
প্রতিবেদক, বিডিজেন

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ বাহরাইনে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি যারা যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দেশে ফিরতে আগ্রহী তাদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে দেশটিতে নিয়োজিত বাংলাদেশ দূতাবাস। এক বার্তায় দূতাবাস এ তথ্য জানিয়েছে।
দূতাবাসের বার্তায় বলা হয়, জরুরি প্রয়োজনে যারা বাংলাদেশে ফিরতে চান, তাদের জন্য গালফ এয়ারলাইনসের সহযোগিতায় একটি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।
আগ্রহীদের ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্ধারিত গুগল ফর্মে আবেদন করতে হবে।
আরও বলা হয়, আবেদনকারীদের তথ্য সংগ্রহ করে তালিকা তৈরি করা হবে। এরপর তালিকাভুক্ত যাত্রীদের বিশেষ ফ্লাইটে দেশে ফেরার সুযোগ দেওয়া হবে।
আগ্রহীদের বিস্তারিত জানতে https://manama.mofa.gov.bd ওয়েবসাইট
এবং [email protected] মেইল অ্যাড্রেসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ বাহরাইনে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি যারা যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দেশে ফিরতে আগ্রহী তাদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে দেশটিতে নিয়োজিত বাংলাদেশ দূতাবাস। এক বার্তায় দূতাবাস এ তথ্য জানিয়েছে।
দূতাবাসের বার্তায় বলা হয়, জরুরি প্রয়োজনে যারা বাংলাদেশে ফিরতে চান, তাদের জন্য গালফ এয়ারলাইনসের সহযোগিতায় একটি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।
আগ্রহীদের ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্ধারিত গুগল ফর্মে আবেদন করতে হবে।
আরও বলা হয়, আবেদনকারীদের তথ্য সংগ্রহ করে তালিকা তৈরি করা হবে। এরপর তালিকাভুক্ত যাত্রীদের বিশেষ ফ্লাইটে দেশে ফেরার সুযোগ দেওয়া হবে।
আগ্রহীদের বিস্তারিত জানতে https://manama.mofa.gov.bd ওয়েবসাইট
এবং [email protected] মেইল অ্যাড্রেসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে বৈধভাবে বিদেশে কর্মরত এবং সরকার অনুমোদিত উপায়ে রেমিট্যান্স পাঠানো বাংলাদেশিরাই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই কার্ড পাবেন বলে জানা গেছে। বিশেষ করে যেসব প্রবাসীর বৈধ পাসপোর্ট, কর্ম অনুমতি এবং নিবন্ধিত তথ্য রয়েছে, তাদের তথ্য যাচাই শেষে পর্যায়ক্রমে কার্ড বিতরণ করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি, এ ঘটনায় স্থানীয় রাজমিস্ত্রি সাইফুল ইসলাম অথবা নিহত নারীর বড় ছেলে জড়িত থাকতে পারেন। তাদের দুজনই মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযুক্ত সাইফুল একই এলাকার জমিদার বাড়ির আবুল খায়েরের ছেলে। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।
স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, গতকাল ওই এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনী দফায় দফায় হামলা চালায়। নিহত বাংলাদেশিরা সেখানে কর্মরত ছিলেন।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো দেশ ভিসা দেওয়ার শর্ত হিসেবে আবেদনকারীর কাছে আর্থিক গ্যারান্টি বা ফেরতযোগ্য সিকিউরিটি ডিপোজিট চাইলে ব্যাংকগুলো এখন সেই অর্থ বিদেশে পাঠাতে পারবে। এ জন্য আবেদনকারীর নামে আন্তর্জাতিক বা ভার্চুয়াল কার্ড ইস্যু করা যাবে, যেখানে প্রয়োজনীয় অর্থ আগে থেকেই জমা করা থাকবে।