
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবের রিয়াদে আবদুস সালাম ভূঁইয়া সজীব (২৮) নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশিকে অপহরণ করেছে দুর্বৃত্তরা। লোহার শিকলে বেঁধে নির্যাতনের ভিডিও পাঠিয়ে তাঁর পরিবারের কাছে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছে অপহরণকারীরা।
খবর আজকের পত্রিকার।
সজীবের বাড়ি ফেনী জেলার পরশুরাম উপজেলায় এবং চিথলিয়া ইউনিয়নের পূর্ব অলকা গ্রামের আমিনুর রহমান ভূঁইয়ার ছেলে।
পরিবারের সদস্যরা জানায়, গত ২১ সেপ্টেম্বর রাতে রিয়াদের যেদিদ সানাইয়া কোম্পানির অফিসের সামনে থেকে সজীবকে একটি গাড়িতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় অপহরণকারীরা। পরদিন সকালে তার পরিবারের কাছে কল দিয়ে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে হত্যার হুমকিও দিয়েছে তারা। ইতিমধ্যে সজীবের কর্মরত কোম্পানি সৌদি পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছে।
জানা গেছে, চলতি বছরের ৪ জুলাই দেশে এসে বিয়ে করেন প্রবাসী সজীব। দুই মাস ছুটি শেষে গত ৭ সেপ্টেম্বর তিনি আবার রিয়াদে কর্মস্থলে ফেরেন। অপহৃত সজীবের মা জরিফা খাতুন বলেন, ‘অপহরণকারীরা ভিডিও কলে দেখিয়েছে আমার ছেলেকে লোহার শিকলে বেঁধে রেখেছে। তাকে মারধর করে রক্তাক্ত করেছে। ৫ লাখ টাকা না দিলে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। প্রবাসে থাকা বাংলাদেশিদের কেউ হয়তো এর সঙ্গে জড়িত। আমি আমার ছেলেকে সুস্থভাবে ফেরত চাই।’
রিয়াদের প্রবাসী সাইদুল ইসলাম সুমন জানান, সজীবকে উদ্ধারের জন্য পুলিশ কাজ করছে। এ ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে পরশুরাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুরুল হাকিম বলেন, ‘অপহৃত সজীবের বাবা থানায় এসে বিস্তারিত জানিয়েছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’
সূত্র: আজকের পত্রিকা

সৌদি আরবের রিয়াদে আবদুস সালাম ভূঁইয়া সজীব (২৮) নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশিকে অপহরণ করেছে দুর্বৃত্তরা। লোহার শিকলে বেঁধে নির্যাতনের ভিডিও পাঠিয়ে তাঁর পরিবারের কাছে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছে অপহরণকারীরা।
খবর আজকের পত্রিকার।
সজীবের বাড়ি ফেনী জেলার পরশুরাম উপজেলায় এবং চিথলিয়া ইউনিয়নের পূর্ব অলকা গ্রামের আমিনুর রহমান ভূঁইয়ার ছেলে।
পরিবারের সদস্যরা জানায়, গত ২১ সেপ্টেম্বর রাতে রিয়াদের যেদিদ সানাইয়া কোম্পানির অফিসের সামনে থেকে সজীবকে একটি গাড়িতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় অপহরণকারীরা। পরদিন সকালে তার পরিবারের কাছে কল দিয়ে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে হত্যার হুমকিও দিয়েছে তারা। ইতিমধ্যে সজীবের কর্মরত কোম্পানি সৌদি পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছে।
জানা গেছে, চলতি বছরের ৪ জুলাই দেশে এসে বিয়ে করেন প্রবাসী সজীব। দুই মাস ছুটি শেষে গত ৭ সেপ্টেম্বর তিনি আবার রিয়াদে কর্মস্থলে ফেরেন। অপহৃত সজীবের মা জরিফা খাতুন বলেন, ‘অপহরণকারীরা ভিডিও কলে দেখিয়েছে আমার ছেলেকে লোহার শিকলে বেঁধে রেখেছে। তাকে মারধর করে রক্তাক্ত করেছে। ৫ লাখ টাকা না দিলে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। প্রবাসে থাকা বাংলাদেশিদের কেউ হয়তো এর সঙ্গে জড়িত। আমি আমার ছেলেকে সুস্থভাবে ফেরত চাই।’
রিয়াদের প্রবাসী সাইদুল ইসলাম সুমন জানান, সজীবকে উদ্ধারের জন্য পুলিশ কাজ করছে। এ ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে পরশুরাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুরুল হাকিম বলেন, ‘অপহৃত সজীবের বাবা থানায় এসে বিস্তারিত জানিয়েছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’
সূত্র: আজকের পত্রিকা
দূতাবাস জানিয়েছে, ভ্রমণকারীদের অবশ্যই বৈধ পাসপোর্ট থাকতে হবে এবং চূড়ান্ত গন্তব্য দেশের জন্য বৈধ ভিসা বা রেসিডেন্স পারমিট থাকতে হবে। মিসরকে অবশ্যই অন্য গন্তব্যে ভ্রমণকারীর রুটে একটি ট্রানজিট পয়েন্ট হতে হবে।
জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে অবৈধভাবে ইউরোপে প্রবেশের তালিকায় শীর্ষে আছে বাংলাদেশের নাগরিকেরা। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ২০ হাজার ২৫৯ জন বাংলাদেশি ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালি প্রবেশ করেছেন।
বিদ্যমান পরিস্থিতিতে অফিসের গাড়ির পরিবর্তে গণপরিবহন ব্যবহার এবং যথাসম্ভব বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী উপায়ে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করার লক্ষ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে দিরাই উপজেলা কর্মকর্তা সনজিব সরকার আজ রোববার সকালে জানান, নিহতদের মধ্যে চারজন দিরাই উপজেলার। এরা হলেন- তারাপাশা গ্রামের নুরুজ্জামান সরদার ময়না (৩০), সাজিদুর রহমান (২৮), শাহান মিয়া (২৫) এবং রনারচর গ্রামের মুজিবুর রহমান (৩৮)।