
বিডিজেন ডেস্ক

ব্রিটেনের 'চরম ও গোপনীয়' কিছু ক্ষমতাবলে লাখ লাখ ব্রিটিশ মুসলিমের নাগরিকত্ব হারানোর ঝুঁকি তৈরি করছে বলে একটি নতুন প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডলইস্ট আই রানিমিড ট্রাস্ট ও রিপ্রাইভ নামের দুটি সংস্থার গবেষণার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, যুক্তরাজ্যের প্রায় ৯০ লাখ মানুষ যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৩ শতাংশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শাবানা মাহমুদের ‘স্বেচ্ছাচারী’ ক্ষমতাবলে আইনিভাবে তাদের নাগরিকত্ব হারাতে পারেন।
সংশ্লিষ্টরা সতর্ক করেছেন, এই স্বেচ্ছাচারী ক্ষমতায় বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য এবং আফ্রিকার সঙ্গে পারিবারিক বা ঐতিহাসিকভাবে যুক্ত নাগরিকদের ওপর অসম প্রভাব পড়ছে এবং তাদের বিপদে ফেলছে।
দুই সংস্থাই সতর্ক করেছে, এই ‘নাগরিকত্ব হরণ প্রক্রিয়া’ বর্তমানে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের জন্য একটি পদ্ধতিগত হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমান আইন অনুযায়ী, ব্রিটিশ সরকার যদি মনে করে যেকোনো নাগরিক অন্য কোনো দেশের নাগরিকত্বের জন্য যোগ্য, তবে তার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হতে পারে; এমনকি যদি ওই ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট দেশে কখনো বসবাস না করে থাকেন বা নিজেকে সেই দেশের নাগরিক হিসেবে পরিচয় না-ও দেন।
এই প্রতিবেদনটি থেকে বোঝা যায়, এই নীতির সবচেয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, সোমালিয়া, নাইজেরিয়া, উত্তর আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসীদের ওপর। এসব দেশ থেকে আসা বিপুলসংখ্যক মুসলিম নাগরিক যুক্তরাজ্যে বসবাস করেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এটি নাগরিকত্বের ক্ষেত্রে একটি বর্ণবাদী শ্রেণিবিন্যাস তৈরি করেছে; যেখানে ব্রিটিশ মুসলিমদের এ দেশে থাকা বা অন্তর্ভুক্ত হওয়াকে এমন কিছু শর্তের ওপর নির্ভরশীল করে তোলা হয়েছে, যা শ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মানবাধিকার সংস্থা ‘রিপ্রাইভ’-এর মায়া ফোয়া মিডল ইস্ট আইকে বলেন, “আগের সরকার রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য পাচারের শিকার ব্রিটিশ নাগরিকদের নাগরিকত্ব কেড়ে নিয়েছিল আর বর্তমান সরকার এই চরমপন্থী ও গোপনীয় ক্ষমতাকে আরও সম্প্রসারিত করেছে।”
ফোয়া বলেন, “পরবর্তী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যাদের অধিকার কেড়ে নিতে পারেন, এমন প্রায় ৯০ লাখ মানুষের দুশ্চিন্তার যথেষ্ট কারণ রয়েছে এই ভেবে যে, একটি পূর্ণাঙ্গ স্বৈরাচারী সরকার ভবিষ্যতে ঠিক কী করতে পারে।”
ফোয়ার মতো একই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ‘রানিমিড ট্রাস্ট’-এর প্রধান শাবনা বেগম। তিনি বলেন, “স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্বেচ্ছাচার ক্ষমতাবলে নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার একটি আতঙ্কজনক অবস্থা চলছে এবং এটি ব্রিটেনের মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের ওপর অসম (বা আনুপাতিক হারের চেয়ে অনেক বেশি) প্রভাব ফেলছে।”
তিনি আরও বলেন, “নাগরিকত্ব একটি অধিকার, কোনো বিশেষ সুবিধা নয়। তা সত্ত্বেও, একের পর এক সরকার নাগরিকত্বের ক্ষেত্রে একটি দ্বিস্তরীয় পদ্ধতি গ্রহণ করছে। এর মাধ্যমে তারা একটি বিপজ্জনক নজির স্থাপন করছে যে; কারও আচরণ ‘ভালো’ না ‘মন্দ’ তার ওপর ভিত্তি করে নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া যেতে পারে। এমনকি আপনার পরিবার এই দেশে যত প্রজন্ম ধরেই বসবাস করুক না কেন।”
রিপ্রাইভ ও রানিমিড ট্রাস্টের বিশ্লেষণে দেখা গেছে এই আইন প্রয়োগ হলে, কৃষ্ণাঙ্গ ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর প্রতি পাঁচজনের মধ্যে তিনজনেরই ব্রিটিশ নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হতে পারে। এর বিপরীতে, শ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকির হার প্রতি ২০ জনে মাত্র একজন। তবে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভুতরা। বাংলাদেশের ৩৩ লাখ, ভারতের ৯ লাখ ৮৪ হাজার ও পাকিস্তানের ৬ লাখ ৭৯ হাজার মুসলিমের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার আশংকা করছে সংস্থা দুইটি। এদের মধ্যে একটি বড় অংশ কয়েক প্রজন্ম ধরে ব্রিটেনে বসবাস করছেন। ইতিমধ্যে যাদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হয়েছে, তাদের বড় অংশই দক্ষিণ এশীয়, মধ্যপ্রাচ্য বা উত্তর আফ্রিকার বংশোদ্ভূত মুসলিম।
প্রতিবেদনে আরও উঠে এসেছে, গত ১৫ বছরে প্রায় ২০০–এর বেশি মানুষের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হয়েছে কেবলমাত্র ‘জনস্বার্থের জন্য হুমকিজনক’ হওয়ার দোহাই দিয়ে। এদের বিশাল অংশই মুসলিম। ২০২২ সালে সরকার কোনো ব্যক্তিকে অবহিত না করেই তার নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার ক্ষমতা লাভ করে। আর ২০২৫ সালের একটি আইন এখন এটি নিশ্চিত করেছে যে, আদালত যদি নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তকে বেআইনি বলেও রায় দেয়, তবুও সে রায় সরকারের আপিল প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতার ‘ফাঁদ’-এ পড়ে যেতে পারে। যা কখনো বছরের পর বছর চলতে পারে। শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তাদের নাগরিকত্ব ফিরে পাবেন না।
প্রতিবেদনে এমন কিছু ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে যুক্তরাজ্য সরকার ভুলবশত বিশ্বাস করেছিল যে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অন্য কোনো দেশের নাগরিকত্ব অর্জন করতে সক্ষম, কিন্তু পরে আদালত রায় দেয়, যে তাদের বছরের পর বছর অবৈধভাবে ‘রাষ্ট্রহীন’ করে রাখা হয়েছিল। ‘রিপ্রাইভ’ জানিয়েছে যে, তারা এমন অনেক মুসলিম মক্কেলের কথা জানেন যাদের আপিল প্রক্রিয়া বর্তমানে স্থবির হয়ে আছে কারণ তারা দেশের বাইরে বন্দী অবস্থায় আছেন এবং আইনজীবীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে পারছেন না।
এই ঘটনার মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত উদাহরণ হয়ে আছে শামীমা বেগমের মামলা। ব্রিটেনে জন্মগ্রহণকারী এই কিশোরীর নাগরিকত্ব এই যুক্তিতে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল, যে তিনি সম্ভবত বাংলাদেশের নাগরিক। যদিও বাংলাদেশের কর্মকর্তারা প্রকাশ্যে এই দাবি অস্বীকার করেছেন।
কনজারভেটিভ (রক্ষণশীল) এবং রিফর্ম ইউকে দলের রাজনীতিকদের ক্রমবর্ধমান কঠোর অবস্থানের মধ্যেই এই তথ্যগুলো সামনে এসেছে। দুই দলই এমন সব পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে যার ফলে বৈধভাবে বসবাসরত লাখ লাখ মানুষকে নির্বাসিত করা হতে পারে। নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার ক্ষমতা ইতিমধ্যেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে কুক্ষিগত থাকায়, মুসলিম সংগঠনগুলো আশঙ্কা করছে যে ক্রমবর্ধমান জাতীয়তাবাদী রাজনীতি এই ক্ষমতার ব্যাপক অপব্যবহার ঘটাতে পারে।
রানিমিড ও রিপ্রাইভ জরুরি সংস্কারের দাবি জানিয়েছে। দাবিগুলো হলো-
প্রতিষ্ঠান দুটি সতর্ক করে দিয়ে বলেছে যে, এই আইনটি বাতিল করা না হলে যুক্তরাজ্যে নাগরিকত্বের ক্ষেত্রে একটি ‘দ্বিস্তরীয় ব্যবস্থা’ বহাল থাকবে; যা লাখ লাখ মুসলিমকে স্থায়ী অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেবে।

ব্রিটেনের 'চরম ও গোপনীয়' কিছু ক্ষমতাবলে লাখ লাখ ব্রিটিশ মুসলিমের নাগরিকত্ব হারানোর ঝুঁকি তৈরি করছে বলে একটি নতুন প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডলইস্ট আই রানিমিড ট্রাস্ট ও রিপ্রাইভ নামের দুটি সংস্থার গবেষণার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, যুক্তরাজ্যের প্রায় ৯০ লাখ মানুষ যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৩ শতাংশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শাবানা মাহমুদের ‘স্বেচ্ছাচারী’ ক্ষমতাবলে আইনিভাবে তাদের নাগরিকত্ব হারাতে পারেন।
সংশ্লিষ্টরা সতর্ক করেছেন, এই স্বেচ্ছাচারী ক্ষমতায় বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য এবং আফ্রিকার সঙ্গে পারিবারিক বা ঐতিহাসিকভাবে যুক্ত নাগরিকদের ওপর অসম প্রভাব পড়ছে এবং তাদের বিপদে ফেলছে।
দুই সংস্থাই সতর্ক করেছে, এই ‘নাগরিকত্ব হরণ প্রক্রিয়া’ বর্তমানে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের জন্য একটি পদ্ধতিগত হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমান আইন অনুযায়ী, ব্রিটিশ সরকার যদি মনে করে যেকোনো নাগরিক অন্য কোনো দেশের নাগরিকত্বের জন্য যোগ্য, তবে তার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হতে পারে; এমনকি যদি ওই ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট দেশে কখনো বসবাস না করে থাকেন বা নিজেকে সেই দেশের নাগরিক হিসেবে পরিচয় না-ও দেন।
এই প্রতিবেদনটি থেকে বোঝা যায়, এই নীতির সবচেয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, সোমালিয়া, নাইজেরিয়া, উত্তর আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসীদের ওপর। এসব দেশ থেকে আসা বিপুলসংখ্যক মুসলিম নাগরিক যুক্তরাজ্যে বসবাস করেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এটি নাগরিকত্বের ক্ষেত্রে একটি বর্ণবাদী শ্রেণিবিন্যাস তৈরি করেছে; যেখানে ব্রিটিশ মুসলিমদের এ দেশে থাকা বা অন্তর্ভুক্ত হওয়াকে এমন কিছু শর্তের ওপর নির্ভরশীল করে তোলা হয়েছে, যা শ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মানবাধিকার সংস্থা ‘রিপ্রাইভ’-এর মায়া ফোয়া মিডল ইস্ট আইকে বলেন, “আগের সরকার রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য পাচারের শিকার ব্রিটিশ নাগরিকদের নাগরিকত্ব কেড়ে নিয়েছিল আর বর্তমান সরকার এই চরমপন্থী ও গোপনীয় ক্ষমতাকে আরও সম্প্রসারিত করেছে।”
ফোয়া বলেন, “পরবর্তী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যাদের অধিকার কেড়ে নিতে পারেন, এমন প্রায় ৯০ লাখ মানুষের দুশ্চিন্তার যথেষ্ট কারণ রয়েছে এই ভেবে যে, একটি পূর্ণাঙ্গ স্বৈরাচারী সরকার ভবিষ্যতে ঠিক কী করতে পারে।”
ফোয়ার মতো একই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ‘রানিমিড ট্রাস্ট’-এর প্রধান শাবনা বেগম। তিনি বলেন, “স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্বেচ্ছাচার ক্ষমতাবলে নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার একটি আতঙ্কজনক অবস্থা চলছে এবং এটি ব্রিটেনের মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের ওপর অসম (বা আনুপাতিক হারের চেয়ে অনেক বেশি) প্রভাব ফেলছে।”
তিনি আরও বলেন, “নাগরিকত্ব একটি অধিকার, কোনো বিশেষ সুবিধা নয়। তা সত্ত্বেও, একের পর এক সরকার নাগরিকত্বের ক্ষেত্রে একটি দ্বিস্তরীয় পদ্ধতি গ্রহণ করছে। এর মাধ্যমে তারা একটি বিপজ্জনক নজির স্থাপন করছে যে; কারও আচরণ ‘ভালো’ না ‘মন্দ’ তার ওপর ভিত্তি করে নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া যেতে পারে। এমনকি আপনার পরিবার এই দেশে যত প্রজন্ম ধরেই বসবাস করুক না কেন।”
রিপ্রাইভ ও রানিমিড ট্রাস্টের বিশ্লেষণে দেখা গেছে এই আইন প্রয়োগ হলে, কৃষ্ণাঙ্গ ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর প্রতি পাঁচজনের মধ্যে তিনজনেরই ব্রিটিশ নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হতে পারে। এর বিপরীতে, শ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকির হার প্রতি ২০ জনে মাত্র একজন। তবে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভুতরা। বাংলাদেশের ৩৩ লাখ, ভারতের ৯ লাখ ৮৪ হাজার ও পাকিস্তানের ৬ লাখ ৭৯ হাজার মুসলিমের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার আশংকা করছে সংস্থা দুইটি। এদের মধ্যে একটি বড় অংশ কয়েক প্রজন্ম ধরে ব্রিটেনে বসবাস করছেন। ইতিমধ্যে যাদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হয়েছে, তাদের বড় অংশই দক্ষিণ এশীয়, মধ্যপ্রাচ্য বা উত্তর আফ্রিকার বংশোদ্ভূত মুসলিম।
প্রতিবেদনে আরও উঠে এসেছে, গত ১৫ বছরে প্রায় ২০০–এর বেশি মানুষের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হয়েছে কেবলমাত্র ‘জনস্বার্থের জন্য হুমকিজনক’ হওয়ার দোহাই দিয়ে। এদের বিশাল অংশই মুসলিম। ২০২২ সালে সরকার কোনো ব্যক্তিকে অবহিত না করেই তার নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার ক্ষমতা লাভ করে। আর ২০২৫ সালের একটি আইন এখন এটি নিশ্চিত করেছে যে, আদালত যদি নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তকে বেআইনি বলেও রায় দেয়, তবুও সে রায় সরকারের আপিল প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতার ‘ফাঁদ’-এ পড়ে যেতে পারে। যা কখনো বছরের পর বছর চলতে পারে। শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তাদের নাগরিকত্ব ফিরে পাবেন না।
প্রতিবেদনে এমন কিছু ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে যুক্তরাজ্য সরকার ভুলবশত বিশ্বাস করেছিল যে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অন্য কোনো দেশের নাগরিকত্ব অর্জন করতে সক্ষম, কিন্তু পরে আদালত রায় দেয়, যে তাদের বছরের পর বছর অবৈধভাবে ‘রাষ্ট্রহীন’ করে রাখা হয়েছিল। ‘রিপ্রাইভ’ জানিয়েছে যে, তারা এমন অনেক মুসলিম মক্কেলের কথা জানেন যাদের আপিল প্রক্রিয়া বর্তমানে স্থবির হয়ে আছে কারণ তারা দেশের বাইরে বন্দী অবস্থায় আছেন এবং আইনজীবীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে পারছেন না।
এই ঘটনার মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত উদাহরণ হয়ে আছে শামীমা বেগমের মামলা। ব্রিটেনে জন্মগ্রহণকারী এই কিশোরীর নাগরিকত্ব এই যুক্তিতে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল, যে তিনি সম্ভবত বাংলাদেশের নাগরিক। যদিও বাংলাদেশের কর্মকর্তারা প্রকাশ্যে এই দাবি অস্বীকার করেছেন।
কনজারভেটিভ (রক্ষণশীল) এবং রিফর্ম ইউকে দলের রাজনীতিকদের ক্রমবর্ধমান কঠোর অবস্থানের মধ্যেই এই তথ্যগুলো সামনে এসেছে। দুই দলই এমন সব পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে যার ফলে বৈধভাবে বসবাসরত লাখ লাখ মানুষকে নির্বাসিত করা হতে পারে। নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার ক্ষমতা ইতিমধ্যেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে কুক্ষিগত থাকায়, মুসলিম সংগঠনগুলো আশঙ্কা করছে যে ক্রমবর্ধমান জাতীয়তাবাদী রাজনীতি এই ক্ষমতার ব্যাপক অপব্যবহার ঘটাতে পারে।
রানিমিড ও রিপ্রাইভ জরুরি সংস্কারের দাবি জানিয়েছে। দাবিগুলো হলো-
প্রতিষ্ঠান দুটি সতর্ক করে দিয়ে বলেছে যে, এই আইনটি বাতিল করা না হলে যুক্তরাজ্যে নাগরিকত্বের ক্ষেত্রে একটি ‘দ্বিস্তরীয় ব্যবস্থা’ বহাল থাকবে; যা লাখ লাখ মুসলিমকে স্থায়ী অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেবে।
মোলেন বলেন, “হয় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পূরণ করে স্থায়ী মর্যাদার আওতায় এখানে থাকার চেষ্টা করুন, নয়তো আমরা আপনাকে নিজ দেশে ফিরে যেতে সহায়তা করব।”
সময়সীমা শেষ হওয়ার প্রাক্কালে এনজিওগুলো এখনো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহের চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া অভিবাসীদের সঙ্গে যোগাযোগ ও পরামর্শ দেওয়ার কার্যক্রম জোরদার করেছে। স্পেনে প্রায় ৮ লাখ ৪০ হাজার মানুষ অনানুষ্ঠানিকভাবে কাজ করেন এবং বৈধ বসবাসের অনুমতি পেতে অনেক ক্ষেত্রেই এক বছরেরও বেশি সময় লাগে।
বার্নহ্যাম প্রধানমন্ত্রী হলে গত এক দশকে যুক্তরাজ্যের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী হবেন। লেবার পার্টির অনেকের বিশ্বাস, ভোটারদের সঙ্গে কার্যকরভাবে যোগাযোগ স্থাপন এবং নাইজেল ফারাজের অভিবাসনবিরোধী রিফর্ম ইউকে পার্টির উত্থান মোকাবিলায় বার্নহ্যামের ব্যক্তিত্ব ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিই সবচেয়ে কার্যকর হতে পারে।
ড্রস্কি বলেন, “ছোটবেলা থেকেই বিইটি অ্যাওয়ার্ডস দেখে বড় হয়েছি। আমার আগে যেসব কিংবদন্তি কৌতুক অভিনেতা এই অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন, তারা মানদণ্ড অনেক উঁচুতে নিয়ে গেছেন। সেই ইতিহাসের অংশ হতে পারাটা আমার জন্য গর্বের। তবে মঞ্চে আমি আমার নিজস্ব ধরনের কমেডিই নিয়ে আসব।”

বার্নহ্যাম প্রধানমন্ত্রী হলে গত এক দশকে যুক্তরাজ্যের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী হবেন। লেবার পার্টির অনেকের বিশ্বাস, ভোটারদের সঙ্গে কার্যকরভাবে যোগাযোগ স্থাপন এবং নাইজেল ফারাজের অভিবাসনবিরোধী রিফর্ম ইউকে পার্টির উত্থান মোকাবিলায় বার্নহ্যামের ব্যক্তিত্ব ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিই সবচেয়ে কার্যকর হতে পারে।
১৯ ঘণ্টা আগে