
বাহার উদ্দিন বকুল, জেদ্দা থেকে

সৌদি আরবের বন্দর নগরী জেদ্দায় ইন্টারন্যাশনাল এক্সিবিশন অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছে ওয়ার্ল্ড ট্রেড এক্সপো ২০২৫। এতে বাংলাদেশ থেকে ১২টি কোম্পানি অংশগ্রহণ করেছে। তিন দিনের এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেদ্দা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ভাইস চেয়ারম্যান এমাদ মোহাম্মদ আল আবৌদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন ও কমার্শিয়াল কাউন্সেলর সৈয়দা নাহিদা হাবিবা, বিভিন্ন দেশের কুটনৈতিকবৃন্দ, সৌদি ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা। এ ছাড়া, চীনের লিয়ানিং–এর গভর্নর ওয়াং জিয়ানও উপস্থিত ছিলেন।

মেলাটি ২৬ থেকে ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত চলে। প্রতিদিন বেলা ১২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সবার জন্য উম্মুক্ত ছিল মেলা প্রাঙ্গণ।
মেলায় সৌদি আরব, চীন, জর্ডান ও বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ও জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের তত্ত্বাবধানে নিট ওয়্যার, পাট ও ডাইভার্সিফাইড পাটজাত পণ্য , স্পোর্টস ওয়্যার ও হস্তশিল্পসহ প্রভৃতি রপ্তানি সম্ভাবনাময় পণ্য নিয়ে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমাদ মোহাম্মদ আল আবৌদ বলেন, “এই মেলা সৌদি আরব ও বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও দৃঢ় এবং নতুন অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি করবে। আমরা আশা করি, বাংলাদেশের অংশগ্রহণকারীরা এখানে তাদের পণ্য ও সেবা প্রদর্শন করে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের আরও সুযোগ পাবেন।”
কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন বলেন, ওয়ার্ল্ড ট্রেড এক্সপো সৌদি আরবে বাংলাদেশি কোম্পানিগুলো তাদের ব্যবসায়িক সম্ভাবনা প্রদর্শনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে নেটওয়ার্কিং এবং সহযোগিতার সুযোগ পাবে। বাংলাদেশি পণ্যের গুণগত মান ও ব্যবসায়িক কৌশল বিশ্বব্যাপী আগ্রহ সৃষ্টি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কমার্শিয়াল কাউন্সেলর সৈয়দা নাহিদা হাবিবা জানান, বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন কোম্পানি বিভিন্ন ধরনের পণ্য নিয়ে এসেছে। আমরা জানি, সৌদি আরবে বিভিন্ন দেশ থেকে পণ্য আমদানি করা হয়। এই জন্য বাংলাদেশের একটা বড় রপ্তানি বাজার সৌদি আরব। পাশাপাশি আমরা এখানে প্রত্যাশা করছি আগামীতে আরও বেশি বেশি কোম্পানি এই ধরনের মেলায় অংশগ্রহণ করবে এবং সৌদি আরবে বিভিন্ন ক্রেতা বা আমদানিকারক বা যারা বিনিয়োগকারী, তাদের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ আরও বেশি বাড়বে। সামনে আমাদের বাংলাদেশে গ্লোবাল সোর্সিং ফেয়ার হবে ১–৩ ডিসেম্বর। আমরা প্রত্যাশা করছি, সৌদিতে আরবে যারা ইনভেস্টর তাদেরকে ও আমরা আমন্ত্রণ যানাচ্ছি আমাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগে উৎসাহী হয়ার জন্য।

জেদ্দার বিশিষ্ট সামাজিক ব্যক্তিত্ব ওমর ফারুক মনে করেন, ভিশন ২০৩০ সৌদি আরব যে প্রোগ্রামগুলো হাতে নিয়েছে তার মধ্যে বিজনেসকে ডেভেলপ করা তাদের একটা ভিশন। এই ভিশনের আওতায় আমরা যারা বাংলাদেশি প্রায় ৩৫ লাখের মতো লোক এখানে বসবাস করছি এটি আমাদের জন্য একটা সুযোগ। এর মাধ্যমে আমাদের বাংলাদেশের পরিচিতি ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরা, আমাদের বিজনেস ডেভেলপ করা দরকার। যেহেতু দুই দেশই মুসলিম দেশ এবং আমাদের যেই সৌহার্দ আছে তাকে আরও উন্নতি করার জন্য এই ধরনের বিভিন্ন আয়োজনগুলো আমাদেরকে অনেক করবে।

মেলায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ জাতীয় অর্থনীতির জন্য একটি বড় অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং এটি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

সৌদি আরবের বন্দর নগরী জেদ্দায় ইন্টারন্যাশনাল এক্সিবিশন অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছে ওয়ার্ল্ড ট্রেড এক্সপো ২০২৫। এতে বাংলাদেশ থেকে ১২টি কোম্পানি অংশগ্রহণ করেছে। তিন দিনের এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেদ্দা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ভাইস চেয়ারম্যান এমাদ মোহাম্মদ আল আবৌদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন ও কমার্শিয়াল কাউন্সেলর সৈয়দা নাহিদা হাবিবা, বিভিন্ন দেশের কুটনৈতিকবৃন্দ, সৌদি ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা। এ ছাড়া, চীনের লিয়ানিং–এর গভর্নর ওয়াং জিয়ানও উপস্থিত ছিলেন।

মেলাটি ২৬ থেকে ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত চলে। প্রতিদিন বেলা ১২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সবার জন্য উম্মুক্ত ছিল মেলা প্রাঙ্গণ।
মেলায় সৌদি আরব, চীন, জর্ডান ও বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ও জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের তত্ত্বাবধানে নিট ওয়্যার, পাট ও ডাইভার্সিফাইড পাটজাত পণ্য , স্পোর্টস ওয়্যার ও হস্তশিল্পসহ প্রভৃতি রপ্তানি সম্ভাবনাময় পণ্য নিয়ে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমাদ মোহাম্মদ আল আবৌদ বলেন, “এই মেলা সৌদি আরব ও বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও দৃঢ় এবং নতুন অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি করবে। আমরা আশা করি, বাংলাদেশের অংশগ্রহণকারীরা এখানে তাদের পণ্য ও সেবা প্রদর্শন করে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের আরও সুযোগ পাবেন।”
কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন বলেন, ওয়ার্ল্ড ট্রেড এক্সপো সৌদি আরবে বাংলাদেশি কোম্পানিগুলো তাদের ব্যবসায়িক সম্ভাবনা প্রদর্শনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে নেটওয়ার্কিং এবং সহযোগিতার সুযোগ পাবে। বাংলাদেশি পণ্যের গুণগত মান ও ব্যবসায়িক কৌশল বিশ্বব্যাপী আগ্রহ সৃষ্টি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কমার্শিয়াল কাউন্সেলর সৈয়দা নাহিদা হাবিবা জানান, বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন কোম্পানি বিভিন্ন ধরনের পণ্য নিয়ে এসেছে। আমরা জানি, সৌদি আরবে বিভিন্ন দেশ থেকে পণ্য আমদানি করা হয়। এই জন্য বাংলাদেশের একটা বড় রপ্তানি বাজার সৌদি আরব। পাশাপাশি আমরা এখানে প্রত্যাশা করছি আগামীতে আরও বেশি বেশি কোম্পানি এই ধরনের মেলায় অংশগ্রহণ করবে এবং সৌদি আরবে বিভিন্ন ক্রেতা বা আমদানিকারক বা যারা বিনিয়োগকারী, তাদের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ আরও বেশি বাড়বে। সামনে আমাদের বাংলাদেশে গ্লোবাল সোর্সিং ফেয়ার হবে ১–৩ ডিসেম্বর। আমরা প্রত্যাশা করছি, সৌদিতে আরবে যারা ইনভেস্টর তাদেরকে ও আমরা আমন্ত্রণ যানাচ্ছি আমাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগে উৎসাহী হয়ার জন্য।

জেদ্দার বিশিষ্ট সামাজিক ব্যক্তিত্ব ওমর ফারুক মনে করেন, ভিশন ২০৩০ সৌদি আরব যে প্রোগ্রামগুলো হাতে নিয়েছে তার মধ্যে বিজনেসকে ডেভেলপ করা তাদের একটা ভিশন। এই ভিশনের আওতায় আমরা যারা বাংলাদেশি প্রায় ৩৫ লাখের মতো লোক এখানে বসবাস করছি এটি আমাদের জন্য একটা সুযোগ। এর মাধ্যমে আমাদের বাংলাদেশের পরিচিতি ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরা, আমাদের বিজনেস ডেভেলপ করা দরকার। যেহেতু দুই দেশই মুসলিম দেশ এবং আমাদের যেই সৌহার্দ আছে তাকে আরও উন্নতি করার জন্য এই ধরনের বিভিন্ন আয়োজনগুলো আমাদেরকে অনেক করবে।

মেলায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ জাতীয় অর্থনীতির জন্য একটি বড় অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং এটি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
বাংলাদেশের ৫৫তম সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদ্যাপন করেছে কুয়েতে নিয়োজিত বাংলাদেশ দূতাবাস। আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুয়েতের সশস্ত্র বাহিনীর অ্যাসিস্ট্যান্ট চিফ অব স্টাফ ফর অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ম্যানপাওয়ার মেজর জেনারেল ফিরাস আদেল আল-শাহিন।
মেলায় সৌদি আরব, চীন, জর্ডান ও বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ও জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের তত্ত্বাবধানে নিট ওয়্যার, পাট ও ডাইভার্সিফাইড পাটজাত পণ্য , স্পোর্টস ওয়্যার ও হস্তশিল্পসহ প্রভৃতি রপ্তানি সম্ভাবনাময় পণ্য নিয়ে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করছে।
রাষ্ট্রদূত মো. আমানুল হক তার বক্তব্যে বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং তুরস্কের সঙ্গে বাংলাদেশের চলমান দ্বিপক্ষীয় সামরিক গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বিষয়ে বিশদ আলোচনা করেন।
মন্ত্রণালয় জানায়, ট্যাবি সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাকে সম্পূর্ণ ফি বা জরিমানার টাকা আগেই পরিশোধ করবে। এরপর গ্রাহক পূর্বনির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী ট্যাবিকে কিস্তিতে টাকা পরিশোধ করবেন। ট্যাবির ‘আগে নিন, পরে দিন’ মডেল ব্যবহার করে গ্রাহকেরা একবারে পুরো টাকা না দিয়ে কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ পাবেন।

মেলায় সৌদি আরব, চীন, জর্ডান ও বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ও জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের তত্ত্বাবধানে নিট ওয়্যার, পাট ও ডাইভার্সিফাইড পাটজাত পণ্য , স্পোর্টস ওয়্যার ও হস্তশিল্পসহ প্রভৃতি রপ্তানি সম্ভাবনাময় পণ্য নিয়ে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করছে।
১ ঘণ্টা আগে