
বিডিজেন ডেস্ক

হজ ও ওমরাহ ভিসায় অনেক পাকিস্তানি সৌদি আরবে ভিক্ষা করতে যান। এ নিয়ে পাকিস্তানকে সতর্ক করল রিয়াদ। গতকাল মঙ্গলবার পাকিস্তানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
সতর্কবার্তায় সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে তা পাকিস্তানি ওমরাহ ও হজযাত্রীদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি হজ মন্ত্রণালয় পাকিস্তানের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে একটি সতর্কবার্তা দিয়েছে। সেখানে ওমরাহ ভিসায় পাকিস্তানি ভিক্ষুকদের সৌদি যেতে বাধা দেওয়ার জন্য ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ওমরাহ ভিসা নিয়ে সৌদিতে যাওয়া ভিক্ষুক ঠেকাতে পাকিস্তানের ধর্ম মন্ত্রণালয় এরইমধ্যে ওমরাহ অ্যাক্ট নামের একটি আইন প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
গত মে মাসে সৌদি সরকার অনুমতি ছাড়া হজ নিষিদ্ধ করার ফতোয়া জারি করে। এটি লঙ্ঘনকারীদের জন্য ১০ হাজার রিয়াল জরিমানা এবং দেশে ফেরত পাঠানোর শাস্তি নির্ধারণ করা হয়।
সৌদি সরকারের তথ্য অনুযায়ী, তাদের দেশে গ্রেপ্তার হওয়া ভিক্ষুকদের ৯০ শতাংশই পাকিস্তানি।

হজ ও ওমরাহ ভিসায় অনেক পাকিস্তানি সৌদি আরবে ভিক্ষা করতে যান। এ নিয়ে পাকিস্তানকে সতর্ক করল রিয়াদ। গতকাল মঙ্গলবার পাকিস্তানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
সতর্কবার্তায় সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে তা পাকিস্তানি ওমরাহ ও হজযাত্রীদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি হজ মন্ত্রণালয় পাকিস্তানের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে একটি সতর্কবার্তা দিয়েছে। সেখানে ওমরাহ ভিসায় পাকিস্তানি ভিক্ষুকদের সৌদি যেতে বাধা দেওয়ার জন্য ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ওমরাহ ভিসা নিয়ে সৌদিতে যাওয়া ভিক্ষুক ঠেকাতে পাকিস্তানের ধর্ম মন্ত্রণালয় এরইমধ্যে ওমরাহ অ্যাক্ট নামের একটি আইন প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
গত মে মাসে সৌদি সরকার অনুমতি ছাড়া হজ নিষিদ্ধ করার ফতোয়া জারি করে। এটি লঙ্ঘনকারীদের জন্য ১০ হাজার রিয়াল জরিমানা এবং দেশে ফেরত পাঠানোর শাস্তি নির্ধারণ করা হয়।
সৌদি সরকারের তথ্য অনুযায়ী, তাদের দেশে গ্রেপ্তার হওয়া ভিক্ষুকদের ৯০ শতাংশই পাকিস্তানি।
রয়টার্সের বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৩ জুন থেকে ৬ জুলাইয়ের মধ্যে ট্রাম্প তার প্রকাশ্য বক্তব্যে ৮১ বার ‘কমিউনিজম’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন।
দলটির সমালোচকদের অভিযোগ, এএফডি বর্ণবাদী নীতি ও মনোভাবকে উৎসাহিত করে, যা জার্মানির গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং দেশের সাংবিধানিক ব্যবস্থার জন্য হুমকি হতে পারে।
সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, শহরের কেন্দ্রস্থল শেভচেঙ্কো বুলেভার্ডের একটি ভবনের ওপরের অংশে নিয়ন্ত্রণহীন আগুন জ্বলছে। অন্যদিকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ভবনের জানালা উড়ে গেছে এবং বহু গাড়ি ধ্বংস হয়েছে।