
প্রতিবেদক, বিডিজেন

ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ২০২৬–কে 'কালো অধ্যাদেশ' হিসেবে উল্লেখ করে তা বাতিলের দাবি জানিয়েছে আটাব সদস্য কল্যাণ ঐক্যজোট।
রোববার (৪ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানায় আটাব সদস্য কল্যাণ ঐক্যজোট।
সংবাদ সম্মেলনে অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশের (আটাব) সাবেক সভাপতি মনজুর মোর্শেদ মাহবুব জানান, নতুন অধ্যাদেশের একাধিক ধারা ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসার স্বার্থের পরিপন্থী। এই অধ্যাদেশ কার্যকর হলে দেশে প্রায় ৫ হাজার ট্রাভেল এজেন্সি বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কারণ নতুন অধ্যাদেশে ধারা ১১-এর উপধারা ১ অনুযায়ী শাস্তির বিধান ৬ মাসের কারাদণ্ডের পরিবর্তে ১ বছর এবং জরিমানা ৩ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ লাখ টাকা করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
মনজুর মোর্শেদ মাহবুব বলেন, গত ১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ–২০২৬–এর গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। এতে সংযোজিত বেশ কয়েকটি ধারা, উপধারা ও দফা ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসাকে কার্যত অচল করে দেবে।
২০১৩ সালের ৬১ নম্বর আইনের ধারা ৪-এর উপধারা (খ)–এর দফা (ঙ) অনুযায়ী হলফনামায় অন্য কোনো ট্রাভেল এজেন্সি থেকে টিকিট ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে না, এমন বিধান রাখা হয়েছে। এতে বলা হয়, বাংলাদেশে প্রায় ৫ হাজার ৮০০ নিবন্ধিত ট্রাভেল এজেন্সির মধ্যে মাত্র ৮০০টি আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থার (আয়াটা) সদস্য। বাকি প্রায় ৫ হাজার এজেন্সির নিজস্বভাবে এয়ারলাইনস টিকিট ইস্যুর সক্ষমতা নেই। অন্য এজেন্সি থেকে টিকিট কিনতে না পারলে তারা যাত্রীসেবা দিতে পারবে না এবং লাইসেন্স নবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় বার্ষিক ৫০ লাখ টাকার বিক্রয় বিবরণীও দেখাতে পারবে না। ফলে এসব এজেন্সি বন্ধ হয়ে যেতে বাধ্য হবে।
এ সময় আটাব সদস্য কল্যাণ ঐক্যজোটের আহ্বায়ক মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন টিপু বলেন, অধ্যাদেশের ধারা ৪-এর উপধারা (গ)–এর দফা (ছ)-এ অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সির জন্য ১০ লাখ টাকা ব্যাংক গ্যারান্টির বিধান রাখা হয়েছে। আর্থিক সামর্থ্যের অভাবে প্রায় ৫ হাজার ট্রাভেল এজেন্সি আয়াটার সদস্য হতে পারেনি। তাদের পক্ষে কোনোভাবেই ১০ লাখ টাকা জামানত প্রদান করা সম্ভব নয়।
অধ্যাদেশের ধারা ৯-এর উপধারা (আ)-এর নতুন দফা ৩ অনুযায়ী শুনানি ছাড়াই সরকার সাময়িকভাবে নিবন্ধন সনদ স্থগিত করতে পারবে। এতে বলা হয়, শুনানি ব্যতীত লাইসেন্স স্থগিতের সুযোগ রাখা হলে ট্রাভেল এজেন্সিগুলো হয়রানির শিকার এবং আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানানো হয়।

ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ২০২৬–কে 'কালো অধ্যাদেশ' হিসেবে উল্লেখ করে তা বাতিলের দাবি জানিয়েছে আটাব সদস্য কল্যাণ ঐক্যজোট।
রোববার (৪ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানায় আটাব সদস্য কল্যাণ ঐক্যজোট।
সংবাদ সম্মেলনে অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশের (আটাব) সাবেক সভাপতি মনজুর মোর্শেদ মাহবুব জানান, নতুন অধ্যাদেশের একাধিক ধারা ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসার স্বার্থের পরিপন্থী। এই অধ্যাদেশ কার্যকর হলে দেশে প্রায় ৫ হাজার ট্রাভেল এজেন্সি বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কারণ নতুন অধ্যাদেশে ধারা ১১-এর উপধারা ১ অনুযায়ী শাস্তির বিধান ৬ মাসের কারাদণ্ডের পরিবর্তে ১ বছর এবং জরিমানা ৩ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ লাখ টাকা করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
মনজুর মোর্শেদ মাহবুব বলেন, গত ১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ–২০২৬–এর গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। এতে সংযোজিত বেশ কয়েকটি ধারা, উপধারা ও দফা ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসাকে কার্যত অচল করে দেবে।
২০১৩ সালের ৬১ নম্বর আইনের ধারা ৪-এর উপধারা (খ)–এর দফা (ঙ) অনুযায়ী হলফনামায় অন্য কোনো ট্রাভেল এজেন্সি থেকে টিকিট ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে না, এমন বিধান রাখা হয়েছে। এতে বলা হয়, বাংলাদেশে প্রায় ৫ হাজার ৮০০ নিবন্ধিত ট্রাভেল এজেন্সির মধ্যে মাত্র ৮০০টি আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থার (আয়াটা) সদস্য। বাকি প্রায় ৫ হাজার এজেন্সির নিজস্বভাবে এয়ারলাইনস টিকিট ইস্যুর সক্ষমতা নেই। অন্য এজেন্সি থেকে টিকিট কিনতে না পারলে তারা যাত্রীসেবা দিতে পারবে না এবং লাইসেন্স নবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় বার্ষিক ৫০ লাখ টাকার বিক্রয় বিবরণীও দেখাতে পারবে না। ফলে এসব এজেন্সি বন্ধ হয়ে যেতে বাধ্য হবে।
এ সময় আটাব সদস্য কল্যাণ ঐক্যজোটের আহ্বায়ক মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন টিপু বলেন, অধ্যাদেশের ধারা ৪-এর উপধারা (গ)–এর দফা (ছ)-এ অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সির জন্য ১০ লাখ টাকা ব্যাংক গ্যারান্টির বিধান রাখা হয়েছে। আর্থিক সামর্থ্যের অভাবে প্রায় ৫ হাজার ট্রাভেল এজেন্সি আয়াটার সদস্য হতে পারেনি। তাদের পক্ষে কোনোভাবেই ১০ লাখ টাকা জামানত প্রদান করা সম্ভব নয়।
অধ্যাদেশের ধারা ৯-এর উপধারা (আ)-এর নতুন দফা ৩ অনুযায়ী শুনানি ছাড়াই সরকার সাময়িকভাবে নিবন্ধন সনদ স্থগিত করতে পারবে। এতে বলা হয়, শুনানি ব্যতীত লাইসেন্স স্থগিতের সুযোগ রাখা হলে ট্রাভেল এজেন্সিগুলো হয়রানির শিকার এবং আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানানো হয়।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”
মানুষের জীবন যেমন প্রেম ভালোবাসায় পূর্ণ থাকে, ঠিক তেমনি থাকে সম্পর্কের টানাপোড়েন। অধিকাংশ মানুষ শেষ বয়সে জীবন একাকীত্বর জীবনে পরিণত হয়ে যায়।