
বিডিজেন ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলজুড়ে ভয়াবহ দাবানলে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া, কয়েক শ স্থাপনা পুড়ে গেছে।
আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
বিবিসি বলছে, ভিক্টোরিয়া রাজ্যে তীব্র তাপপ্রবাহে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়। এতে ডজনের বেশি দাবানল ছড়িয়ে পড়ে। এসব আগুনে ৩ লাখ হেক্টরের বেশি এলাকা পুড়ে যায়। রোববার পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। তার আগের দিন কর্তৃপক্ষ ‘দুর্যোগ অবস্থা’ ঘোষণা করে।
জরুরি ব্যবস্থাপনা কমিশনার টিম উইবুশ জানান, গ্রামীণ এলাকায় খামারের শেডসহ তিন শতাধিক স্থাপনা সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। তিনি বলেন, ৭০টির বেশি বসতবাড়ি ধ্বংস হয়েছে। এর সঙ্গে বিস্তীর্ণ কৃষিজমি ও প্রাকৃতিক বনভূমিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতির দিকে যাচ্ছে। এর ফলে যেসব আগুন এখনও জ্বলছে, সেগুলোর নিয়ন্ত্রণে অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা কাজ শুরু করতে পারছেন।”
পুলিশ জানায়, রাজ্যের রাজধানী মেলবোর্ন থেকে উত্তরে প্রায় দুই ঘণ্টার পথ লংউড শহরের কাছে এক ব্যক্তি দাবানলে প্রাণ হারিয়েছেন। ফরেস্ট ফায়ার ম্যানেজমেন্ট ভিক্টোরিয়ার ক্রিস হার্ডম্যান বলেন, “এই খবর আমাদের সব উদ্দীপনা কেড়ে নিয়েছে। আমরা ওই এলাকার মানুষ এবং নিহত ব্যক্তির পরিবার, বন্ধু ও স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।”
ছোট শহর ওয়ালওয়ার কাছে আরেকটি দাবানল এতটাই তাপ ছড়ায় যে সেখানে স্থানীয়ভাবে বজ্রঝড় তৈরি হয়। দেশজুড়ে কয়েক শ অগ্নিনির্বাপক কর্মীকে আগুন নেভাতে মোতায়েন করা হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বলেন, অতিরিক্ত সহায়তার জন্য তিনি কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করছেন। এ সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়ার বড় অংশজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহে লাখো মানুষ চরম গরমে ভুগেছে।

অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলজুড়ে ভয়াবহ দাবানলে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া, কয়েক শ স্থাপনা পুড়ে গেছে।
আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
বিবিসি বলছে, ভিক্টোরিয়া রাজ্যে তীব্র তাপপ্রবাহে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়। এতে ডজনের বেশি দাবানল ছড়িয়ে পড়ে। এসব আগুনে ৩ লাখ হেক্টরের বেশি এলাকা পুড়ে যায়। রোববার পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। তার আগের দিন কর্তৃপক্ষ ‘দুর্যোগ অবস্থা’ ঘোষণা করে।
জরুরি ব্যবস্থাপনা কমিশনার টিম উইবুশ জানান, গ্রামীণ এলাকায় খামারের শেডসহ তিন শতাধিক স্থাপনা সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। তিনি বলেন, ৭০টির বেশি বসতবাড়ি ধ্বংস হয়েছে। এর সঙ্গে বিস্তীর্ণ কৃষিজমি ও প্রাকৃতিক বনভূমিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতির দিকে যাচ্ছে। এর ফলে যেসব আগুন এখনও জ্বলছে, সেগুলোর নিয়ন্ত্রণে অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা কাজ শুরু করতে পারছেন।”
পুলিশ জানায়, রাজ্যের রাজধানী মেলবোর্ন থেকে উত্তরে প্রায় দুই ঘণ্টার পথ লংউড শহরের কাছে এক ব্যক্তি দাবানলে প্রাণ হারিয়েছেন। ফরেস্ট ফায়ার ম্যানেজমেন্ট ভিক্টোরিয়ার ক্রিস হার্ডম্যান বলেন, “এই খবর আমাদের সব উদ্দীপনা কেড়ে নিয়েছে। আমরা ওই এলাকার মানুষ এবং নিহত ব্যক্তির পরিবার, বন্ধু ও স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।”
ছোট শহর ওয়ালওয়ার কাছে আরেকটি দাবানল এতটাই তাপ ছড়ায় যে সেখানে স্থানীয়ভাবে বজ্রঝড় তৈরি হয়। দেশজুড়ে কয়েক শ অগ্নিনির্বাপক কর্মীকে আগুন নেভাতে মোতায়েন করা হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বলেন, অতিরিক্ত সহায়তার জন্য তিনি কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করছেন। এ সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়ার বড় অংশজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহে লাখো মানুষ চরম গরমে ভুগেছে।
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
৯ দিন আগে