
বিডিজেন ডেস্ক

ঢাকার হাইকমিশনের মাধ্যমে এখন থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসা দেবে অস্ট্রেলিয়া। বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
এতে বলা হয়, ‘বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সঙ্গে ফোনালাপ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক। তখন তিনি বলেন, এখন থেকে অস্ট্রেলিয়া ঢাকায় অবস্থিত তাদের হাইকমিশন থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা প্রসেস করবে।’
এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর করা হবে বলেও জানিয়েছেন টনি বার্ক। পরে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এই তথ্য জানান।
উল্লেখ্য, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস গত বছরের অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বার্কের বাংলাদেশ সফরের সময় তার কাছে এই অনুরোধ করেছিলেন।
বর্তমানে বাংলাদেশি নাগরিকদের অস্ট্রেলিয়ার ভিসা নয়াদিল্লি থেকে প্রসেস করা হয়।

ঢাকার হাইকমিশনের মাধ্যমে এখন থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসা দেবে অস্ট্রেলিয়া। বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
এতে বলা হয়, ‘বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সঙ্গে ফোনালাপ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক। তখন তিনি বলেন, এখন থেকে অস্ট্রেলিয়া ঢাকায় অবস্থিত তাদের হাইকমিশন থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা প্রসেস করবে।’
এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর করা হবে বলেও জানিয়েছেন টনি বার্ক। পরে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এই তথ্য জানান।
উল্লেখ্য, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস গত বছরের অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বার্কের বাংলাদেশ সফরের সময় তার কাছে এই অনুরোধ করেছিলেন।
বর্তমানে বাংলাদেশি নাগরিকদের অস্ট্রেলিয়ার ভিসা নয়াদিল্লি থেকে প্রসেস করা হয়।
বক্তারা বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে টেকসইভাবে জমির উর্বরতা ব্যবস্থাপনা, উচ্চফলনশীল ও ঘাত-সহিষ্ণু ফসলের জাত উদ্ভাবন এবং তা মাঠ পর্যায়ে দ্রুত সম্প্রসারণ অত্যন্ত জরুরি।
ইমিগ্রেশন সুবিধার বিষয়ে ধর্মমন্ত্রী জানান, হজযাত্রীদের বোর্ডিং ও ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া হজ ক্যাম্পেই সম্পন্ন করা হয়। এ ছাড়া, সৌদি সরকারের সহায়তায় ‘মক্কা রুট ইনিশিয়েটিভ’-এর অধীনে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেই সৌদি ইমিগ্রেশন সম্পন্ন হচ্ছে।
সকাল পৌনে ১০টার দিকে সৌদি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে আবদুল্লাহ আল মামুনের মরদেহ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। সেখানে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী তার মরদেহ গ্রহণ করেন।
স্বাগত বক্তব্যে পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের বলেন, পিকেএসএফ এবং এর সহযোগী সংস্থাসমূহে কর্মরত নারীসহ সকল কর্মীর জন্য একটি নিরাপদ ও হয়রানিমুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।