
বিডিজেন ডেস্ক

সংযুক্ত আরব আমিরাতে এ বছরের জুলাই থেকে এখন পর্যন্ত ৫০ হাজারের বেশি অবৈধ বাংলাদেশি সাধারণ ক্ষমা পেয়েছে। দেশটির সরকার ১ জুলাই থেকে অবৈধ বিদেশি কর্মীদের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছে।
বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মোহাম্মদ রফিকুল আলম সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এ তথ্য জানান।
মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন, অবৈধ বিদেশি কর্মীদের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকার চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছে। এ সময়ে দেশটিতে অনিয়মিত কিংবা অবৈধ হয়ে পড়া কর্মীরা নতুন কাজে নিয়োগ লাভের সুযোগ পেয়ে বৈধ হয়েছেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের কর্তৃপক্ষের থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ইতিমধ্যে ৫০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি এ সাধারণ ক্ষমার সুযোগ গ্রহণ করেছেন।
মোহাম্মদ রফিকুল আলম আরও বলেন, ‘আমরা আহ্বান জানাই, যেসব বাংলাদেশি এখনো ইইউতে অনিয়মিত কিংবা অবৈধ আছেন, তারা সাধারণ ক্ষমার সুযোগ নিয়ে নিয়মিত কিংবা বৈধ হোন অথবা জেল-জরিমানা ছাড়াই দেশে ফেরত আসার সুযোগ গ্রহণ করুন।’
আরও পড়ুন

সংযুক্ত আরব আমিরাতে এ বছরের জুলাই থেকে এখন পর্যন্ত ৫০ হাজারের বেশি অবৈধ বাংলাদেশি সাধারণ ক্ষমা পেয়েছে। দেশটির সরকার ১ জুলাই থেকে অবৈধ বিদেশি কর্মীদের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছে।
বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মোহাম্মদ রফিকুল আলম সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এ তথ্য জানান।
মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন, অবৈধ বিদেশি কর্মীদের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকার চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছে। এ সময়ে দেশটিতে অনিয়মিত কিংবা অবৈধ হয়ে পড়া কর্মীরা নতুন কাজে নিয়োগ লাভের সুযোগ পেয়ে বৈধ হয়েছেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের কর্তৃপক্ষের থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ইতিমধ্যে ৫০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি এ সাধারণ ক্ষমার সুযোগ গ্রহণ করেছেন।
মোহাম্মদ রফিকুল আলম আরও বলেন, ‘আমরা আহ্বান জানাই, যেসব বাংলাদেশি এখনো ইইউতে অনিয়মিত কিংবা অবৈধ আছেন, তারা সাধারণ ক্ষমার সুযোগ নিয়ে নিয়মিত কিংবা বৈধ হোন অথবা জেল-জরিমানা ছাড়াই দেশে ফেরত আসার সুযোগ গ্রহণ করুন।’
আরও পড়ুন
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।