
বিডিজেন ডেস্ক

অরবিস ইন্টারন্যাশনালের প্রেসিডেন্ট এবং সিইও ক্যাথলিন শেরউইন গতকাল সোমবার (২০ এপ্রিল) পিকেএসএফের কার্যালয় পরিদর্শন করেছেন। এর আগে তিনি পিকেএসএফ ও অরবিস ইন্টারন্যাশনালের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ‘কমপ্রেহেনসিভ ক্যাটার্যাক্ট সার্ভিস ফর পিপল লিভিং ইন পোভার্টি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
পিকেএসএফের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পিকেএসএফ কার্যালয়ে ক্যাথলিন শেরউইনকে স্বাগত জানান প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের।
পরে পিকেএসএফ কার্যালয়ে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময়ে স্বাগত বক্তব্যে মো. ফজলুল কাদের পিকেএসএফের কৌশলগত পরিকল্পনা ২০২৫-২০৩০–এর ওপর আলোকপাত করেন। তিনি পিকেএসএফ ও অরবিস ইন্টারন্যাশনালের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ছানি অপারেশনকে একটি মানবিক কার্যক্রম হিসেবে অবহিত করেন। ভবিষ্যতে পিকেএসএফ এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম বাস্তবায়নে দেশব্যাপী তার সহযোগী সংস্থার বিস্তৃত নেটওয়ার্ক ব্যবহার করবে।

অরবিস ইন্টারন্যাশনাল, বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. মুনির আহমেদ ছানি অপারেশন কার্যক্রমে স্থানীয় পর্যায়ের জনগণের মাঝে চক্ষু পরিচর্যার সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানান। এর জন্য তিনি পিকেএসএফ ও এর সহযোগী সংস্থাসমুহের প্রশংসা করেন।
ক্যাথলিন শেরউইন তার বক্তব্যে পিকেএসএফ ও এর সহযোগী সংস্থাসমূহের কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। তিনি ভবিষ্যতে চোখের স্বাস্থ্যের গুরুত্ব বিবেচনায় জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ ও সেবাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর মাঝে এই সেবা আরও বিস্তৃত করা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি দারিদ্র্য বিমোচনে পিকেএসএফের সাথে আইপ্লাস টেকসই উন্নয়নমূলক কাজ চালিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
জাকির আহমেদ খান বলেন, দারিদ্র্য শুধু অর্থনৈতিক মানদণ্ডে বিচার করলে হবে না, দারিদ্র্য একটি বহুমাত্রিক বিষয়। তাই দারিদ্র্য হ্রাসকল্পে সমন্বিত প্রচেষ্টা চালাতে হবে যেখানে অরবিস ইন্টারন্যাশনাল পিকেএসএফের সহযোগী হতে পারে। তিনি অরবিস ইন্টারন্যাশনালের বৃহৎ দারিদ্র্য হ্রাসকরণে আইপ্লাস কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থাকার আগ্রহ ব্যক্ত করেন। এ ছাড়াও পিকেএসএফ দেশের উন্নয়নে যেকোনো সেবা কার্যক্রম বাস্তবায়নে অরবিস ইন্টারন্যাশনালের মতো সংস্থাগুলোর সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করবে বলে জানান।

উল্লেখ্য, পিকেএসএফ ও অরবিস ইন্টারন্যাশনালের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ‘কমপ্রেহেনসিভ ক্যাটারাক্ট সার্ভিস ফর পিপল লিভিং ইন পোভার্টি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় বিগত ছয় মাসে ২৭ হাজার ৮০০ জন দরিদ্র ব্যক্তি ছানি অপারেশনের মাধ্যমে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেয়েছেন। এ সময় প্রায় ২ লাখ জনের প্রাথমিক চক্ষু পরীক্ষা করা হয়েছে। দেশের ৫৯টি জেলায় পিকেএসএফের ১১৫টি সহযোগী সংস্থা (এনজিও) এবং অরবিস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের ৩০টি অংশীদার হাসপাতালের মাধ্যমে এই কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে।
পরিদর্শন ও মতবিনিময়কালে পিকেএসএফ ও অরবিস ইন্টারন্যাশনালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অরবিস ইন্টারন্যাশনালের প্রেসিডেন্ট এবং সিইও ক্যাথলিন শেরউইন গতকাল সোমবার (২০ এপ্রিল) পিকেএসএফের কার্যালয় পরিদর্শন করেছেন। এর আগে তিনি পিকেএসএফ ও অরবিস ইন্টারন্যাশনালের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ‘কমপ্রেহেনসিভ ক্যাটার্যাক্ট সার্ভিস ফর পিপল লিভিং ইন পোভার্টি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
পিকেএসএফের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পিকেএসএফ কার্যালয়ে ক্যাথলিন শেরউইনকে স্বাগত জানান প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের।
পরে পিকেএসএফ কার্যালয়ে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময়ে স্বাগত বক্তব্যে মো. ফজলুল কাদের পিকেএসএফের কৌশলগত পরিকল্পনা ২০২৫-২০৩০–এর ওপর আলোকপাত করেন। তিনি পিকেএসএফ ও অরবিস ইন্টারন্যাশনালের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ছানি অপারেশনকে একটি মানবিক কার্যক্রম হিসেবে অবহিত করেন। ভবিষ্যতে পিকেএসএফ এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম বাস্তবায়নে দেশব্যাপী তার সহযোগী সংস্থার বিস্তৃত নেটওয়ার্ক ব্যবহার করবে।

অরবিস ইন্টারন্যাশনাল, বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. মুনির আহমেদ ছানি অপারেশন কার্যক্রমে স্থানীয় পর্যায়ের জনগণের মাঝে চক্ষু পরিচর্যার সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানান। এর জন্য তিনি পিকেএসএফ ও এর সহযোগী সংস্থাসমুহের প্রশংসা করেন।
ক্যাথলিন শেরউইন তার বক্তব্যে পিকেএসএফ ও এর সহযোগী সংস্থাসমূহের কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। তিনি ভবিষ্যতে চোখের স্বাস্থ্যের গুরুত্ব বিবেচনায় জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ ও সেবাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর মাঝে এই সেবা আরও বিস্তৃত করা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি দারিদ্র্য বিমোচনে পিকেএসএফের সাথে আইপ্লাস টেকসই উন্নয়নমূলক কাজ চালিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
জাকির আহমেদ খান বলেন, দারিদ্র্য শুধু অর্থনৈতিক মানদণ্ডে বিচার করলে হবে না, দারিদ্র্য একটি বহুমাত্রিক বিষয়। তাই দারিদ্র্য হ্রাসকল্পে সমন্বিত প্রচেষ্টা চালাতে হবে যেখানে অরবিস ইন্টারন্যাশনাল পিকেএসএফের সহযোগী হতে পারে। তিনি অরবিস ইন্টারন্যাশনালের বৃহৎ দারিদ্র্য হ্রাসকরণে আইপ্লাস কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থাকার আগ্রহ ব্যক্ত করেন। এ ছাড়াও পিকেএসএফ দেশের উন্নয়নে যেকোনো সেবা কার্যক্রম বাস্তবায়নে অরবিস ইন্টারন্যাশনালের মতো সংস্থাগুলোর সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করবে বলে জানান।

উল্লেখ্য, পিকেএসএফ ও অরবিস ইন্টারন্যাশনালের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ‘কমপ্রেহেনসিভ ক্যাটারাক্ট সার্ভিস ফর পিপল লিভিং ইন পোভার্টি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় বিগত ছয় মাসে ২৭ হাজার ৮০০ জন দরিদ্র ব্যক্তি ছানি অপারেশনের মাধ্যমে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেয়েছেন। এ সময় প্রায় ২ লাখ জনের প্রাথমিক চক্ষু পরীক্ষা করা হয়েছে। দেশের ৫৯টি জেলায় পিকেএসএফের ১১৫টি সহযোগী সংস্থা (এনজিও) এবং অরবিস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের ৩০টি অংশীদার হাসপাতালের মাধ্যমে এই কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে।
পরিদর্শন ও মতবিনিময়কালে পিকেএসএফ ও অরবিস ইন্টারন্যাশনালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পিকেএসএফ ও অরবিস ইন্টারন্যাশনালের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ‘কমপ্রেহেনসিভ ক্যাটারাক্ট সার্ভিস ফর পিপল লিভিং ইন পোভার্টি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় বিগত ছয় মাসে ২৭ হাজার ৮০০ জন দরিদ্র ব্যক্তি ছানি অপারেশনের মাধ্যমে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেয়েছেন।
বৈঠকের একপর্যায়ে রাষ্ট্রদূত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানান। মন্ত্রী এ আমন্ত্রণের জন্য রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানিয়ে জুলাই মাসের প্রথমার্ধে সৌদি আরব সফর করতে পারেন বলে উল্লেখ করেন।
নুরুল হক বলেন, “বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বন্ধ এবং সংকুচিত শ্রমবাজার মালয়েশিয়া, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনে কর্মীর প্রেরণের লক্ষ্যে দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।”
পিকেএসএফের বিভিন্ন কার্যক্রমের ফলে সৃষ্ট কর্মসংস্থানের গুণগতমান সম্পর্কে অধিকতর ধারণা লাভের জন্য পিকেএসএফ এবং সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।