
সংবাদদাতা, সিলেট

ঢাকা-সিলেট অভ্যন্তরীণ রুটে বিমানের টিকিটের দাম সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসার বিষয়ে আলোচনা চলছে। সিলেটের মানুষের কথা চিন্তা করে শিগগিরই টিকিটের দাম সহনীয় করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মঞ্জুর কবীর ভূঁইয়া।
বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পূর্ণাঙ্গ অগ্নিনির্বাপন মহড়া অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
মঞ্জুর কবীর ভূঁইয়া বলেন, বাংলাদেশ এয়ারপোর্ট সিকিউরিটি ফোর্স-নামে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) নিজস্ব নিরাপত্তা সংস্থা গঠনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই সিকিউরিটি ফোর্স গঠনেরও কাজ চলছে। প্রায় ১০ হাজার জনবলের একটি প্রস্তাবনাও মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এই জনবলে ৭০ শতাংশ সদস্য বিমান বাহিনী থেকে নেওয়া হবে, বাকি ৩০ শতাংশ অন্য সংস্থা থেকে।
সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পূর্ণাঙ্গ অগ্নিনির্বাপন মহড়া সম্পর্কে বেবিচকের চেয়ারম্যান বলেন, এমন মহড়া দুর্যোগকালে বিমানের যাত্রীদের জানমালের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে আরও কাজ করবে। এই মহড়ায় বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী, সেনাবাহিনী, পুলিশ, আনসার, বিএনসিসি, ফায়ার সার্ভিস, র্যাব, এপিবিএন ও বিভিন্ন হাসপাতালসহ বিভিন্ন এয়ারলাইনস অংশ নিয়েছে। এই মহড়া পরবর্তীতে সমন্বিতভাবে কাজ করতে সাহায্য করবে।

ঢাকা-সিলেট অভ্যন্তরীণ রুটে বিমানের টিকিটের দাম সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসার বিষয়ে আলোচনা চলছে। সিলেটের মানুষের কথা চিন্তা করে শিগগিরই টিকিটের দাম সহনীয় করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মঞ্জুর কবীর ভূঁইয়া।
বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পূর্ণাঙ্গ অগ্নিনির্বাপন মহড়া অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
মঞ্জুর কবীর ভূঁইয়া বলেন, বাংলাদেশ এয়ারপোর্ট সিকিউরিটি ফোর্স-নামে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) নিজস্ব নিরাপত্তা সংস্থা গঠনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই সিকিউরিটি ফোর্স গঠনেরও কাজ চলছে। প্রায় ১০ হাজার জনবলের একটি প্রস্তাবনাও মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এই জনবলে ৭০ শতাংশ সদস্য বিমান বাহিনী থেকে নেওয়া হবে, বাকি ৩০ শতাংশ অন্য সংস্থা থেকে।
সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পূর্ণাঙ্গ অগ্নিনির্বাপন মহড়া সম্পর্কে বেবিচকের চেয়ারম্যান বলেন, এমন মহড়া দুর্যোগকালে বিমানের যাত্রীদের জানমালের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে আরও কাজ করবে। এই মহড়ায় বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী, সেনাবাহিনী, পুলিশ, আনসার, বিএনসিসি, ফায়ার সার্ভিস, র্যাব, এপিবিএন ও বিভিন্ন হাসপাতালসহ বিভিন্ন এয়ারলাইনস অংশ নিয়েছে। এই মহড়া পরবর্তীতে সমন্বিতভাবে কাজ করতে সাহায্য করবে।
মধ্যপ্রাচ্যগামী বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা-সংক্রান্ত প্রতারণা থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং নিরাপদ ও স্বচ্ছ অভিবাসন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। সেবাটি এরই মধ্যে চালু হয়েছে এবং ১৬৭৬৮ নম্বরে ফোন করে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্ষমাপ্রাপ্ত সব বাংলাদেশি ইতিমধ্যেই দেশে ফিরে এসেছেন। তারা ২০২৪ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত জুলাই আন্দোলনের সময় আমিরাতে আটক হয়েছিলেন।
সংলাপে মূলত ৩টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে আলোচনা করা হয়। এগুলো হলো—বায়রাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের পরিকল্পনা, নৈতিক নিয়োগ নিশ্চিতকরণে প্রার্থীদের অঙ্গীকার এবং বাংলাদেশে ও গন্তব্য দেশসমূহে অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খলিলুর রহমান আমেরিকা থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কৃষিপণ্য আমদানি বাড়ানোর ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি সাম্প্রতিক ভিসা বন্ডের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের আমেরিকায় ভ্রমণ সহজ করার অনুরোধ জানান।