
প্রতিবেদক, বিডিজেন

বিশ্বের মোট অভিবাসীদের একটি বড় অংশই তরুণ। তাই অভিবাসনের কেন্দ্রবিন্দুতে তরুণদের রাখতে হবে। তাদের চিন্তা, অভিজ্ঞতা এবং উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগানো গেলে ভবিষ্যতের জন্য আরও কার্যকর ও বাস্তবসম্মত অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।
আজ বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) ‘যুব ও অভিবাসন: কণ্ঠ, দৃষ্টি ও কর্ম’ শীর্ষক এক সংলাপে বক্তারা এসব কথা বলেন। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সহায়তায় এ সংলাপ আয়োজন করে।
আলোচনায় বক্তারা জানান, নিরাপদ অভিবাসন পথ তৈরি এবং শক্তিশালী অভিবাসন ব্যবস্থাপনা গঠনে তরুণদের অভিজ্ঞতা অপরিহার্য। বৈশ্বিক ফোরামগুলোও এখন অভিবাসন শাসনব্যবস্থায় যুব অংশগ্রহণকে গুরুত্ব দিচ্ছে। সারা বিশ্বে প্রায় ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন তরুণের দৃষ্টিভঙ্গি অভিবাসন নীতি ও আখ্যানকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তুলতে পারে।
দুটি প্যানেল আলোচনায় তরুণদের কীভাবে অভিবাসন শাসনব্যবস্থায় আরও সক্রিয়ভাবে যুক্ত করা যায় তা নিয়ে আলোচনা হয়। বক্তারা নিরাপদ অভিবাসন প্রচারে সাংস্কৃতিক উদ্যোগ, শ্রমবাজারে প্রভাব এবং সামগ্রিকভাবে তরুণদের ক্ষমতায়নের বিষয়েও মতবিনিময় করেন। আলোচনায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুব নেতৃত্বাধীন সংগঠন, শিক্ষাবিদ, জাতিসংঘের সংস্থা, জাতিসংঘ ইয়ুথ অ্যাডভাইজরি গ্রুপ (YAG) এবং উন্নয়ন অংশীদারদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম), বাংলাদেশ সরকার এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সহায়তায় ইয়ুথ অ্যান্ড মাইগ্রেশন: ভয়েস, ভিশন অ্যান্ড অ্যাকশন‘ (যুব ও অভিবাসন: অভিমত, দূরদৃষ্টি এবং পদক্ষেপ) শীর্ষক এই জাতীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। এতে তরুণ সামাজিক নেতৃবৃন্দ, নীতিনির্ধারক, গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন এবং বাংলাদেশের অভিবাসন ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ গঠনে তরুণদের ভূমিকা তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইওএম বাংলাদেশের মিশন প্রধান ল্যান্স বোনো, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব সাদমান সাকিব, বিওয়াইএলসির সিনিয়র ম্যানেজার হাবিবুল্লাহ তামীম, আইএলওর ন্যাশনাল প্রোগ্রাম ম্যানেজার রাহনুমা সালাম খান, জাগো ফাউন্ডেশনের রিসোর্স মোবিলাইজেশন অ্যান্ড গ্রান্টস ম্যানেজমেন্ট সিনিয়র ম্যানেজার কামরুল কিবরিয়া অয়ন প্রমুখ।

বিশ্বের মোট অভিবাসীদের একটি বড় অংশই তরুণ। তাই অভিবাসনের কেন্দ্রবিন্দুতে তরুণদের রাখতে হবে। তাদের চিন্তা, অভিজ্ঞতা এবং উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগানো গেলে ভবিষ্যতের জন্য আরও কার্যকর ও বাস্তবসম্মত অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।
আজ বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) ‘যুব ও অভিবাসন: কণ্ঠ, দৃষ্টি ও কর্ম’ শীর্ষক এক সংলাপে বক্তারা এসব কথা বলেন। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সহায়তায় এ সংলাপ আয়োজন করে।
আলোচনায় বক্তারা জানান, নিরাপদ অভিবাসন পথ তৈরি এবং শক্তিশালী অভিবাসন ব্যবস্থাপনা গঠনে তরুণদের অভিজ্ঞতা অপরিহার্য। বৈশ্বিক ফোরামগুলোও এখন অভিবাসন শাসনব্যবস্থায় যুব অংশগ্রহণকে গুরুত্ব দিচ্ছে। সারা বিশ্বে প্রায় ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন তরুণের দৃষ্টিভঙ্গি অভিবাসন নীতি ও আখ্যানকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তুলতে পারে।
দুটি প্যানেল আলোচনায় তরুণদের কীভাবে অভিবাসন শাসনব্যবস্থায় আরও সক্রিয়ভাবে যুক্ত করা যায় তা নিয়ে আলোচনা হয়। বক্তারা নিরাপদ অভিবাসন প্রচারে সাংস্কৃতিক উদ্যোগ, শ্রমবাজারে প্রভাব এবং সামগ্রিকভাবে তরুণদের ক্ষমতায়নের বিষয়েও মতবিনিময় করেন। আলোচনায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুব নেতৃত্বাধীন সংগঠন, শিক্ষাবিদ, জাতিসংঘের সংস্থা, জাতিসংঘ ইয়ুথ অ্যাডভাইজরি গ্রুপ (YAG) এবং উন্নয়ন অংশীদারদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম), বাংলাদেশ সরকার এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সহায়তায় ইয়ুথ অ্যান্ড মাইগ্রেশন: ভয়েস, ভিশন অ্যান্ড অ্যাকশন‘ (যুব ও অভিবাসন: অভিমত, দূরদৃষ্টি এবং পদক্ষেপ) শীর্ষক এই জাতীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। এতে তরুণ সামাজিক নেতৃবৃন্দ, নীতিনির্ধারক, গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন এবং বাংলাদেশের অভিবাসন ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ গঠনে তরুণদের ভূমিকা তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইওএম বাংলাদেশের মিশন প্রধান ল্যান্স বোনো, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব সাদমান সাকিব, বিওয়াইএলসির সিনিয়র ম্যানেজার হাবিবুল্লাহ তামীম, আইএলওর ন্যাশনাল প্রোগ্রাম ম্যানেজার রাহনুমা সালাম খান, জাগো ফাউন্ডেশনের রিসোর্স মোবিলাইজেশন অ্যান্ড গ্রান্টস ম্যানেজমেন্ট সিনিয়র ম্যানেজার কামরুল কিবরিয়া অয়ন প্রমুখ।
সিআইএমএমওয়াইটির উপস্থাপনায় জানানো হয়, গত চার দশকেরও বেশি সময় ধরে সিআইএমএমওয়াইটি বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা ও উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। বিশেষ করে গম ও ভুট্টা উৎপাদন বৃদ্ধিতে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে নিহতদের মরদেহ গ্রহণ করে আনুষ্ঠানিকতা শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গত ১১ মে দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়েহ জেলার জিবদিন এলাকায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় শফিকুল ইসলাম ও নাহিদুল ইসলাম নিহত হন। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে তাদের মরদেহ দেশে আনা সম্ভব হয়।
রোববার রাতে মোটরসাইকেলে যাওয়ার সময় রিয়াদের একটি সড়কে উটের সঙ্গে তাদের মোটর সাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।