্থীদের দেশে ফেরত পাঠাতে পারে। ডেনিশ নাগরিকত্বের পথও দীর্ঘ এবং কঠিন করা হয়েছে। পাশাপাশি পরিবার একত্রীকরণের জন্য কঠোর নিয়ম করা হয়েছে।

২০১৬ সালে ডেনিশ কর্তৃপক্ষকে আশ্রয়প্রার্থীদের খরচ মেটানোর জন্য তাদের মূল্যবান জিনিসপত্র জব্দ করার অনুমতি দেওয়া হয়।

ব্রিটেন সরকার নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের আশ্রয় দেয়, যারা প্রমাণ করতে পারে তারা নিজ দেশে নিরাপদ নন। যেসব অভিবাসী নিপীড়নের ঝুঁকিতে রয়েছেন, তাদের শরণার্থীর মর্যাদা দেওয়া হয়। এই মর্যাদা ৫ বছরের জন্য স্থায়ী হয়। পরবর্তীতে নির্দিষ্ট মানদণ্ড পূরণ করলে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদন করতে পারে অভিবাসীরা।

তবে ডেনমার্ক এক দশকের বেশি সময় ধরে কঠোর অভিবাসন নীতির জন্য পরিচিত। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, আশ্রয়প্রতাশীর সংখ্যা ৪০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তরে নামিয়ে আনা হয়েছে এবং প্রত্যাখ্যাত আবেদনকারীদের ৯৫ শতাংশকে অপসারণ করা হয়েছে।

২০২৫ সালের শুরুতে ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা ডেনমার্কে ভ্রমণ করেন। পরিদর্শনকালে তারা ডেনমার্ক সরকারের আশ্রয়প্রার্থীদের ওপর আইন পর্যালোচনা করেন।

আরও দেখুন

মিলানে ব্যাংকের ভল্টে চুরির চেষ্টার অভিযোগে এক বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

মিলানে ব্যাংকের ভল্টে চুরির চেষ্টার অভিযোগে এক বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

ন্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা কয়েক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে সেই লকার থেকে ভল্টের চাবি উদ্ধার করেন। এরপর স্থানীয় সময় শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে ওই ব্যক্তিকে সুস্থ অবস্থায় ভল্ট থেকে বের করে আনেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

৪ দিন আগে

সিরিয়া থেকে আমেরিকান সেনা প্রত্যাহার শুরু

সিরিয়া থেকে আমেরিকান সেনা প্রত্যাহার শুরু

আইএসকে দমন করতে ২০১৪ সালে সিরিয়ায় প্রায় ২ হাজার সেনা মোতায়েন করেছিল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে বিভিন্ন ঘাঁটিতে প্রায় ১ হাজার আমেরিকান সেনা অবস্থান করছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের সবাইকে ধাপে ধাপে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।

৮ দিন আগে

মালয়েশিয়ায় জাল পাসপোর্ট তৈরির অভিযোগে এক বাংলাদেশি আটক

মালয়েশিয়ায় জাল পাসপোর্ট তৈরির অভিযোগে এক বাংলাদেশি আটক

লোকমান এফেন্দি আরও জানান, অভিযানের সময় ২২টি সন্দেহজনক ও জালিয়াতিপূর্ণ বাংলাদেশি পাসপোর্ট, অ্যাক্সেস কার্ড, কম্পিউটার সেট, প্রিন্টার, কাটিং মেশিন, লেজার এনগ্রেভিং মেশিন, কার্ভ কাটার এবং একটি বেনেলি লিওনসিনো মোটরসাইকেল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, যা অবৈধ কার্যক্রমে ব্যবহৃত হতো।

১১ দিন আগে

পরমাণু চুক্তির জন্য আমেনরিকাকে ছাড় দিতে রাজি ইরান

পরমাণু চুক্তির জন্য আমেনরিকাকে ছাড় দিতে রাজি ইরান

ইরান–আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র চলমান উত্তেজনার মধ্যে সম্প্রতি পরমাণু চুক্তি নিয়ে ওমানের রাজধানী মাসকাটে আলোচনায় বসেছিল দুই দেশ। আগামীকাল মঙ্গলবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে দ্বিতীয় ধাপের আলোচনা হতে পারে বলে জানিয়েছেন মজিদ তাখত।

১১ দিন আগে