
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবে আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী অভিযান চালিয়ে গত এক সপ্তাহে ১৪ হাজার ৬০০ জনকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে দুবাই ভিত্তিক সংমাধ্যম গালফ নিউজ।
দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, চলতি মাসের জানুয়ারি ৮ থেকে ১৪ তারিখের মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার সমন্বয়ে পরিচালিত যৌথ অভিযানে মোট ১৪ হাজার ৬২১ জন অবৈধ বাসিন্দাকে আটক করে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। একই সময়ে আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত নিরাপত্তা আইন ভঙ্গের দায়ে মোট ১৮ হাজার ৫৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১১ হাজার ৩৪৩ জন আবাসন আইন লঙ্ঘনকারী, তিন হাজার ৮৫৮ জন সীমান্ত নিরাপত্তা আইনের অপরাধী এবং দুই হাজার ৮৫৩ জন শ্রম আইন ভঙ্গকারী ছিলেন। ফেরত পাঠানোর পাশাপাশি ১৯ হাজার ৮৩৫ জনকে ভ্রমণ নথি সংগ্রহের জন্য তাদের নিজ নিজ কূটনৈতিক মিশনে পাঠানো হয়েছে এবং তিন হাজার ৯৩৬ জনকে দেশত্যাগের প্রস্তুতি শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিযানের অংশ হিসেবে অবৈধ সীমান্ত পারাপারের বিষয়েও নজরদারি জোরদার করা হয়। অবৈধভাবে সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় এক হাজার ৪৯১ জনকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে ৪০ শতাংশ ইয়েমেনি নাগরিক, ৫৯ শতাংশ ইথিওপিয়ান এবং ১ শতাংশ অন্যান্য দেশের নাগরিক। এছাড়া অবৈধভাবে সৌদি আরব ত্যাগের চেষ্টা করার সময় আরও ১৮ জনকে আটক করা হয়।
মন্ত্রণালয় আরও জানায়, অবৈধভাবে প্রবেশ, পরিবহন, আশ্রয় দেওয়া বা কর্মসংস্থানের মাধ্যমে আইন লঙ্ঘনে সহায়তা করার অভিযোগে ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে চলমান আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ২৫ হাজার ৫৫২ জন পুরুষ ও এক হাজার ৯৬৬ জন নারীসহ মোট ২৭ হাজার ৫১৮ জন প্রবাসীর নথিপত্র আইনের আলোকে যাচাই চলছে।
বিবৃতিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করে জানিয়েছে, দেশটিতে যারা অবৈধভাবে প্রবেশ, পরিবহন, আশ্রয় বা কর্মসংস্থানে সহায়তা করবে, তাদের সর্বোচ্চ ১৫ বছর কারাদণ্ড, ১০ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানাসহ ব্যবহৃত সম্পত্তি জব্দ করা হতে পারে। এ ছাড়া আইন লঙ্ঘনের তথ্য মক্কা, রিয়াদ ও পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে ৯১১ নম্বরে এবং অন্যান্য অঞ্চলে ৯৯৯ বা ৯৯৬ নম্বরে ফোন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সৌদি আরবে আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী অভিযান চালিয়ে গত এক সপ্তাহে ১৪ হাজার ৬০০ জনকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে দুবাই ভিত্তিক সংমাধ্যম গালফ নিউজ।
দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, চলতি মাসের জানুয়ারি ৮ থেকে ১৪ তারিখের মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার সমন্বয়ে পরিচালিত যৌথ অভিযানে মোট ১৪ হাজার ৬২১ জন অবৈধ বাসিন্দাকে আটক করে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। একই সময়ে আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত নিরাপত্তা আইন ভঙ্গের দায়ে মোট ১৮ হাজার ৫৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১১ হাজার ৩৪৩ জন আবাসন আইন লঙ্ঘনকারী, তিন হাজার ৮৫৮ জন সীমান্ত নিরাপত্তা আইনের অপরাধী এবং দুই হাজার ৮৫৩ জন শ্রম আইন ভঙ্গকারী ছিলেন। ফেরত পাঠানোর পাশাপাশি ১৯ হাজার ৮৩৫ জনকে ভ্রমণ নথি সংগ্রহের জন্য তাদের নিজ নিজ কূটনৈতিক মিশনে পাঠানো হয়েছে এবং তিন হাজার ৯৩৬ জনকে দেশত্যাগের প্রস্তুতি শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিযানের অংশ হিসেবে অবৈধ সীমান্ত পারাপারের বিষয়েও নজরদারি জোরদার করা হয়। অবৈধভাবে সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় এক হাজার ৪৯১ জনকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে ৪০ শতাংশ ইয়েমেনি নাগরিক, ৫৯ শতাংশ ইথিওপিয়ান এবং ১ শতাংশ অন্যান্য দেশের নাগরিক। এছাড়া অবৈধভাবে সৌদি আরব ত্যাগের চেষ্টা করার সময় আরও ১৮ জনকে আটক করা হয়।
মন্ত্রণালয় আরও জানায়, অবৈধভাবে প্রবেশ, পরিবহন, আশ্রয় দেওয়া বা কর্মসংস্থানের মাধ্যমে আইন লঙ্ঘনে সহায়তা করার অভিযোগে ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে চলমান আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ২৫ হাজার ৫৫২ জন পুরুষ ও এক হাজার ৯৬৬ জন নারীসহ মোট ২৭ হাজার ৫১৮ জন প্রবাসীর নথিপত্র আইনের আলোকে যাচাই চলছে।
বিবৃতিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করে জানিয়েছে, দেশটিতে যারা অবৈধভাবে প্রবেশ, পরিবহন, আশ্রয় বা কর্মসংস্থানে সহায়তা করবে, তাদের সর্বোচ্চ ১৫ বছর কারাদণ্ড, ১০ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানাসহ ব্যবহৃত সম্পত্তি জব্দ করা হতে পারে। এ ছাড়া আইন লঙ্ঘনের তথ্য মক্কা, রিয়াদ ও পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে ৯১১ নম্বরে এবং অন্যান্য অঞ্চলে ৯৯৯ বা ৯৯৬ নম্বরে ফোন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের বিষয়ে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশটি ৬-৩ ভোটে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। নিম্ন আদালতের ওই সিদ্ধান্তে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশটি স্থগিত করা হয়েছিল।
লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস অ্যান্ড পলিটিক্যাল সায়েন্সের লেবানিজ গবেষক ফাওয়াজ গেরগেস বলেন, চুক্তিটি ‘জন্মের আগেই মৃত’ এবং কাঠামোগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ। কারণ এটি এমন একটি শর্তের ওপর নির্ভর করছে, যা বাস্তবে পূরণ করা অসম্ভব।
মোলেন বলেন, “হয় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পূরণ করে স্থায়ী মর্যাদার আওতায় এখানে থাকার চেষ্টা করুন, নয়তো আমরা আপনাকে নিজ দেশে ফিরে যেতে সহায়তা করব।”
সময়সীমা শেষ হওয়ার প্রাক্কালে এনজিওগুলো এখনো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহের চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া অভিবাসীদের সঙ্গে যোগাযোগ ও পরামর্শ দেওয়ার কার্যক্রম জোরদার করেছে। স্পেনে প্রায় ৮ লাখ ৪০ হাজার মানুষ অনানুষ্ঠানিকভাবে কাজ করেন এবং বৈধ বসবাসের অনুমতি পেতে অনেক ক্ষেত্রেই এক বছরেরও বেশি সময় লাগে।