
বিডিজেন ডেস্ক

ওমানে গতবছরের চেয়ে এবার বৈদ্যুতিক যানের সংখ্যা ৩০০ শতাংশ বেড়েছে। ২০২৩ সালে দেশটিতে বৈদ্যুতিক যানের সংখ্যা ছিল ৫৫০টি। এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৫০০টিতে।
এ তথ্য জানিয়েছেন ওমানের পরিবহন, যোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা খামিস বিন মোহাম্মেদ আল শামাখি।
তিনি জানান, এই উত্থান কার্বন নিঃসরণ কমাতে ওমানের প্রতিশ্রুতির একটি অংশ। ওমানের ভিশন ২০৫০ অনুযায়ী, দেশটি একটি টেকসই পরিবহন ব্যবস্থার মাধ্যমে কার্বন নিঃসরণ কমাতে চায়। এ জন্য ওমান সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে। বৈদুতিক যান চার্জের জন্য ২০২৩ সালে ওমানে ১২০টিরও বেশি ইভি চার্জিং স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে। এই বছরের শেষ নাগাদ সব মিলিয়ে ২০০টির বেশি ইভি চার্জিং স্থাপন করার কথা রয়েছে ওমান সরকারের। আর ২০২৭ সালের মধ্যে ওমানজুড়ে ৩৫০টি ইভি চার্জিং স্টেশন তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।
কার্বন নিঃসরণ কমাতে ওমান শুধু বৈদ্যুতিক যান বাড়ানোতেই জোর দিচ্ছে না। দেশটির মন্ত্রণালয় বৈদ্যুতিক যানের জন্য অবকাঠামো উন্নত করতে বেসরকারি খাতকেও সহযোগিতা করছে। চার্জিং স্টেশন স্থাপন ছাড়াও, বন্দরের সরঞ্জামগুললোকে বৈদ্যুতিক শক্তি দিয়ে পরিচালনা এবং বিমানবন্দরগুলোকে পরিবেশ বান্ধব অপারেশনে রূপান্তরিত করার পরিকল্পনা রয়েছে ওমান সরকারের ৷ এছাড়া উড়োজাহাজের জন্য টেকসই জ্বালানি উৎপাদনের উদ্যোগও চলছে।

ওমানে গতবছরের চেয়ে এবার বৈদ্যুতিক যানের সংখ্যা ৩০০ শতাংশ বেড়েছে। ২০২৩ সালে দেশটিতে বৈদ্যুতিক যানের সংখ্যা ছিল ৫৫০টি। এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৫০০টিতে।
এ তথ্য জানিয়েছেন ওমানের পরিবহন, যোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা খামিস বিন মোহাম্মেদ আল শামাখি।
তিনি জানান, এই উত্থান কার্বন নিঃসরণ কমাতে ওমানের প্রতিশ্রুতির একটি অংশ। ওমানের ভিশন ২০৫০ অনুযায়ী, দেশটি একটি টেকসই পরিবহন ব্যবস্থার মাধ্যমে কার্বন নিঃসরণ কমাতে চায়। এ জন্য ওমান সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে। বৈদুতিক যান চার্জের জন্য ২০২৩ সালে ওমানে ১২০টিরও বেশি ইভি চার্জিং স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে। এই বছরের শেষ নাগাদ সব মিলিয়ে ২০০টির বেশি ইভি চার্জিং স্থাপন করার কথা রয়েছে ওমান সরকারের। আর ২০২৭ সালের মধ্যে ওমানজুড়ে ৩৫০টি ইভি চার্জিং স্টেশন তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।
কার্বন নিঃসরণ কমাতে ওমান শুধু বৈদ্যুতিক যান বাড়ানোতেই জোর দিচ্ছে না। দেশটির মন্ত্রণালয় বৈদ্যুতিক যানের জন্য অবকাঠামো উন্নত করতে বেসরকারি খাতকেও সহযোগিতা করছে। চার্জিং স্টেশন স্থাপন ছাড়াও, বন্দরের সরঞ্জামগুললোকে বৈদ্যুতিক শক্তি দিয়ে পরিচালনা এবং বিমানবন্দরগুলোকে পরিবেশ বান্ধব অপারেশনে রূপান্তরিত করার পরিকল্পনা রয়েছে ওমান সরকারের ৷ এছাড়া উড়োজাহাজের জন্য টেকসই জ্বালানি উৎপাদনের উদ্যোগও চলছে।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।
নতুন কর্মসূচিতে বলা হয়েছে, নথিহীন অভিবাসীদের মধ্যে যারা সুনির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে পারবেন, তারা এক বছরের জন্য স্পেনে বসবাস আর কাজের অনুমতির জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
সোমবার আনুমানিক দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশনের কনস্যুলার সেবা এলাকায় অসুস্থ ওই প্রবাসী মারা যান।