
বিডিজেন ডেস্ক

টি–টোয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপ শুরু হয়েছে গত ৭ ফেব্রুয়ারি। ভারত ও শ্রীলঙ্কা বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক। এরই মধ্যে মাঠে নেমেছে ভারত ও পাকিস্তান। বাংলাদেশ তো বিশ্বকাপ থেকে নামই প্রত্যাহার করে নিয়েছে। নিরাপত্তা–ইস্যুতে ভারতের মাটিতে নিজেদের ম্যাচগুলো খেলতে চায়নি বাংলাদেশ। চেয়েছিল ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় খেলতে, আইসিসি রাজি না হওয়ায় বাংলাদেশ নেই এবারের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে।
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলা, না খেলা নিয়ে অনেক জলঘোলা হয়েছে। জানুয়ারি মাসে মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়া হয় হিন্দুত্ববাদীদের হুমকির মুখে। মোস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার কারণটা বলা হয়েছিল ওই নিরাপত্তার জনিত সমস্যার বিষয়টিই। এর প্রতিক্রিয়া হিসেবেই বাংলাদেশ ভারতের মাটিতে না খেলার সিদ্ধান্ত নেয়। শেষ পর্যন্ত আইসিসি রাজি না হওয়ায় বাংলাদেশ বিশ্বকাপই খেলছে না।
আইসিসি বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরাতে রাজি হয়নি। তবে নিজেদের দাবির পক্ষে পাকিস্তানকে পাশে পেয়েছে বাংলাদেশ। পাকিস্তান তো একটা পর্যায়ে বিশ্বকাপ বয়কটের কথাও ভাবছিল। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান সিদ্ধান্ত নেয় ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি বয়কটের। তবে শেষ পর্যন্ত ‘বাংলাদেশের অনুরোধে’ পাকিস্তান ভারতের সঙ্গে ম্যাচ বয়কট থেকে সরে আসে।
ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট এক প্রতিবেদনে বলেছে, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি মিল রয়েছে। সেটি হলো, দুই দেশেরই ভারতের সঙ্গে টানাপোড়েন আছে। এবং প্রভাবশালী প্রতিবেশীর চাপের অভিযোগে ক্ষুব্ধ, নিজেদের পাল্টা অবস্থানও আছে। এসব কারণেই একটি বৈশ্বিক ক্রীড়া আসর দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সংকটের ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।
গত ডিসেম্বরে বিপুল অর্থের বিনিময়ে টি–টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ আইপিএলে বাংলাদেশি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে দলে নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)।
এই বাঁ হাতি বোলারকে দলে নেওয়ার ঘটনায় আপত্তি তোলেন ক্ষমতাসীন বিজেপির সাবেক বিধায়ক সঙ্গীত সোম। পরে আরও কয়েকজন রাজনীতিক এ সমালোচনায় যোগ দেন। কয়েক দিনের মধ্যেই মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার জন্য কেকেআরকে নির্দেশ দেয় ভারতের ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।

২০২৪ সালে ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছেলে ভারতে আশ্রয় নেন। এরেপর থেকে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কর অবনতি হতে থাকে। ভারতীয় গণমাধ্যমে বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর সহিংসতার খবর জোরালোভাবে প্রচার করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ায় ভারতের প্রতি ক্ষুব্ধ বাংলাদেশের একটি অংশ। নয়াদিল্লি সম্পর্ক উন্নত করতে চাইলেও তাদের গণমাধ্যম ও নিম্নপর্যায়ের রাজনৈতিক তৎপরতা সেই প্রচেষ্টাকে জটিল করে তুলছে।
ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট–দ্বৈরথ দারুণ দর্শকপ্রিয়, বিজ্ঞাপনের আয়ও দারুণ লোভনীয়। সেটির বড় অংশই ভারতের কাছে যায়। এই ম্যাচটি বয়কট করে পাকিস্তান ভারতকে অর্থনৈতিকভাবে আঘাত দিতে চেয়েছিল।
পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ভারতের বিপক্ষে খেলতে সম্মত হয়েছে। সমঝোতার অংশ হিসেবে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কোনো আর্থিক জরিমানা আরোপ করা হয়নি, যদিও তারা টুর্নামেন্টের বাইরেই আছে।
দ্য ইকোনমিস্ট বলছে, এ ঘটনাপ্রবাহ ক্রিকেটকে আরও গভীরভাবে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে ফেলেছে। ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া ছাড়া অধিকাংশ দলই আইসিসির অর্থায়নের ওপর নির্ভরশীল। শুরুতে সরে দাঁড়িয়ে পাকিস্তান সরকার হিসাব কষেছিল, ক্রীড়া ও আর্থিক ক্ষতির চেয়ে ভারতের রাজনৈতিক মহলে অস্বস্তি সৃষ্টি করাই বেশি তাৎপর্যপূর্ণ।
ভারতের ক্রিকেট বোর্ড আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন হলেও বাস্তবে তা শাসকদল বিজেপির প্রভাববলয়ে রয়েছে বলে সমালোচকদের অভিযোগ। ২০২৪ সালের শেষ পর্যন্ত এর প্রধান ছিলেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ছেলে জয় শাহ, যিনি বর্তমানে আইসিসির দায়িত্বে আছেন। অন্যদিকে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডও পরিচালনা করছেন ওই দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
দক্ষিণ এশিয়ার জটিল সম্পর্ক বোঝা সহজ নয়। যুদ্ধ, অভ্যুত্থান ও সন্ত্রাসের দীর্ঘ ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ধর্মীয় ও ভাষাগত বিরোধ।
অনেক পর্যবেক্ষকের মতে, এ অঞ্চলের রাজনীতি ক্রমেই এমন এক অবস্থায় পৌঁছেছে যেখানে এক পক্ষের লাভ অন্য পক্ষের ক্ষতিতে রূপ নেয়। যেকোনো খেলারই লক্ষ্য ‘জয়’। কিন্তু দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতি যেন ক্রমেই সবার ‘পরাজিত’ হওয়ার খেলায় পরিণত হচ্ছে।

টি–টোয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপ শুরু হয়েছে গত ৭ ফেব্রুয়ারি। ভারত ও শ্রীলঙ্কা বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক। এরই মধ্যে মাঠে নেমেছে ভারত ও পাকিস্তান। বাংলাদেশ তো বিশ্বকাপ থেকে নামই প্রত্যাহার করে নিয়েছে। নিরাপত্তা–ইস্যুতে ভারতের মাটিতে নিজেদের ম্যাচগুলো খেলতে চায়নি বাংলাদেশ। চেয়েছিল ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় খেলতে, আইসিসি রাজি না হওয়ায় বাংলাদেশ নেই এবারের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে।
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলা, না খেলা নিয়ে অনেক জলঘোলা হয়েছে। জানুয়ারি মাসে মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়া হয় হিন্দুত্ববাদীদের হুমকির মুখে। মোস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার কারণটা বলা হয়েছিল ওই নিরাপত্তার জনিত সমস্যার বিষয়টিই। এর প্রতিক্রিয়া হিসেবেই বাংলাদেশ ভারতের মাটিতে না খেলার সিদ্ধান্ত নেয়। শেষ পর্যন্ত আইসিসি রাজি না হওয়ায় বাংলাদেশ বিশ্বকাপই খেলছে না।
আইসিসি বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরাতে রাজি হয়নি। তবে নিজেদের দাবির পক্ষে পাকিস্তানকে পাশে পেয়েছে বাংলাদেশ। পাকিস্তান তো একটা পর্যায়ে বিশ্বকাপ বয়কটের কথাও ভাবছিল। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান সিদ্ধান্ত নেয় ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি বয়কটের। তবে শেষ পর্যন্ত ‘বাংলাদেশের অনুরোধে’ পাকিস্তান ভারতের সঙ্গে ম্যাচ বয়কট থেকে সরে আসে।
ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট এক প্রতিবেদনে বলেছে, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি মিল রয়েছে। সেটি হলো, দুই দেশেরই ভারতের সঙ্গে টানাপোড়েন আছে। এবং প্রভাবশালী প্রতিবেশীর চাপের অভিযোগে ক্ষুব্ধ, নিজেদের পাল্টা অবস্থানও আছে। এসব কারণেই একটি বৈশ্বিক ক্রীড়া আসর দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সংকটের ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।
গত ডিসেম্বরে বিপুল অর্থের বিনিময়ে টি–টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ আইপিএলে বাংলাদেশি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে দলে নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)।
এই বাঁ হাতি বোলারকে দলে নেওয়ার ঘটনায় আপত্তি তোলেন ক্ষমতাসীন বিজেপির সাবেক বিধায়ক সঙ্গীত সোম। পরে আরও কয়েকজন রাজনীতিক এ সমালোচনায় যোগ দেন। কয়েক দিনের মধ্যেই মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার জন্য কেকেআরকে নির্দেশ দেয় ভারতের ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।

২০২৪ সালে ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছেলে ভারতে আশ্রয় নেন। এরেপর থেকে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কর অবনতি হতে থাকে। ভারতীয় গণমাধ্যমে বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর সহিংসতার খবর জোরালোভাবে প্রচার করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ায় ভারতের প্রতি ক্ষুব্ধ বাংলাদেশের একটি অংশ। নয়াদিল্লি সম্পর্ক উন্নত করতে চাইলেও তাদের গণমাধ্যম ও নিম্নপর্যায়ের রাজনৈতিক তৎপরতা সেই প্রচেষ্টাকে জটিল করে তুলছে।
ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট–দ্বৈরথ দারুণ দর্শকপ্রিয়, বিজ্ঞাপনের আয়ও দারুণ লোভনীয়। সেটির বড় অংশই ভারতের কাছে যায়। এই ম্যাচটি বয়কট করে পাকিস্তান ভারতকে অর্থনৈতিকভাবে আঘাত দিতে চেয়েছিল।
পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ভারতের বিপক্ষে খেলতে সম্মত হয়েছে। সমঝোতার অংশ হিসেবে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কোনো আর্থিক জরিমানা আরোপ করা হয়নি, যদিও তারা টুর্নামেন্টের বাইরেই আছে।
দ্য ইকোনমিস্ট বলছে, এ ঘটনাপ্রবাহ ক্রিকেটকে আরও গভীরভাবে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে ফেলেছে। ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া ছাড়া অধিকাংশ দলই আইসিসির অর্থায়নের ওপর নির্ভরশীল। শুরুতে সরে দাঁড়িয়ে পাকিস্তান সরকার হিসাব কষেছিল, ক্রীড়া ও আর্থিক ক্ষতির চেয়ে ভারতের রাজনৈতিক মহলে অস্বস্তি সৃষ্টি করাই বেশি তাৎপর্যপূর্ণ।
ভারতের ক্রিকেট বোর্ড আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন হলেও বাস্তবে তা শাসকদল বিজেপির প্রভাববলয়ে রয়েছে বলে সমালোচকদের অভিযোগ। ২০২৪ সালের শেষ পর্যন্ত এর প্রধান ছিলেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ছেলে জয় শাহ, যিনি বর্তমানে আইসিসির দায়িত্বে আছেন। অন্যদিকে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডও পরিচালনা করছেন ওই দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
দক্ষিণ এশিয়ার জটিল সম্পর্ক বোঝা সহজ নয়। যুদ্ধ, অভ্যুত্থান ও সন্ত্রাসের দীর্ঘ ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ধর্মীয় ও ভাষাগত বিরোধ।
অনেক পর্যবেক্ষকের মতে, এ অঞ্চলের রাজনীতি ক্রমেই এমন এক অবস্থায় পৌঁছেছে যেখানে এক পক্ষের লাভ অন্য পক্ষের ক্ষতিতে রূপ নেয়। যেকোনো খেলারই লক্ষ্য ‘জয়’। কিন্তু দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতি যেন ক্রমেই সবার ‘পরাজিত’ হওয়ার খেলায় পরিণত হচ্ছে।
তারেক রহমান বলেন, “দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় জনগণ বিএনপিকে বিজয়ী করেছে। এ বিজয় বাংলাদেশের, গণতন্ত্রের, গণতন্ত্রকামী জনগণের। আজ থেকে আমরা সবাই স্বাধীন। সকল জনগণকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। গণতন্ত্রের পথ সুগম করেছে।”
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলা, না খেলা নিয়ে অনেক জলঘোলা হয়েছে। জানুয়ারি মাসে মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়া হয় হিন্দুত্ববাদীদের হুমকির মুখে। মোস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার কারণটা বলা হয়েছিল ওই নিরাপত্তার জনিত সমস্যার বিষয়টিই।
গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সারা দেশে একযোগে সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি এদিন দেশজুড়ে গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়।
সংবিধানের তৃতীয় তফশিলে বিভিন্ন পদের শপথ সম্পর্কে বলা হয়েছে, সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন স্পিকার।