
বিডিজেন ডেস্ক

আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৪-এ অংশ নিতে বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সংযুক্ত আরব আমিরাতে পৌঁছেছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। এর আগে ঢাকা থেকে সকালে আরব আমিরাতের উদ্দেশে রওনা দেয় তারা।
এবারের আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ঘরের মাঠেই খেলার কথা ছিল বাংলাদেশে নারী ক্রিকেট দলের। কিন্তু দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং অস্থিরতার কারণে বিশ্বকাপের আসর সরিয়ে নিয়েছে আইসিসি। ফলে বাংলাদেশের বদলে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো ৩ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত দুবাই এবং শারজাহে অনুষ্ঠিত হবে।
৩ অক্টোবর বাংলাদেশের ম্যাচ দিয়েই পর্দা উঠবে এবারের আসরের। ওই দিন শারজায় উদ্বোধনী ম্যাচে স্কটল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।
১০টি দেশ বিশ্বকাপে খেলবে। বাংলাদেশ ‘বি’ গ্রুপে খেলবে। এই গ্রুপের অন্য দল ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও স্কটল্যান্ড।
‘এ’ গ্রুপে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, ভারত, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা।
গ্রুপ পর্বে প্রতিটি দল ৪টি করে ম্যাচ খেলবে। ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত হবে গ্রুপ পর্বের ম্যাচ। গ্রুপ পর্বের শীর্ষ দুই দল খেলবে সেমিফাইনালে। প্রথম সেমিফাইনাল হবে দুবাইয়ে ১৭ অক্টোবর এবং শারজায় দ্বিতীয় সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৮ অক্টোবর।
২০১৪ সালে বিশ্বকাপে প্রথম অংশ নেয় বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। এর পরে আরও কয়েকটি আসরে অংশ নিলেও বিশ্ব আসরে দেখা পায়নি জয়ের মুখ। এবার সেই আক্ষেপ মেটাতে চান অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। মঙ্গলবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে এমন লক্ষ্যের কথা জানিয়েছেন তিনি।
এর আগে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৪–এর জন্য চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করে। দলে নতুন মুখ দিশা বিশ্বাস।
আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাংলাদেশের স্কোয়াড: নিগার সুলতানা জ্যোতি (অধিনায়ক), নাহিদা আক্তার, মুরশিদা খাতুন, স্বর্ণা আক্তার, রিতু মনি, শোভনা মোস্তারি, রাবেয়া খান, সুলতানা খাতুন, ফাহিমা খাতুন, মারুফা আক্তার, জাহানারা আলম, দিলারা আক্তার, তাজ নেহার, সাথী রানি ও দিশা বিশ্বাস।

আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৪-এ অংশ নিতে বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সংযুক্ত আরব আমিরাতে পৌঁছেছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। এর আগে ঢাকা থেকে সকালে আরব আমিরাতের উদ্দেশে রওনা দেয় তারা।
এবারের আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ঘরের মাঠেই খেলার কথা ছিল বাংলাদেশে নারী ক্রিকেট দলের। কিন্তু দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং অস্থিরতার কারণে বিশ্বকাপের আসর সরিয়ে নিয়েছে আইসিসি। ফলে বাংলাদেশের বদলে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো ৩ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত দুবাই এবং শারজাহে অনুষ্ঠিত হবে।
৩ অক্টোবর বাংলাদেশের ম্যাচ দিয়েই পর্দা উঠবে এবারের আসরের। ওই দিন শারজায় উদ্বোধনী ম্যাচে স্কটল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।
১০টি দেশ বিশ্বকাপে খেলবে। বাংলাদেশ ‘বি’ গ্রুপে খেলবে। এই গ্রুপের অন্য দল ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও স্কটল্যান্ড।
‘এ’ গ্রুপে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, ভারত, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা।
গ্রুপ পর্বে প্রতিটি দল ৪টি করে ম্যাচ খেলবে। ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত হবে গ্রুপ পর্বের ম্যাচ। গ্রুপ পর্বের শীর্ষ দুই দল খেলবে সেমিফাইনালে। প্রথম সেমিফাইনাল হবে দুবাইয়ে ১৭ অক্টোবর এবং শারজায় দ্বিতীয় সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৮ অক্টোবর।
২০১৪ সালে বিশ্বকাপে প্রথম অংশ নেয় বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। এর পরে আরও কয়েকটি আসরে অংশ নিলেও বিশ্ব আসরে দেখা পায়নি জয়ের মুখ। এবার সেই আক্ষেপ মেটাতে চান অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। মঙ্গলবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে এমন লক্ষ্যের কথা জানিয়েছেন তিনি।
এর আগে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৪–এর জন্য চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করে। দলে নতুন মুখ দিশা বিশ্বাস।
আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাংলাদেশের স্কোয়াড: নিগার সুলতানা জ্যোতি (অধিনায়ক), নাহিদা আক্তার, মুরশিদা খাতুন, স্বর্ণা আক্তার, রিতু মনি, শোভনা মোস্তারি, রাবেয়া খান, সুলতানা খাতুন, ফাহিমা খাতুন, মারুফা আক্তার, জাহানারা আলম, দিলারা আক্তার, তাজ নেহার, সাথী রানি ও দিশা বিশ্বাস।
যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গতকাল মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এক বিবৃতিতে বলেছে, শিক্ষার্থী ভিসায় আসা শিক্ষার্থীদের আশ্রয় প্রার্থনার সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় প্রথমবারের মতো জরুরিভিত্তিতে ৪ দেশের নাগরিকদের ভিসা দেওয়া বন্ধ করতে হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাবের হাসপাতালে আহতদের পরিদর্শনকালে কুয়েত টেলিভিশনের সাথে কথা বলার সময় তিনি ভয় ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়া রোধ করার জন্য সমস্ত নাগরিক ও বাসিন্দাদের ঘটনার ভিডিও ধারণ করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে বা শিগগিরই মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে—এমন সব ধরনের এন্ট্রি ভিসার মেয়াদ এক মাসের জন্য বাড়ানো হয়েছে। পরিস্থিতির উন্নয়নের ওপর নির্ভর করে প্রয়োজনে এই সময়সীমা আরও বাড়ানো হতে পারে।