
বিডিজেন ডেস্ক

প্রবাসে বাংলাদেশি কিছু ব্যক্তির কর্মকাণ্ডের জন্য প্রবাসীদের কষ্টে অর্জিত সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়। এসব ব্যক্তিদের কাছে সাধারণ প্রবাসীরা অসহায় বলা যায়। বিভিন্ন বাংলাদেশি সংগঠনের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে তারা বিদেশেও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। এসব ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ দূতাবাস তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারে না।
কুয়েত বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়ে বেপরোয়া হয়ে ওঠা এবং বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে জড়িত, উচ্ছৃঙ্খল আচরণে অভ্যস্ত ও সাংবাদিক নামধারী এক প্রবাসীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে কুয়েতপ্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিকেরা।
সম্প্রতি কুয়েত সিটির রাজবাড়ী রেস্তোরাঁয় ‘বাংলাদেশ প্রেসক্লাব কুয়েত’ ও ‘সাংবাদিক ইউনিয়ন কুয়েত’–এর উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভায় তাঁকে অবাঞ্ছিত করা হয়।
সভায় কুয়েতের দুই সাংবাদিক সংগঠনসহ কুয়েতপ্রবাসী সকল সংবাদকর্মীদের পক্ষ থেকে সাংবাদিক নামধারী আল-আমিন সরকার নামে এক কুয়েতপ্রবাসীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি ওঠে।
কারণ হিসেবে প্রবাসী সাংবাদিকেরা জানান, আল–আমিন সরকার কুয়েতের বাংলাদেশি কমিউনিটিতে বিচ্ছৃঙ্খলা সৃষ্টি করছেন, যা প্রবাসীদের জন্য সম্পূর্ণ স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড।
সভায় সাংবাদিকে আরও জানান, কিছুদিন আগে বিএনপির কুয়েত শাখার এক অনুষ্ঠানে আল আমিন সরকার আরটিভি নিউজে তাঁতী দলের কুয়েত শাখার সভাপতি হিসেবে তাকে সম্বোধন না করায় বাংলাদেশ প্রেসক্লাব কুয়েতের সহ-সভাপতি ও কুয়েতে আরটিভির প্রতিনিধি জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ ও মারতেও উদ্যত হন।
মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন এই অভিযোগটি লিখিতভাবে পুরো বিষয়টি বাংলাদেশ প্রেসক্লাব কুয়েতকে অবহিত করেছেন।
এর আগেও একাধিকবার জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনকে অপদস্থ ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ রয়েছে আল–আমিন সরকারের বিরুদ্ধে।
এদিকে তাঁতী দলের কুয়েত শাখার সভাপতি হিসেবে পরিচিত আল–আমিন সরকারের কথোপকথনের একটি অডিও রেকর্ড ফাঁস হয়েছে।
৬ সেপ্টেম্বর ভাইরাল হওয়া ওই অডিও রেকর্ডে, কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন ও রাজনৈতিক কাউন্সেলর মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানকে কুয়েত থেকে বিতাড়িত করার ওয়াদা করেন তিনি।
জানা গেছে, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে রেকর্ডটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে বাংলাদেশ দূতাবাসের শীর্ষ পর্যায়ের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমন মন্তব্যে হতবাক হন কুয়েতপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতারা।
ভাইরাল রেকর্ডটিতে আল–আমিন সরকারকে বলতে শোনা যায়, ‘কুয়েতের রাষ্ট্রদূত ও রাজনৈতিক কাউন্সেলর মনিরুজ্জামানকে কুয়েত থেকে বিতাড়িত করব, এটা আমার ওয়াদা। কারণ আমি বলি কম করি বেশি। ইনশাআল্লাহ করে দেখাব।’
জনৈক কাদেরকে উদ্দেশ্য করে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পাঠানো অডিও বার্তাটিতে আল–আমিন সরকারকে দূতাবাসের বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ করতে শোনা যায়। এ সময় তিনি নিজেকে রাজনৈতিক নেতার পাশাপাশি সংবাদকর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে দূতাবাসে সাত থেকে আট বছর যাবৎ আসা-যাওয়া বেশি হওয়ার বিষয়টা টেনে এনে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করতে শোনা যায়।
কুয়েতপ্রবাসী অনেকে বলেন, এ ধরনের হুমকিতে বিব্রত খোদ বিএনপির কুয়েত শাখার নেতারাও।
এ ছাড়া, কুয়েতে এর আগেও একাধিক বাংলাদেশি সংবাদকর্মীর ওপর আল–আমিন সরকারের চড়াও হওয়ার ঘটনা আছে। কমিউনিটির নেতারা এসব ঘটনা পরে মীমাংসা করে দিন।
প্রবাসী সাংবাদিকেরা আরও জানান, সম্প্রতি আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পরই আল–আমিন সরকার নিজের মুখোশ পরিবর্তন করে নিজেকে এনটিভির প্রতিনিধি ও তাঁতী দলের কুয়েত শাখার সভাপতি বলে প্রভাব খাটাতে শুরু করেন।
আল–আমিন সরকারের নেতিবাচক কার্যকলাপে অতিষ্ঠ সাংবাদিকসহ অনেক প্রবাসী। এরই প্রেক্ষিতে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভায় তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার দাবি ওঠে।
সভায কুয়েতপ্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিকেরা সর্বসম্মতিক্রমে আল–আমিন সরকারকে অবাঞ্ছিত করার ঘোষণা দেন।
উল্লেখ্য, কয়েক মাস আগে কুয়েতে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশিকুজ্জামান দূতাবাস কর্তৃক আয়োজিত একাধিক অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে এই আল-আমিন সরকারের নেতিবাচক কর্মকাণ্ড নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন।
সুমন আহমেদ, কুয়েত থেকে

প্রবাসে বাংলাদেশি কিছু ব্যক্তির কর্মকাণ্ডের জন্য প্রবাসীদের কষ্টে অর্জিত সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়। এসব ব্যক্তিদের কাছে সাধারণ প্রবাসীরা অসহায় বলা যায়। বিভিন্ন বাংলাদেশি সংগঠনের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে তারা বিদেশেও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। এসব ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ দূতাবাস তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারে না।
কুয়েত বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়ে বেপরোয়া হয়ে ওঠা এবং বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে জড়িত, উচ্ছৃঙ্খল আচরণে অভ্যস্ত ও সাংবাদিক নামধারী এক প্রবাসীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে কুয়েতপ্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিকেরা।
সম্প্রতি কুয়েত সিটির রাজবাড়ী রেস্তোরাঁয় ‘বাংলাদেশ প্রেসক্লাব কুয়েত’ ও ‘সাংবাদিক ইউনিয়ন কুয়েত’–এর উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভায় তাঁকে অবাঞ্ছিত করা হয়।
সভায় কুয়েতের দুই সাংবাদিক সংগঠনসহ কুয়েতপ্রবাসী সকল সংবাদকর্মীদের পক্ষ থেকে সাংবাদিক নামধারী আল-আমিন সরকার নামে এক কুয়েতপ্রবাসীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি ওঠে।
কারণ হিসেবে প্রবাসী সাংবাদিকেরা জানান, আল–আমিন সরকার কুয়েতের বাংলাদেশি কমিউনিটিতে বিচ্ছৃঙ্খলা সৃষ্টি করছেন, যা প্রবাসীদের জন্য সম্পূর্ণ স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড।
সভায় সাংবাদিকে আরও জানান, কিছুদিন আগে বিএনপির কুয়েত শাখার এক অনুষ্ঠানে আল আমিন সরকার আরটিভি নিউজে তাঁতী দলের কুয়েত শাখার সভাপতি হিসেবে তাকে সম্বোধন না করায় বাংলাদেশ প্রেসক্লাব কুয়েতের সহ-সভাপতি ও কুয়েতে আরটিভির প্রতিনিধি জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ ও মারতেও উদ্যত হন।
মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন এই অভিযোগটি লিখিতভাবে পুরো বিষয়টি বাংলাদেশ প্রেসক্লাব কুয়েতকে অবহিত করেছেন।
এর আগেও একাধিকবার জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনকে অপদস্থ ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ রয়েছে আল–আমিন সরকারের বিরুদ্ধে।
এদিকে তাঁতী দলের কুয়েত শাখার সভাপতি হিসেবে পরিচিত আল–আমিন সরকারের কথোপকথনের একটি অডিও রেকর্ড ফাঁস হয়েছে।
৬ সেপ্টেম্বর ভাইরাল হওয়া ওই অডিও রেকর্ডে, কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন ও রাজনৈতিক কাউন্সেলর মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানকে কুয়েত থেকে বিতাড়িত করার ওয়াদা করেন তিনি।
জানা গেছে, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে রেকর্ডটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে বাংলাদেশ দূতাবাসের শীর্ষ পর্যায়ের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমন মন্তব্যে হতবাক হন কুয়েতপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতারা।
ভাইরাল রেকর্ডটিতে আল–আমিন সরকারকে বলতে শোনা যায়, ‘কুয়েতের রাষ্ট্রদূত ও রাজনৈতিক কাউন্সেলর মনিরুজ্জামানকে কুয়েত থেকে বিতাড়িত করব, এটা আমার ওয়াদা। কারণ আমি বলি কম করি বেশি। ইনশাআল্লাহ করে দেখাব।’
জনৈক কাদেরকে উদ্দেশ্য করে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পাঠানো অডিও বার্তাটিতে আল–আমিন সরকারকে দূতাবাসের বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ করতে শোনা যায়। এ সময় তিনি নিজেকে রাজনৈতিক নেতার পাশাপাশি সংবাদকর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে দূতাবাসে সাত থেকে আট বছর যাবৎ আসা-যাওয়া বেশি হওয়ার বিষয়টা টেনে এনে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করতে শোনা যায়।
কুয়েতপ্রবাসী অনেকে বলেন, এ ধরনের হুমকিতে বিব্রত খোদ বিএনপির কুয়েত শাখার নেতারাও।
এ ছাড়া, কুয়েতে এর আগেও একাধিক বাংলাদেশি সংবাদকর্মীর ওপর আল–আমিন সরকারের চড়াও হওয়ার ঘটনা আছে। কমিউনিটির নেতারা এসব ঘটনা পরে মীমাংসা করে দিন।
প্রবাসী সাংবাদিকেরা আরও জানান, সম্প্রতি আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পরই আল–আমিন সরকার নিজের মুখোশ পরিবর্তন করে নিজেকে এনটিভির প্রতিনিধি ও তাঁতী দলের কুয়েত শাখার সভাপতি বলে প্রভাব খাটাতে শুরু করেন।
আল–আমিন সরকারের নেতিবাচক কার্যকলাপে অতিষ্ঠ সাংবাদিকসহ অনেক প্রবাসী। এরই প্রেক্ষিতে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভায় তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার দাবি ওঠে।
সভায কুয়েতপ্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিকেরা সর্বসম্মতিক্রমে আল–আমিন সরকারকে অবাঞ্ছিত করার ঘোষণা দেন।
উল্লেখ্য, কয়েক মাস আগে কুয়েতে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশিকুজ্জামান দূতাবাস কর্তৃক আয়োজিত একাধিক অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে এই আল-আমিন সরকারের নেতিবাচক কর্মকাণ্ড নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন।
সুমন আহমেদ, কুয়েত থেকে
মালয়েশিয়ার পুলিশ বলছে, লরি চালকের বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল না। লরিটির রোড ট্যাক্সের মেয়াদও পার হয়ে গিয়েছিল। তবে বাংলাদেশি শ্রমিকদের কাজের বৈধ নথিপত্র ছিল। নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ওই পুলিশের কর্মকর্তা।
এক প্রতিবেদনে বার্তা সংস্থা রয়টার্স ওই আঞ্চলিক সরকারি কর্মকর্তার বরাতে জানিয়েছে, এই তালিকায় প্রায় ৫০০ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যও রয়েছে। ওই কর্মকর্তা ‘সন্ত্রাসী’ ও ‘সশস্ত্র দাঙ্গাকারীদের’ এই হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ী করেছেন।
শুক্রবার হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, যেসব দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমার অবাধ্য হবে, তাদের ওপর কঠোর বাণিজ্যিক শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। এবার সেটা বাস্তবায়নও করলেন।
তিন কূটনীতিক রয়টার্সকে জানান, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে কিছু আমেরিকান কর্মীকে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে সরে যেতে বলা হয়েছে।