বিডিজেন ডেস্ক
মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা (MENA) অঞ্চলে বসবাসযোগ্য শহরের তালিকায় টানা দ্বিতীয়বারের মতো শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি।
ইকোনমিস্টের প্রতিষ্ঠান ইকোনমিস্ট ইনটেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) ২০২৪ সালের বার্ষিক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্যসেবা, সংস্কৃতি ও পরিবেশ, শিক্ষা এবং অবকাঠামোর মতো সূচকের আলোকে বিশ্বের ১৭৩টি শহর নিয়ে এই জরিপ করা হয়েছে।
২৬ জুন জরিপটি প্রকাশিত হয়েছে।
ক্রমাগত কম অপরাধের হারের দিক দিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের অন্য তিনটি শহরও বিশ্বের শীর্ষ ১০টি নিরাপদ শহরের তালিকায় স্থান পেয়েছে। শহরগুলো যথাক্রমে আজমান চতুর্থ, শারজাহ পঞ্চম এবং দুবাই সপ্তম স্থান দখল করেছে।
সামগ্রিকভাবে নিরাপত্তার দিক দিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত সবচেয়ে নিরাপদ দেশের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।
গ্লোবাল লাইভবিলিটি ইনডেক্স অনুসারে আবুধাবি ও দুবাই মধ্যপ্রাচ্য এবং আফ্রিকার সবচেয়ে বাসযোগ্য শহর হিসাবে স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষায় তাদের স্কোর উন্নত করেছে। আবুধাবি শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। দুবাই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। তৃতীয় স্থানে আছে কুয়েত নিটি। টতুখ কাতারের দোহা। পঞ্চম বাজরাইনের মানামা।
ইআইইউর জরিপে বিশ্বে বসবাসযোগ্য শহরের তালিকায় এবারও টানা তৃতীয়বারের মতো শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে ইউরোপের দেশ অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা।
ভিয়েনার পরেই ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনের অবস্থান।
তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে সুইজারল্যান্ডের জুরিখ। আগের বছর (২০২৩) তালিকায় জুরিখের অবস্থান ছিল ষষ্ঠ।
আগের বছর তৃতীয় অবস্থানে থাকা অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন শহর এবার এক ধাপ পিছিয়ে চতুর্থ অবস্থানে নেমে গেছে।
আর কানাডার ক্যালগারি শহরের সঙ্গে যৌথভাবে পঞ্চম স্থানে রয়েছে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা।
কানাডার ভ্যাঙ্কুভার ও অস্ট্রেলিয়ার সিডনি যৌথভাবে হয়েছে সপ্তম।
জাপানের ওসাকা ও নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড হয়েছে যৌথভাবে নবম।
অন্যদিকে ২৯২৪ সালে বিশ্বে বসবাসের যোগ্য শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান দুই ধাপা পিছিয়ে ১৬৮ নম্বরে নেমে গেছে। ২০২৩ সালে ঢাকা ছিল ১৬৬তম অবস্থানে।
বসবাসযোগ্য ১৭৩টি শহরের মধ্যে ঢাকার চেয়েও পিছিয়ে রয়েছে আরও ৫টি শহর। এগুলো হচ্ছে সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক, লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলি, আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্স, নাইজেরিয়ার লাগোস ও পাকিস্তানের করাচি।
আরব আমিরাতের বিভিন্ন শহরে অনেক বাংলাদেশির বসবাস। শহরগুলোর কৃতিত্বের ধারা অব্যাহত রাখতে অন্য দেশের নাগরিকদের সঙ্গে সঙ্গে প্রবাসী বাংলাদেশিদেরও সচেতন হওয়া উচিত বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা (MENA) অঞ্চলে বসবাসযোগ্য শহরের তালিকায় টানা দ্বিতীয়বারের মতো শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি।
ইকোনমিস্টের প্রতিষ্ঠান ইকোনমিস্ট ইনটেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) ২০২৪ সালের বার্ষিক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্যসেবা, সংস্কৃতি ও পরিবেশ, শিক্ষা এবং অবকাঠামোর মতো সূচকের আলোকে বিশ্বের ১৭৩টি শহর নিয়ে এই জরিপ করা হয়েছে।
২৬ জুন জরিপটি প্রকাশিত হয়েছে।
ক্রমাগত কম অপরাধের হারের দিক দিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের অন্য তিনটি শহরও বিশ্বের শীর্ষ ১০টি নিরাপদ শহরের তালিকায় স্থান পেয়েছে। শহরগুলো যথাক্রমে আজমান চতুর্থ, শারজাহ পঞ্চম এবং দুবাই সপ্তম স্থান দখল করেছে।
সামগ্রিকভাবে নিরাপত্তার দিক দিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত সবচেয়ে নিরাপদ দেশের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।
গ্লোবাল লাইভবিলিটি ইনডেক্স অনুসারে আবুধাবি ও দুবাই মধ্যপ্রাচ্য এবং আফ্রিকার সবচেয়ে বাসযোগ্য শহর হিসাবে স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষায় তাদের স্কোর উন্নত করেছে। আবুধাবি শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। দুবাই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। তৃতীয় স্থানে আছে কুয়েত নিটি। টতুখ কাতারের দোহা। পঞ্চম বাজরাইনের মানামা।
ইআইইউর জরিপে বিশ্বে বসবাসযোগ্য শহরের তালিকায় এবারও টানা তৃতীয়বারের মতো শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে ইউরোপের দেশ অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা।
ভিয়েনার পরেই ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনের অবস্থান।
তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে সুইজারল্যান্ডের জুরিখ। আগের বছর (২০২৩) তালিকায় জুরিখের অবস্থান ছিল ষষ্ঠ।
আগের বছর তৃতীয় অবস্থানে থাকা অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন শহর এবার এক ধাপ পিছিয়ে চতুর্থ অবস্থানে নেমে গেছে।
আর কানাডার ক্যালগারি শহরের সঙ্গে যৌথভাবে পঞ্চম স্থানে রয়েছে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা।
কানাডার ভ্যাঙ্কুভার ও অস্ট্রেলিয়ার সিডনি যৌথভাবে হয়েছে সপ্তম।
জাপানের ওসাকা ও নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড হয়েছে যৌথভাবে নবম।
অন্যদিকে ২৯২৪ সালে বিশ্বে বসবাসের যোগ্য শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান দুই ধাপা পিছিয়ে ১৬৮ নম্বরে নেমে গেছে। ২০২৩ সালে ঢাকা ছিল ১৬৬তম অবস্থানে।
বসবাসযোগ্য ১৭৩টি শহরের মধ্যে ঢাকার চেয়েও পিছিয়ে রয়েছে আরও ৫টি শহর। এগুলো হচ্ছে সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক, লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলি, আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্স, নাইজেরিয়ার লাগোস ও পাকিস্তানের করাচি।
আরব আমিরাতের বিভিন্ন শহরে অনেক বাংলাদেশির বসবাস। শহরগুলোর কৃতিত্বের ধারা অব্যাহত রাখতে অন্য দেশের নাগরিকদের সঙ্গে সঙ্গে প্রবাসী বাংলাদেশিদেরও সচেতন হওয়া উচিত বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
এই উদ্যোগের পর বিদেশি শিক্ষার্থী, বিনিময় কর্মী ও বিদেশি সাংবাদিকদের জন্য প্রয়োজন হলেও দেশটিতে বাড়তি সময় অবস্থান করা কঠিন হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিস শহরে একটি ক্যাথলিক স্কুলে জানালা দিয়ে বন্দুক হামলা চালিয়েছে এক ব্যক্তি। এতে ৮ ও ১০ বছর বয়সী ২ শিশু নিহত এবং আরও ১৭ জন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মালয়েশিয়ায় বিদেশি শ্রমশক্তির ৩৭ শতাংশ বাংলাদেশি। এ বছরের (২০২৫) জুনের শেষ পর্যন্ত ৮ লাখের বেশি বাংলাদেশি কর্মসংস্থানের অনুমতি (ওয়ার্ক পারমিট) নিয়ে সেখানে কর্মরত ছিলেন।
মালয়েশিয়ায় অধ্যয়নরত ১০ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে কাজের সুযোগ দিতে ‘গ্র্যাজুয়েট পাস’ দেওয়া হবে বলে যে খবর ছড়িয়ে পড়েছে, তা সত্য নয় ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন দেশটির উচ্চশিক্ষাবিষয়কমন্ত্রী জাম্ব্রি আবদ কাদির।