
বাসস, ঢাকা

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে বিদেশে অবস্থানরত ১৭ হাজার ৯০০ জনের বেশি বাংলাদেশি ভোটার ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে নিবন্ধন করেছেন।
গতকাল রোববার (২৩ নভেম্বর) রাতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওয়েবসাইটের পোস্টাল ভোটিং আপডেট থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
নির্বাচন কমিশনের পোস্টাল ভোটিং আপডেট তথ্য অনুযায়ী, প্রথম পর্বে পূর্ব এশিয়া, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা ভোটের নিবন্ধন করেছেন।
অ্যাপ চালুর পর গতকাল রোববার রাত ৮টা পর্যন্ত এসব অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে বসবাস করা ১৭ হাজার ৯০৭ জন প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন করেছেন। তাদের মধ্যে পুরুষ ১৬ হাজার ৩৫৫ জন। নারী ১ হাজার ৫৫২ জন।
এর মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ায় ৭ হাজার ৭৬৮ জন, জাপানে ৪ হাজার ৬০৬ জন, দক্ষিণ আফ্রিকায় ২ হাজার ৩১১ জন ও চীনে ১ হাজার ২৮৯ জন রয়েছেন।
গত ১৮ নভেম্বর ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপ উদ্বোধন করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। সেদিনই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য মোট ১৪৮টি দেশে পোস্টাল ভোটিং নিবন্ধনের সময়সূচি ঘোষণা করে ইসি।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানান, ২৪ নভেম্বর থেকে ২৮ নভেম্বর উত্তর আমেরিকা, ওশেনিয়া; ২৯ নভেম্বর থেকে ৩ ডিসেম্বর ইউরোপ; ৪ ডিসেম্বর থেকে থেকে ৮ ডিসেম্বর সৌদি আরব; ৯ ডিসেম্বর থেকে ১৩ ডিসেম্বর দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং ১৪ ডিসেম্বর থেকে ১৮ ডিসেম্বর মধ্যপ্রাচ্যে (সৌদি আরব ছাড়া অন্য দেশ) বসবাস করা প্রবাসী বাংলাদেশিরা ভোটার হওয়ার নিবন্ধন করতে পারবেন।
নিবন্ধনপ্রক্রিয়ায় প্রবাসী ভোটার যে দেশ থেকে ভোট দিতে ইচ্ছুক, কেবল সেই দেশের মুঠোফোন নম্বর ব্যবহার করতে হবে।
পোস্টাল ব্যালট প্রাপ্তি ও ভোট প্রদানের জন্য Google Play Store/App Store হতে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড ও ইনস্টল করতে হবে।
ব্যবহারকারী বাংলা/ইংরেজি যেকোনো একটি ভাষা নির্বাচন করে অ্যাপে নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও নির্দেশাবলি সম্পর্কে জানতে পারবেন।
বিদেশে ব্যালট প্রাপ্তি নিশ্চিতে নির্ভুল ঠিকানা দিতে হবে বলেও ইসির কর্মকর্তারা জানান।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে বিদেশে অবস্থানরত ১৭ হাজার ৯০০ জনের বেশি বাংলাদেশি ভোটার ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে নিবন্ধন করেছেন।
গতকাল রোববার (২৩ নভেম্বর) রাতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওয়েবসাইটের পোস্টাল ভোটিং আপডেট থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
নির্বাচন কমিশনের পোস্টাল ভোটিং আপডেট তথ্য অনুযায়ী, প্রথম পর্বে পূর্ব এশিয়া, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা ভোটের নিবন্ধন করেছেন।
অ্যাপ চালুর পর গতকাল রোববার রাত ৮টা পর্যন্ত এসব অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে বসবাস করা ১৭ হাজার ৯০৭ জন প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন করেছেন। তাদের মধ্যে পুরুষ ১৬ হাজার ৩৫৫ জন। নারী ১ হাজার ৫৫২ জন।
এর মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ায় ৭ হাজার ৭৬৮ জন, জাপানে ৪ হাজার ৬০৬ জন, দক্ষিণ আফ্রিকায় ২ হাজার ৩১১ জন ও চীনে ১ হাজার ২৮৯ জন রয়েছেন।
গত ১৮ নভেম্বর ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপ উদ্বোধন করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। সেদিনই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য মোট ১৪৮টি দেশে পোস্টাল ভোটিং নিবন্ধনের সময়সূচি ঘোষণা করে ইসি।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানান, ২৪ নভেম্বর থেকে ২৮ নভেম্বর উত্তর আমেরিকা, ওশেনিয়া; ২৯ নভেম্বর থেকে ৩ ডিসেম্বর ইউরোপ; ৪ ডিসেম্বর থেকে থেকে ৮ ডিসেম্বর সৌদি আরব; ৯ ডিসেম্বর থেকে ১৩ ডিসেম্বর দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং ১৪ ডিসেম্বর থেকে ১৮ ডিসেম্বর মধ্যপ্রাচ্যে (সৌদি আরব ছাড়া অন্য দেশ) বসবাস করা প্রবাসী বাংলাদেশিরা ভোটার হওয়ার নিবন্ধন করতে পারবেন।
নিবন্ধনপ্রক্রিয়ায় প্রবাসী ভোটার যে দেশ থেকে ভোট দিতে ইচ্ছুক, কেবল সেই দেশের মুঠোফোন নম্বর ব্যবহার করতে হবে।
পোস্টাল ব্যালট প্রাপ্তি ও ভোট প্রদানের জন্য Google Play Store/App Store হতে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড ও ইনস্টল করতে হবে।
ব্যবহারকারী বাংলা/ইংরেজি যেকোনো একটি ভাষা নির্বাচন করে অ্যাপে নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও নির্দেশাবলি সম্পর্কে জানতে পারবেন।
বিদেশে ব্যালট প্রাপ্তি নিশ্চিতে নির্ভুল ঠিকানা দিতে হবে বলেও ইসির কর্মকর্তারা জানান।
অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে নানা অভিযোগ ও সংকটে বৈদেশিক শ্রমবাজার সংকুচিত হয়েছে। ২০২৪ সালের মে মাসের পর থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। এর আগেও নানা অভিযোগের কারণে দেশটির শ্রমবাজার বন্ধ হয়েছে।
প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ কার্যক্রমের মাধ্যমে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-৬-এর লক্ষ্য অর্জনে জাতীয় প্রচেষ্টা আরও বেগবান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হিফজুর রহমান গতকাল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বলেন, আমি বিভিন্ন অফিসে ঘুরে ঘুরে হয়রান কিন্তু আমার পাসপোর্ট ও টাকা পাইনি। এসব আমি যেকোনোভাবে ফেরত চাই।