

বিডিজেন ডেস্ক

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিলাসবহুল শহর দুবাইতে ৮৬ শতাংশ বেড়েছে বাসা ভাড়া। এর ফলে সেখানে থাকা প্রবাসীদের মধ্যে শারজাহতে থাকার প্রবণতা বেড়েছে।
রিয়েল এস্টেট পরামর্শদাতা সংস্থা জেএলল জানায়, গত চার বছরে দুবাইয়ে বাসা ভাড়া ৮৬ শতাংশ বেড়েছে। এ তুলনায় শারজাহতে বাসা ভাড়া তুলনামূলক কম। দুবাই থেকে প্রবাসীরা চলে আসায় শারজাহতেও নতুন নতুন বাড়িঘর নির্মাণ করা হচ্ছে।
স্থানীয় রিয়েল এস্টেট কোম্পানিগুলো এই ঘাটতি মেটা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শারজাহর আলজাদা এলাকায় বিলাসবহুল ভবন নির্মাণে ৯ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে আরাদা ডেভেলপমেন্টস নামের একটি কোম্পানি।
আরাদা ডেভেলপমেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আহমেদ আলখোসাইবির জানান, আলজাদায় ভবন নির্মাণ কাজ ২০৩০ সালের মধ্যে শেষ হবে।
ব্রিটিশ রিয়াল এস্টেট প্রতিষ্ঠান স্যাভিলস-এর কর্মকর্তা শেন ব্রিন সাম্প্রতিক এক বিবৃতিতে জানান, শারজাহতে এসব ভবনের থাকার খরচ বেশি হলেও দুবাইয়ের চেয়ে কম হবে।
শারজাহতে বছরে ৬০ হাজার দিরহাম খরচ করে এক বেডরুমের একটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট পাওয়া সম্ভব। কিন্তু এই অর্থে দুবাইতে একটি ছোট স্টুডিও পাওয়া সম্ভব না।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিলাসবহুল শহর দুবাইতে ৮৬ শতাংশ বেড়েছে বাসা ভাড়া। এর ফলে সেখানে থাকা প্রবাসীদের মধ্যে শারজাহতে থাকার প্রবণতা বেড়েছে।
রিয়েল এস্টেট পরামর্শদাতা সংস্থা জেএলল জানায়, গত চার বছরে দুবাইয়ে বাসা ভাড়া ৮৬ শতাংশ বেড়েছে। এ তুলনায় শারজাহতে বাসা ভাড়া তুলনামূলক কম। দুবাই থেকে প্রবাসীরা চলে আসায় শারজাহতেও নতুন নতুন বাড়িঘর নির্মাণ করা হচ্ছে।
স্থানীয় রিয়েল এস্টেট কোম্পানিগুলো এই ঘাটতি মেটা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শারজাহর আলজাদা এলাকায় বিলাসবহুল ভবন নির্মাণে ৯ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে আরাদা ডেভেলপমেন্টস নামের একটি কোম্পানি।
আরাদা ডেভেলপমেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আহমেদ আলখোসাইবির জানান, আলজাদায় ভবন নির্মাণ কাজ ২০৩০ সালের মধ্যে শেষ হবে।
ব্রিটিশ রিয়াল এস্টেট প্রতিষ্ঠান স্যাভিলস-এর কর্মকর্তা শেন ব্রিন সাম্প্রতিক এক বিবৃতিতে জানান, শারজাহতে এসব ভবনের থাকার খরচ বেশি হলেও দুবাইয়ের চেয়ে কম হবে।
শারজাহতে বছরে ৬০ হাজার দিরহাম খরচ করে এক বেডরুমের একটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট পাওয়া সম্ভব। কিন্তু এই অর্থে দুবাইতে একটি ছোট স্টুডিও পাওয়া সম্ভব না।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।
নতুন কর্মসূচিতে বলা হয়েছে, নথিহীন অভিবাসীদের মধ্যে যারা সুনির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে পারবেন, তারা এক বছরের জন্য স্পেনে বসবাস আর কাজের অনুমতির জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন।