
বিডিজেন ডেস্ক

শমসের মবিন চৌধুরী বীর বিক্রম ও তাঁর স্ত্রী বুধবার (১৬ অক্টোবর) বিদেশ যাওয়ার সময় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাধা দেওয়া হয়েছে। তাদের যেতে দেওয়া হয়নি। পরে বিমানবন্দর থেকে তাঁদের ফেরত পাঠানো হয়েছে।
শমসের মবিন চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য তাঁরা থাইল্যান্ডে যেতে চেয়েছিলেন। দুপুরে থাই এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তাদের থাইল্যান্ড যাওয়ার কথা ছিল।
সাবেক সেনাকর্মকর্তা শমসের মবিন চৌধুরী ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য বীর বিক্রম খেতাব পান। ২০০১ সালের ২৪ অক্টোবর থেকে ২০০৫ সালের ১৭ মার্চ পর্যন্ত তিনি পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি বিএনপিতে যোগ দেন।
শমসের মবিন চৌধুরী বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। ২০১৫ সালে তিনি বিএনপি থেকে পদত্যাগ করেন। পরে ২০১৮ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিকল্পধারা বাংলাদেশে যোগ দেন। সবশেষ এ বছর ৭ জানুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের আগে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে তৃণমূল বিএনপির চেয়ারপারসন হন তিনি। তৃণমূল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত নাজমুল হুদা। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তৃণমূল বিএনপিকে নিবন্ধন দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।
মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার কারণে বিমানবন্দরে গিয়ে ভিআইপি টার্মিনালে বসেছিলেন জানিয়ে শমসের মবিন চৌধুরী বলেন, সেখানে বসার পর তাঁদের দুজনকে পাসপোর্টের ফটোকপি দিতে বলা হয়। ফটোকপি দেওয়ার পর আর কারও হদিস পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে ইমিগ্রেশন অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, একটি গোয়েন্দা সংস্থা থেকে ছাড়পত্র পাওয়া গেলেও আরেকটি গোয়েন্দা সংস্থা থেকে পাওয়া যায়নি। এরপর তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের এক উপদেষ্টাকে কল করলে তিনি এই বিষয় দেখেন না জানিয়ে বিষয়টি নিয়ে স্বরাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে কথা বলতে বলেন। পরে স্বরাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিদেশ যেতে কোনো বাধা নেই বলে জানান। এরপর ইমিগ্রেশন অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা কোনো নির্দেশনা পাননি বলে জানান।
বিদেশ যেতে যাতে বাধা না দেওয়া হয়, এ জন্য ২০১০ সালে আদালত থেকে একটি আদেশ আছে জানিয়ে শমসের মবিন চৌধুরী বলেন, এরপরও তাঁকে বাধা দেওয়া হয়েছে। এটি আদালত অবমাননা। আদালতের আদেশের কপি তিনি স্বরাষ্ট উপদেষ্টা ও স্বরাষ্ট্র সচিবকে পাঠিয়েছেন। এ বিষয়ে পরিষ্কার উত্তর না পেলে তিনি আদালত অবমাননার মামলা করবেন বলেও জানিয়েছেন।

শমসের মবিন চৌধুরী বীর বিক্রম ও তাঁর স্ত্রী বুধবার (১৬ অক্টোবর) বিদেশ যাওয়ার সময় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাধা দেওয়া হয়েছে। তাদের যেতে দেওয়া হয়নি। পরে বিমানবন্দর থেকে তাঁদের ফেরত পাঠানো হয়েছে।
শমসের মবিন চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য তাঁরা থাইল্যান্ডে যেতে চেয়েছিলেন। দুপুরে থাই এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তাদের থাইল্যান্ড যাওয়ার কথা ছিল।
সাবেক সেনাকর্মকর্তা শমসের মবিন চৌধুরী ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য বীর বিক্রম খেতাব পান। ২০০১ সালের ২৪ অক্টোবর থেকে ২০০৫ সালের ১৭ মার্চ পর্যন্ত তিনি পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি বিএনপিতে যোগ দেন।
শমসের মবিন চৌধুরী বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। ২০১৫ সালে তিনি বিএনপি থেকে পদত্যাগ করেন। পরে ২০১৮ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিকল্পধারা বাংলাদেশে যোগ দেন। সবশেষ এ বছর ৭ জানুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের আগে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে তৃণমূল বিএনপির চেয়ারপারসন হন তিনি। তৃণমূল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত নাজমুল হুদা। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তৃণমূল বিএনপিকে নিবন্ধন দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।
মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার কারণে বিমানবন্দরে গিয়ে ভিআইপি টার্মিনালে বসেছিলেন জানিয়ে শমসের মবিন চৌধুরী বলেন, সেখানে বসার পর তাঁদের দুজনকে পাসপোর্টের ফটোকপি দিতে বলা হয়। ফটোকপি দেওয়ার পর আর কারও হদিস পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে ইমিগ্রেশন অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, একটি গোয়েন্দা সংস্থা থেকে ছাড়পত্র পাওয়া গেলেও আরেকটি গোয়েন্দা সংস্থা থেকে পাওয়া যায়নি। এরপর তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের এক উপদেষ্টাকে কল করলে তিনি এই বিষয় দেখেন না জানিয়ে বিষয়টি নিয়ে স্বরাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে কথা বলতে বলেন। পরে স্বরাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিদেশ যেতে কোনো বাধা নেই বলে জানান। এরপর ইমিগ্রেশন অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা কোনো নির্দেশনা পাননি বলে জানান।
বিদেশ যেতে যাতে বাধা না দেওয়া হয়, এ জন্য ২০১০ সালে আদালত থেকে একটি আদেশ আছে জানিয়ে শমসের মবিন চৌধুরী বলেন, এরপরও তাঁকে বাধা দেওয়া হয়েছে। এটি আদালত অবমাননা। আদালতের আদেশের কপি তিনি স্বরাষ্ট উপদেষ্টা ও স্বরাষ্ট্র সচিবকে পাঠিয়েছেন। এ বিষয়ে পরিষ্কার উত্তর না পেলে তিনি আদালত অবমাননার মামলা করবেন বলেও জানিয়েছেন।
রোববার রাতে মোটরসাইকেলে যাওয়ার সময় রিয়াদের একটি সড়কে উটের সঙ্গে তাদের মোটর সাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।