
বিডিজেন ডেস্ক

দুদকের দেওয়া সময়ের মধ্যে সম্পদের হিসাব দাখিল না করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) তাঁকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে হাজির করা হলে ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন এ আদেশ দেন।
আদালতে এস কে সুরের পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক মো. নাজমুল হোসেন তাঁকে আদালতে হাজির করে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
আদালত সূত্র জানায়, মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে এস কে সুরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
দুদকের দেওয়া সময়ের মধ্যে সম্পদের হিসাব দাখিল না করায় ২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর এস কে সুর চৌধুরী, স্ত্রী সুপর্ণা সুর চৌধুরী এবং তাঁদের মেয়ে নন্দিতা সুর চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা করে প্রতিষ্ঠানটি।
এর আগে, ২০২৩ সালের ৩১ আগস্ট দুদক ৩ জনের বিরুদ্ধে কর ফাঁকির মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে ব্যাংকগুলোকে এস কে সুর এবং তাঁর স্ত্রী ও মেয়ের অ্যাকাউন্টের বিবরণী চেয়ে চিঠি দেয়।

দুদকের দেওয়া সময়ের মধ্যে সম্পদের হিসাব দাখিল না করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) তাঁকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে হাজির করা হলে ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন এ আদেশ দেন।
আদালতে এস কে সুরের পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক মো. নাজমুল হোসেন তাঁকে আদালতে হাজির করে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
আদালত সূত্র জানায়, মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে এস কে সুরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
দুদকের দেওয়া সময়ের মধ্যে সম্পদের হিসাব দাখিল না করায় ২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর এস কে সুর চৌধুরী, স্ত্রী সুপর্ণা সুর চৌধুরী এবং তাঁদের মেয়ে নন্দিতা সুর চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা করে প্রতিষ্ঠানটি।
এর আগে, ২০২৩ সালের ৩১ আগস্ট দুদক ৩ জনের বিরুদ্ধে কর ফাঁকির মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে ব্যাংকগুলোকে এস কে সুর এবং তাঁর স্ত্রী ও মেয়ের অ্যাকাউন্টের বিবরণী চেয়ে চিঠি দেয়।
মধ্যপ্রাচ্যগামী বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা-সংক্রান্ত প্রতারণা থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং নিরাপদ ও স্বচ্ছ অভিবাসন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। সেবাটি এরই মধ্যে চালু হয়েছে এবং ১৬৭৬৮ নম্বরে ফোন করে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্ষমাপ্রাপ্ত সব বাংলাদেশি ইতিমধ্যেই দেশে ফিরে এসেছেন। তারা ২০২৪ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত জুলাই আন্দোলনের সময় আমিরাতে আটক হয়েছিলেন।
সংলাপে মূলত ৩টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে আলোচনা করা হয়। এগুলো হলো—বায়রাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের পরিকল্পনা, নৈতিক নিয়োগ নিশ্চিতকরণে প্রার্থীদের অঙ্গীকার এবং বাংলাদেশে ও গন্তব্য দেশসমূহে অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খলিলুর রহমান আমেরিকা থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কৃষিপণ্য আমদানি বাড়ানোর ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি সাম্প্রতিক ভিসা বন্ডের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের আমেরিকায় ভ্রমণ সহজ করার অনুরোধ জানান।