
বিডিজেন ডেস্ক

রাজধানী ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে বনানী কবরস্থান এলাকায় লন্ডনপ্রবাসী একটি পরিবার ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে। ডিবি পরিচয়ে ওই ছিনতাইকারীরা পরিবারটির কাছ থেকে টাকা, স্বর্ণালংকার এবং আইফোন ছিনিয়ে নেয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) ভোরের এ ঘটনায় বনানী থানায় মামলা হয়েছে।
খবর প্রথম আলোর।
ছিনতাইয়ের কবলে পড়া পরিবারটির বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ছিনতাইকারীরা পরিবারটির কাছ থেকে ১৫ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার, কিছু নগদ টাকা এবং ডলার নিয়ে গেছে। ছিনতাইকারীরা তাদের জিম্মি করে ভয় দেখিয়েছে। তারা এখনো ট্রমা থেকে বের হতে পারেননি। এ কারণে তারা পরিচয় প্রকাশ করতে চান না।
বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসেল সারোয়ার প্রথম আলোকে বলেন, ডিবি পরিচয়ে কয়েকজন ওই প্রবাসী পরিবারটিকে বহনকারী মাইক্রোবাস থামায়। সাধারণ পুলিশ যে ধরনের লাইট ব্যবহার করে গাড়ি থামানোর সংকেত দেয়, ছিনতাইকারীরা একই লাইট ব্যবহার করে গাড়িটি থামিয়েছিল। তারপর ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে তারা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, প্রবাসী পরিবারটিকে ছিনতাইকারীরা বিমানবন্দর থেকেই অনুসরণ করছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: প্রথম আলো

রাজধানী ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে বনানী কবরস্থান এলাকায় লন্ডনপ্রবাসী একটি পরিবার ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে। ডিবি পরিচয়ে ওই ছিনতাইকারীরা পরিবারটির কাছ থেকে টাকা, স্বর্ণালংকার এবং আইফোন ছিনিয়ে নেয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) ভোরের এ ঘটনায় বনানী থানায় মামলা হয়েছে।
খবর প্রথম আলোর।
ছিনতাইয়ের কবলে পড়া পরিবারটির বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ছিনতাইকারীরা পরিবারটির কাছ থেকে ১৫ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার, কিছু নগদ টাকা এবং ডলার নিয়ে গেছে। ছিনতাইকারীরা তাদের জিম্মি করে ভয় দেখিয়েছে। তারা এখনো ট্রমা থেকে বের হতে পারেননি। এ কারণে তারা পরিচয় প্রকাশ করতে চান না।
বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসেল সারোয়ার প্রথম আলোকে বলেন, ডিবি পরিচয়ে কয়েকজন ওই প্রবাসী পরিবারটিকে বহনকারী মাইক্রোবাস থামায়। সাধারণ পুলিশ যে ধরনের লাইট ব্যবহার করে গাড়ি থামানোর সংকেত দেয়, ছিনতাইকারীরা একই লাইট ব্যবহার করে গাড়িটি থামিয়েছিল। তারপর ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে তারা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, প্রবাসী পরিবারটিকে ছিনতাইকারীরা বিমানবন্দর থেকেই অনুসরণ করছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: প্রথম আলো
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।