
প্রতিবেদক, বিডিজেন

পৃথক হত্যা ও হত্যাচেষ্টার নতুন মামলায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলামসহ ৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।
পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত আজ বুধবার (২৯ জানুয়ারি) এ আদেশ দেন।
রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া অপর ৩ অভিযুক্ত হলেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুন, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র আসাদুর রহমান কিরণ ও ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত।
মামলার কাগজপত্রের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী ঢাকার মিরপুর থানায় করা আসিফ হত্যা মামলায় সালমান এফ রহমান ও চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনকে আদালতে হাজির করে ৫ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার আবেদন করে পুলিশ। অভিযুক্তপক্ষ থেকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন নাকচ করে জামিনের আবেদন করা হয়। দুই পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত সালমান এফ রহমান ও আবদুল্লাহ আল–মামুনকে ৩ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেন।
অন্য দিকে রাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুর থানায় করা ইনসান আলী হত্যাচেষ্টা মামলায় আনিসুল হককে ৫ দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ। আনিসুল হকের পক্ষ থেকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন নাকচ করার আবেদন করা হয়। আদালত আনিসুল হককে ৩ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেন।
বাড্ডা থানায় করা সুমন সিকদার হত্যা মামলায় আতিকুল ইসলামকে ১০ দিনে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ। আদালত তাঁকে ৪ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেন।
রাজধানী ঢাকার উত্তরা পশ্চিম থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র আসাদুর রহমানের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
এ ছাড়া, রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডি থানায় করা রিয়াজ হত্যা মামলায় ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকতের ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত ১৩ আগস্ট গ্রেপ্তার হন সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হক। ৩ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার হন চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুন।
এখন পর্যন্ত সালমান এফ রহমানের ১০ মামলায় ৫৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। অন্যদিকে আনিসুল হকের মোট ৪৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে।
সাবেক আইজিপি আবদুল্লাহ আল–মামুনকে ১২ মামলায় মোট ৬০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
এ ছাড়া, আজ আদালত পৃথক মামলায় সাবেক সিনিয়র সচিব মো. মহিবুল হক, ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিলীপ কুমার আগরওয়াল, আইনজীবী মনোয়ার হোসেন ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য গোলাম কিবরিয়াকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন।

পৃথক হত্যা ও হত্যাচেষ্টার নতুন মামলায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলামসহ ৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।
পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত আজ বুধবার (২৯ জানুয়ারি) এ আদেশ দেন।
রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া অপর ৩ অভিযুক্ত হলেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুন, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র আসাদুর রহমান কিরণ ও ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত।
মামলার কাগজপত্রের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী ঢাকার মিরপুর থানায় করা আসিফ হত্যা মামলায় সালমান এফ রহমান ও চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনকে আদালতে হাজির করে ৫ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার আবেদন করে পুলিশ। অভিযুক্তপক্ষ থেকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন নাকচ করে জামিনের আবেদন করা হয়। দুই পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত সালমান এফ রহমান ও আবদুল্লাহ আল–মামুনকে ৩ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেন।
অন্য দিকে রাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুর থানায় করা ইনসান আলী হত্যাচেষ্টা মামলায় আনিসুল হককে ৫ দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ। আনিসুল হকের পক্ষ থেকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন নাকচ করার আবেদন করা হয়। আদালত আনিসুল হককে ৩ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেন।
বাড্ডা থানায় করা সুমন সিকদার হত্যা মামলায় আতিকুল ইসলামকে ১০ দিনে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ। আদালত তাঁকে ৪ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেন।
রাজধানী ঢাকার উত্তরা পশ্চিম থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র আসাদুর রহমানের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
এ ছাড়া, রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডি থানায় করা রিয়াজ হত্যা মামলায় ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকতের ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত ১৩ আগস্ট গ্রেপ্তার হন সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হক। ৩ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার হন চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুন।
এখন পর্যন্ত সালমান এফ রহমানের ১০ মামলায় ৫৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। অন্যদিকে আনিসুল হকের মোট ৪৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে।
সাবেক আইজিপি আবদুল্লাহ আল–মামুনকে ১২ মামলায় মোট ৬০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
এ ছাড়া, আজ আদালত পৃথক মামলায় সাবেক সিনিয়র সচিব মো. মহিবুল হক, ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিলীপ কুমার আগরওয়াল, আইনজীবী মনোয়ার হোসেন ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য গোলাম কিবরিয়াকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন।
মধ্যপ্রাচ্যগামী বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা-সংক্রান্ত প্রতারণা থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং নিরাপদ ও স্বচ্ছ অভিবাসন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। সেবাটি এরই মধ্যে চালু হয়েছে এবং ১৬৭৬৮ নম্বরে ফোন করে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্ষমাপ্রাপ্ত সব বাংলাদেশি ইতিমধ্যেই দেশে ফিরে এসেছেন। তারা ২০২৪ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত জুলাই আন্দোলনের সময় আমিরাতে আটক হয়েছিলেন।
সংলাপে মূলত ৩টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে আলোচনা করা হয়। এগুলো হলো—বায়রাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের পরিকল্পনা, নৈতিক নিয়োগ নিশ্চিতকরণে প্রার্থীদের অঙ্গীকার এবং বাংলাদেশে ও গন্তব্য দেশসমূহে অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খলিলুর রহমান আমেরিকা থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কৃষিপণ্য আমদানি বাড়ানোর ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি সাম্প্রতিক ভিসা বন্ডের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের আমেরিকায় ভ্রমণ সহজ করার অনুরোধ জানান।