
বিডিজেন ডেস্ক

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে নাটকীয় এক সামরিক অভিযানের মাধ্যমে আটক করেছে আমেরিকার বিশেষ বাহিনী।
আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, একটি “বড় আকারের অভিযানের” মাধ্যমে মাদুরোকে আটক করে ভেনেজুয়েলার বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
আমেরিকায় মাদুরোর বিচার হবে বলে জানা গেছে।
সিবিএস নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আমেরিকার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আমেরিকার সেনাবাহিনীর এলিট স্পেশাল ফোর্স ‘ডেল্টা ফোর্স’ এই ঝটিকা অভিযানটি পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, মাদুরোকে আমেরিকায় এনে ফৌজদারি অপরাধের বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
উল্লেখ্য, কয়েক বছর আগেই মাদক পাচারের অভিযোগে আমেরিকায় মাদুরোর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
রুবিও আরও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ভেনেজুয়েলায় বর্তমানে আর কোনো বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা নেই।
দীর্ঘদিন ধরেই ট্রাম্প প্রশাসন মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচার এবং সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগ এনে আসছিল। এই অভিযান সফল করতে গত কয়েক মাস ধরেই ক্যারিবীয় অঞ্চলে আমেরিকার সামরিক উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছিল। সেখানে বর্তমানে আমেরিকার বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড’–সহ অসংখ্য যুদ্ধজাহাজ অবস্থান করছে।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে আমেরিকা ভেনেজুয়েলার দুটি তেল ট্যাঙ্কার জব্দ করেছে এবং মাদক পাচারের অভিযোগে ৩০টিরও বেশি নৌযান ও একটি ডক ইয়ার্ডে শক্তিশালী হামলা চালিয়েছে।
ভেনেজুয়েলার পক্ষ থেকে এই অভিযানের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। মাদুরো অবশ্য বরাবরই তার বিরুদ্ধে আনা মাদক পাচারের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিলেন।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে নাটকীয় এক সামরিক অভিযানের মাধ্যমে আটক করেছে আমেরিকার বিশেষ বাহিনী।
আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, একটি “বড় আকারের অভিযানের” মাধ্যমে মাদুরোকে আটক করে ভেনেজুয়েলার বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
আমেরিকায় মাদুরোর বিচার হবে বলে জানা গেছে।
সিবিএস নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আমেরিকার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আমেরিকার সেনাবাহিনীর এলিট স্পেশাল ফোর্স ‘ডেল্টা ফোর্স’ এই ঝটিকা অভিযানটি পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, মাদুরোকে আমেরিকায় এনে ফৌজদারি অপরাধের বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
উল্লেখ্য, কয়েক বছর আগেই মাদক পাচারের অভিযোগে আমেরিকায় মাদুরোর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
রুবিও আরও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ভেনেজুয়েলায় বর্তমানে আর কোনো বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা নেই।
দীর্ঘদিন ধরেই ট্রাম্প প্রশাসন মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচার এবং সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগ এনে আসছিল। এই অভিযান সফল করতে গত কয়েক মাস ধরেই ক্যারিবীয় অঞ্চলে আমেরিকার সামরিক উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছিল। সেখানে বর্তমানে আমেরিকার বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড’–সহ অসংখ্য যুদ্ধজাহাজ অবস্থান করছে।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে আমেরিকা ভেনেজুয়েলার দুটি তেল ট্যাঙ্কার জব্দ করেছে এবং মাদক পাচারের অভিযোগে ৩০টিরও বেশি নৌযান ও একটি ডক ইয়ার্ডে শক্তিশালী হামলা চালিয়েছে।
ভেনেজুয়েলার পক্ষ থেকে এই অভিযানের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। মাদুরো অবশ্য বরাবরই তার বিরুদ্ধে আনা মাদক পাচারের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিলেন।
নিহতরা হলেন কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার কড়ইবাড়ি গ্রামের মোহাম্মদ হীরামন (৬০) এবং তার ছেলে নাজমুল রোবেল (৩০)। তারা সপরিবার নিউইয়র্কের লাউডনভিলে বসবাস করতেন। অপরজন হলেন—নড়াইলের ফাহিম আলিম (২৭)।
আরব আমিরাত সরকার জানিয়েছে, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আরবি বর্ষপঞ্জির সর্বশেষ মাস জিলহজ শুরু হতে পারে আগামী ১৮ মে। এ মাসের ১০ তারিখে ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগের দিন আরাফাত দিবস। অর্থাৎ দিনটিতে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা অনুষ্ঠিত হয়।
টরন্টো পুলিশ ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুর আনুমানিক ৩টা ৫ মিনিটের দিকে ডেনফোর্থ অ্যাভিনিউ ও বাইং অ্যাভিনিউ এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় আহনাফকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
জীবিতরা জানিয়েছেন, সমুদ্রের আবহাওয়া ছিল অত্যন্ত বৈরী। কয়েক ফুট উঁচু ঢেউয়ের আঘাতে যাত্রার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নৌকায় পানি ঢুকতে শুরু করে। লিবীয় জলসীমার ভেতরেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায় নৌকাটি। জীবন বাঁচাতে অনেকেই সাগরের হিমশীতল পানিতে ঝাঁপ দেন।