
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবের দাম্মাম শহরে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রায়হান মিয়া নামে বাংলাদেশি এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
৩০ সেপ্টেম্বর (সোমবার) বিকেলে দাম্মামে এই সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন সন্ধ্যায় তাঁর মৃত্যু হয়।
ওই দিন বিকেলে ডিউটি শেষ করে রায়হান তাঁর আবাসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। এ সময় তাঁর এক বন্ধু ফোন করে ভবনের সিলিন্ডারের গ্যাস লিকেজের কথা জানান। এরপর রায়হান ও তাঁর বন্ধু সিলিন্ডারের গ্যাস লিকেজ বন্ধ করার চেষ্টা করছিলেন। তখন বিস্ফোরণে রায়হান গুরুতর আহত হন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
মৃত রায়হান মিয়া (৩০) কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার পৌর শহরের জগন্নাথপুর এলাকার মো. মতিউর রহমানের ছেলে।
জানা গেছে, জীবিকা নির্বাহের জন্য ৮ বছর আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমান রায়হান মিয়া। দীর্ঘ ৮ বছর ধরে সৌদি আরবে অবস্থান করছিলেন তিনি। গত বছর বাংলাদেশে গিয়ে ছোট বোনকে বিয়ে দিয়ে ছুটি কাটিয়ে আবার দাম্মাম ফিরে আসেন তিনি।

সৌদি আরবের দাম্মাম শহরে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রায়হান মিয়া নামে বাংলাদেশি এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
৩০ সেপ্টেম্বর (সোমবার) বিকেলে দাম্মামে এই সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন সন্ধ্যায় তাঁর মৃত্যু হয়।
ওই দিন বিকেলে ডিউটি শেষ করে রায়হান তাঁর আবাসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। এ সময় তাঁর এক বন্ধু ফোন করে ভবনের সিলিন্ডারের গ্যাস লিকেজের কথা জানান। এরপর রায়হান ও তাঁর বন্ধু সিলিন্ডারের গ্যাস লিকেজ বন্ধ করার চেষ্টা করছিলেন। তখন বিস্ফোরণে রায়হান গুরুতর আহত হন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
মৃত রায়হান মিয়া (৩০) কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার পৌর শহরের জগন্নাথপুর এলাকার মো. মতিউর রহমানের ছেলে।
জানা গেছে, জীবিকা নির্বাহের জন্য ৮ বছর আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমান রায়হান মিয়া। দীর্ঘ ৮ বছর ধরে সৌদি আরবে অবস্থান করছিলেন তিনি। গত বছর বাংলাদেশে গিয়ে ছোট বোনকে বিয়ে দিয়ে ছুটি কাটিয়ে আবার দাম্মাম ফিরে আসেন তিনি।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।
নতুন কর্মসূচিতে বলা হয়েছে, নথিহীন অভিবাসীদের মধ্যে যারা সুনির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে পারবেন, তারা এক বছরের জন্য স্পেনে বসবাস আর কাজের অনুমতির জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন।