
বিডিজেন ডেস্ক

সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা চরম আক্রমণের মুখে বলে মন্তব্য করেছে সংবাদপত্রের মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব)। এ পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে এ ধরনের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সংগঠনটি।
সোমবার (২৫ নভেম্বর) নোয়াবের সভাপতি এ কে আজাদের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নোয়াব উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছে, দেশের সংবাদমাধ্যমগুলোর স্বাধীনতার ওপর নানাভাবে আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এরই মধ্যে প্রথম আলো, ডেইলি স্টার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। গত কয়েকদিন ধরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রথম আলোর প্রধান কার্যালয়ের সামনের সড়কে অবস্থান নিয়ে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করেছেন কিছু ব্যক্তি। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেন। সর্বশেষ আজও এ ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত ছিল।
নোয়াব মনে করে, কোনো পত্রিকার পরিবেশিত কোনো সংবাদ বা সম্পাদকীয় নীতিমালা নিয়ে কারও কোনো আপত্তি থাকলে লেখালেখির মাধ্যমে নিজের বুদ্ধিবৃত্তিক অবস্থান ও বক্তব্য তুলে ধরতে পারেন। কিন্তু এভাবে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা সংবাদমাধ্যমে সাংবাদিকতার চর্চা ও পরিবেশকে ব্যাহত করছে।
এ ধরনের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে নোয়াব গণমাধ্যমসহ সব ধরনের প্রতিষ্ঠানে মব জাস্টিস (উচ্ছৃঙ্খল জনতার হাতে বিচার) কঠোর হাতে দমন করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানায়। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার পরিপন্থী কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছে নোয়াব।

সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা চরম আক্রমণের মুখে বলে মন্তব্য করেছে সংবাদপত্রের মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব)। এ পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে এ ধরনের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সংগঠনটি।
সোমবার (২৫ নভেম্বর) নোয়াবের সভাপতি এ কে আজাদের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নোয়াব উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছে, দেশের সংবাদমাধ্যমগুলোর স্বাধীনতার ওপর নানাভাবে আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এরই মধ্যে প্রথম আলো, ডেইলি স্টার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। গত কয়েকদিন ধরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রথম আলোর প্রধান কার্যালয়ের সামনের সড়কে অবস্থান নিয়ে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করেছেন কিছু ব্যক্তি। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেন। সর্বশেষ আজও এ ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত ছিল।
নোয়াব মনে করে, কোনো পত্রিকার পরিবেশিত কোনো সংবাদ বা সম্পাদকীয় নীতিমালা নিয়ে কারও কোনো আপত্তি থাকলে লেখালেখির মাধ্যমে নিজের বুদ্ধিবৃত্তিক অবস্থান ও বক্তব্য তুলে ধরতে পারেন। কিন্তু এভাবে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা সংবাদমাধ্যমে সাংবাদিকতার চর্চা ও পরিবেশকে ব্যাহত করছে।
এ ধরনের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে নোয়াব গণমাধ্যমসহ সব ধরনের প্রতিষ্ঠানে মব জাস্টিস (উচ্ছৃঙ্খল জনতার হাতে বিচার) কঠোর হাতে দমন করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানায়। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার পরিপন্থী কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছে নোয়াব।
মধ্যপ্রাচ্যগামী বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা-সংক্রান্ত প্রতারণা থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং নিরাপদ ও স্বচ্ছ অভিবাসন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। সেবাটি এরই মধ্যে চালু হয়েছে এবং ১৬৭৬৮ নম্বরে ফোন করে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্ষমাপ্রাপ্ত সব বাংলাদেশি ইতিমধ্যেই দেশে ফিরে এসেছেন। তারা ২০২৪ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত জুলাই আন্দোলনের সময় আমিরাতে আটক হয়েছিলেন।
সংলাপে মূলত ৩টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে আলোচনা করা হয়। এগুলো হলো—বায়রাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের পরিকল্পনা, নৈতিক নিয়োগ নিশ্চিতকরণে প্রার্থীদের অঙ্গীকার এবং বাংলাদেশে ও গন্তব্য দেশসমূহে অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খলিলুর রহমান আমেরিকা থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কৃষিপণ্য আমদানি বাড়ানোর ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি সাম্প্রতিক ভিসা বন্ডের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের আমেরিকায় ভ্রমণ সহজ করার অনুরোধ জানান।