
প্রতিবেদক, বিডিজেন

প্রবাসীদের ভোটাধিকারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধিদল আলোচনা করেছে বলে জানিয়েছেন দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের।
আজ সোমবার (১৩ অক্টোবর) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইসির সঙ্গে বৈঠক শেষে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেন, ‘প্রবাসীদের ভোটের বিষয়টি, যেটা অনেক গুরুত্ব পেয়েছে। আপনারা জানেন, আমি কয়েক দিন আগে জাতিসংঘের মিটিং থেকে এসেছি। সেখানে [নিউইয়র্ক] নন-রেসিডেন্ট বাংলাদেশিদের (এনআরবি) একটি সম্মেলনে ছিলাম। সেখানে এই দাবিটা জোরালো ছিল যে, তাদের ভোটাধিকার থাকতে হবে। আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম দেশে ফিরে এই বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করব। আজ সেই প্রতিশ্রুতি পূর্ণ হলো।
‘আমরা এই বিষয়ে আলোচনা করেছি। তাদের [প্রবাসী] দুটি সমস্যার কথা তুলেছিলাম—একটা হচ্ছে আইডি কার্ড। এটা অবশ্যই হবে, যদিও কিছু জটিলতা আছে। তার বাইরে অন্য কোনো ডকুমেন্ট দিয়ে করা যায় কি না, আজ নির্বাচন কমিশন বলেছে যে, জন্মসনদের মাধ্যমেও ভোটার হওয়া সম্ভব। এতে একটা সমাধান পাওয়া যেতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘তাদের [প্রবাসী] ভোট কার্যক্রমের ব্যাপারে বিভিন্ন দেশে কাজ শুরু হয়েছে। কোনো কোনো দেশে [কমিশন] তিন-চারটি করে সেন্টার স্থাপন করেছে। সব মিলিয়ে একটি প্রস্তুতি তারা নিচ্ছে, যা নিয়ে আমরা আপাতত সন্তুষ্ট।
‘আরেকটি বিষয় ছিল ভোটার তালিকা আপডেট করার। তারা [কমিশন] বলেছে, অক্টোবরের মধ্যেই কাজ শেষ করবে। আমরা বলেছি—ভোট দেওয়ার জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করা যায় কি না, যাতে জাল ভোট না হয়। কমিশন জানিয়েছে, ভোটার তালিকায় ছবিগুলো রিফ্রেশ করার চেষ্টা চলছে। যদি সেটা সম্পন্ন হয়, তাহলে আলাদা কিছু প্রয়োজন হবে না।’
আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিব উপস্থিত ছিলেন। অন্য দিকে নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহেরের নেতৃত্বে জামায়াতের প্রতিনিধিদলে এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন সরকার ও মতিউর রহমান আকন্দ বৈঠকে অংশ নেন।

প্রবাসীদের ভোটাধিকারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধিদল আলোচনা করেছে বলে জানিয়েছেন দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের।
আজ সোমবার (১৩ অক্টোবর) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইসির সঙ্গে বৈঠক শেষে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেন, ‘প্রবাসীদের ভোটের বিষয়টি, যেটা অনেক গুরুত্ব পেয়েছে। আপনারা জানেন, আমি কয়েক দিন আগে জাতিসংঘের মিটিং থেকে এসেছি। সেখানে [নিউইয়র্ক] নন-রেসিডেন্ট বাংলাদেশিদের (এনআরবি) একটি সম্মেলনে ছিলাম। সেখানে এই দাবিটা জোরালো ছিল যে, তাদের ভোটাধিকার থাকতে হবে। আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম দেশে ফিরে এই বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করব। আজ সেই প্রতিশ্রুতি পূর্ণ হলো।
‘আমরা এই বিষয়ে আলোচনা করেছি। তাদের [প্রবাসী] দুটি সমস্যার কথা তুলেছিলাম—একটা হচ্ছে আইডি কার্ড। এটা অবশ্যই হবে, যদিও কিছু জটিলতা আছে। তার বাইরে অন্য কোনো ডকুমেন্ট দিয়ে করা যায় কি না, আজ নির্বাচন কমিশন বলেছে যে, জন্মসনদের মাধ্যমেও ভোটার হওয়া সম্ভব। এতে একটা সমাধান পাওয়া যেতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘তাদের [প্রবাসী] ভোট কার্যক্রমের ব্যাপারে বিভিন্ন দেশে কাজ শুরু হয়েছে। কোনো কোনো দেশে [কমিশন] তিন-চারটি করে সেন্টার স্থাপন করেছে। সব মিলিয়ে একটি প্রস্তুতি তারা নিচ্ছে, যা নিয়ে আমরা আপাতত সন্তুষ্ট।
‘আরেকটি বিষয় ছিল ভোটার তালিকা আপডেট করার। তারা [কমিশন] বলেছে, অক্টোবরের মধ্যেই কাজ শেষ করবে। আমরা বলেছি—ভোট দেওয়ার জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করা যায় কি না, যাতে জাল ভোট না হয়। কমিশন জানিয়েছে, ভোটার তালিকায় ছবিগুলো রিফ্রেশ করার চেষ্টা চলছে। যদি সেটা সম্পন্ন হয়, তাহলে আলাদা কিছু প্রয়োজন হবে না।’
আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিব উপস্থিত ছিলেন। অন্য দিকে নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহেরের নেতৃত্বে জামায়াতের প্রতিনিধিদলে এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন সরকার ও মতিউর রহমান আকন্দ বৈঠকে অংশ নেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”
মানুষের জীবন যেমন প্রেম ভালোবাসায় পূর্ণ থাকে, ঠিক তেমনি থাকে সম্পর্কের টানাপোড়েন। অধিকাংশ মানুষ শেষ বয়সে জীবন একাকীত্বর জীবনে পরিণত হয়ে যায়।