
বিডিজেন ডেস্ক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ এবং আহতদের চিকিৎসায় সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘৭৮ জন অতি গুরুতর আহত জুলাইযোদ্ধাকে সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, তুরুস্ক এবং রাশিয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। তাদের চিকিৎসা ব্যয় বাবদ এখন পর্যন্ত প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। আহতদের পুনর্বাসনের জন্য সরকারের সবকটি মন্ত্রণালয়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) রাত ৮টা ২০ মিনিটে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এই কথা বলেন।
মুহাম্মদ ইউনূস বলেন ‘এখন পর্যন্ত ৭৭৫ শহিদ পরিবারকে প্রায় ১০০ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র ও মাসিক ভাতা বাবদ ব্যাংক চেক দেওয়া হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘অবশিষ্ট যারা আছেন, তাদেরও কয়েকটি আইনগত বিষয় নিষ্পত্তি সাপেক্ষে সঞ্চয়পত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এর পাশাপাশি আহত ১৩ হাজার ৮০০ জন জুলাইযোদ্ধাকে ৩টি ক্যাটাগরিতে নগদ টাকা ও চেক বাবদ মোট ১৫৩ কোটি ৪ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে।’

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ এবং আহতদের চিকিৎসায় সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘৭৮ জন অতি গুরুতর আহত জুলাইযোদ্ধাকে সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, তুরুস্ক এবং রাশিয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। তাদের চিকিৎসা ব্যয় বাবদ এখন পর্যন্ত প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। আহতদের পুনর্বাসনের জন্য সরকারের সবকটি মন্ত্রণালয়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) রাত ৮টা ২০ মিনিটে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এই কথা বলেন।
মুহাম্মদ ইউনূস বলেন ‘এখন পর্যন্ত ৭৭৫ শহিদ পরিবারকে প্রায় ১০০ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র ও মাসিক ভাতা বাবদ ব্যাংক চেক দেওয়া হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘অবশিষ্ট যারা আছেন, তাদেরও কয়েকটি আইনগত বিষয় নিষ্পত্তি সাপেক্ষে সঞ্চয়পত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এর পাশাপাশি আহত ১৩ হাজার ৮০০ জন জুলাইযোদ্ধাকে ৩টি ক্যাটাগরিতে নগদ টাকা ও চেক বাবদ মোট ১৫৩ কোটি ৪ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে।’
আজ মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে মরদেহগুলো সিলেট এম এ জি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। এ সময় প্রিয়জন হারানো স্বজনদের কান্না ও আহাজারিতে হৃদয়বিদারক পরিবেশ তৈরি হয়।
সৌদি আরবের দাম্মাম শহরে একটি বৈদ্যুতিক প্যানেল বোর্ডে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করছিলেন ইব্রাহিম। কাজের একপর্যায়ে বোর্ডের ভেতরে থাকা উচ্চক্ষমতার সার্কিট ব্রেকারে হঠাৎ বিকট শব্দে একটি ইলেকট্রিক্যাল আর্ক ব্লাস্ট ঘটে।
নিহতরা হলেন—নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলামের ছেলে কামাল উদ্দিন বাবুল, তার স্ত্রী আরজু বেগম এবং তাদের পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশা।
দুই পক্ষ শিক্ষা, কৃষি ও বাণিজ্যসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অংশীদারত্বকে এগিয়ে নেওয়ার যৌথ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।