

বিডিজেন ডেস্ক

ব্র্যাক জানিয়েছে, আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করাই তাদের লক্ষ্য। এ ক্ষেত্রে নারী ও তরুণদের কেন্দ্র করে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
আজ সোমবার (১৮ মে) চট্টগ্রাম নগরের একটি হোটেলে আয়োজিত ব্র্যাকের ‘বার্ষিক প্রতিবেদন ২০২৫’-এর চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রকাশনা অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
ব্র্যাক জানায়, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, দুর্যোগ ও সংকট মোকাবিলা, পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি (ওয়াশ), জলবায়ু সহনশীলতা, অভিবাসন এবং দক্ষতা উন্নয়নমূলক কর্মসূচির মাধ্যমে চট্টগ্রাম বিভাগের প্রতি ৬ জন বাসিন্দার মধ্যে একজনের কাছে তাদের উন্নয়ন কার্যক্রম পৌঁছেছে।
আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে চায় প্রতিষ্ঠানটি। এ জন্য নারী ও তরুণদের কেন্দ্র করে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন, মানসম্মত শিক্ষা, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা এবং জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
বর্তমানে চট্টগ্রাম বিভাগে ব্র্যাকের ১৫ হাজার ৯৮৪ জন কর্মী বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজ করছেন, যাদের মধ্যে ৩৭ শতাংশ নারী।
সামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় ৯১৫টি অফিস এবং সামাজিক উদ্যোগের আওতায় ৩৯টি অফিসের মাধ্যমে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
ব্র্যাকের অ্যাডভোকেসি, কমিউনিকেশনস অ্যান্ড এনগেজমেন্ট বিভাগের সিনিয়র পরিচালক কে এ এম মোরশেদ চট্টগ্রাম বিভাগে চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, আগামী পাঁচ বছরের কৌশলগত অগ্রাধিকার এবং সমন্বিত উন্নয়ন পদ্ধতি তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, রাজনৈতিক নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা তাদের মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেন।
বক্তব্যে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন টেকসই নগরী হিসেবে চট্টগ্রামের উন্নয়নে ব্র্যাককে সহযোগিতার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে ব্র্যাক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি আরও জানান, কিশোর গ্যাং, মাদক ও সন্ত্রাসবাদের মতো সামাজিক সমস্যা থেকে তরুণদের সুরক্ষায় কিশোর ও যুবকদের জন্য খেলার মাঠ উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কে এ এম মোরশেদ বলেন, ব্র্যাকের ৮০ শতাংশের বেশি কার্যক্রম নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত হয়, আর দাতাদের সহায়তা আসে মাত্র ১৮ থেকে ১৯ শতাংশ।
তিনি বলেন, “এর ফলে বাইরের অনুমোদন বা পরামর্শ ছাড়াই দেশের মানুষ ও বাস্তব প্রয়োজনের ভিত্তিতে ব্র্যাক স্বাধীনভাবে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, যদিও ব্র্যাকের কার্যক্রম বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত হয়েছে, তবুও বাংলাদেশ ও দেশের মানুষই সংস্থাটির সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
তিনি বলেন, “ব্র্যাকের জন্ম বাংলাদেশে এবং এটি বাংলাদেশেরই প্রতিষ্ঠান।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, মানুষের অসীম সম্ভাবনাকে জাগিয়ে তোলা এবং তাদের এগিয়ে যেতে সহায়তা করাই ব্র্যাকের অন্যতম মূল দর্শন।
চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাঠান মো. সাইদুজ্জামান বলেন, সরকারের পর তৃণমূল পর্যায়ে সবচেয়ে সুসংগঠিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে ব্র্যাক।
তিনি দক্ষ যুবশক্তি গড়ে তুলতে ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের সুপারিশ করেন।
চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, দেশে মোট মৃত্যুর ৭০ শতাংশের জন্য দায়ী অসংক্রামক রোগ।
তিনি সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যশিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, এ ক্ষেত্রে ব্র্যাক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. নাজিমুল হক বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও স্যানিটেশন বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে এনজিওগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তিনি ব্র্যাকসহ অন্য এনজিওকে এই অবদান অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দিন।
এ ছাড়া, বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক ডা. শেখ ফজলে রাব্বি; জামায়াতে ইসলামির চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সেক্রেটারি প্রিন্সিপাল মুহাম্মদ নুরুল আমিন; সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) চট্টগ্রামের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন মজুমদার; পাবলিক প্রসিকিউটর মফিজুল হক ভূঁইয়া; নারী উদ্যোক্তা সুলতানা জাহান; চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি; এবং এনসিপির চট্টগ্রাম বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইফরাত ইব্রাহিমসহ অনেকে।
ব্র্যাকের সমন্বিত উন্নয়ন কর্মসূচির (আইডিপি) সিনিয়র ম্যানেজার আঞ্জুমান আরা বেগম চট্টগ্রাম বিভাগে ২০২৫ সালের কার্যক্রমের সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বিভাগে ৮ হাজার ৫০৭টি অতিদরিদ্র পরিবার আর্থিক সহায়তা পেয়েছে এবং ১০ হাজার ৩৯৪ পরিবার চরম দারিদ্র্য থেকে উত্তরণ ঘটাতে সক্ষম হয়েছে।
এ ছাড়া, ৯ হাজার ৪৬৪ জন জলবায়ু সহনশীলতা সহায়তা পেয়েছেন এবং ৪৭১ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
ব্র্যাকের ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচির আওতায় ২৭ লাখ ৭০ হাজার মানুষ আর্থিক সেবা পেয়েছেন। ১৪ লাখ ১৩ হাজার ৯৬৫ সদস্যের মধ্যে ৮৯ দশমিক ৮ শতাংশই নারী। পাশাপাশি উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ১ হাজার ১৭৬ জন বেকার যুবককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
কমিউনিটি-ভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের মাধ্যমে ২ লাখ ৩ হাজার ৮২২ জন মানুষ সেবা পেয়েছেন। এ ছাড়া, ১৩ হাজার ৬৬৬ জন গর্ভবতী নারী পূর্ণাঙ্গ প্রসূতি-পূর্ব সেবা পেয়েছেন এবং ৭ হাজার ২১৩টি নিরাপদ প্রসব নিশ্চিত করা হয়েছে। ৩৮ হাজার ৬০৪ জনের চোখ পরীক্ষা এবং ১০ হাজার ১১৯ জোড়া চশমা বিতরণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে গত এক বছরে শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ সহনশীলতা, জেন্ডার সমতা এবং সামাজিক উদ্যোগ খাতে ব্র্যাকের কার্যক্রমও তুলে ধরা হয়।

ব্র্যাক জানিয়েছে, আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করাই তাদের লক্ষ্য। এ ক্ষেত্রে নারী ও তরুণদের কেন্দ্র করে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
আজ সোমবার (১৮ মে) চট্টগ্রাম নগরের একটি হোটেলে আয়োজিত ব্র্যাকের ‘বার্ষিক প্রতিবেদন ২০২৫’-এর চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রকাশনা অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
ব্র্যাক জানায়, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, দুর্যোগ ও সংকট মোকাবিলা, পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি (ওয়াশ), জলবায়ু সহনশীলতা, অভিবাসন এবং দক্ষতা উন্নয়নমূলক কর্মসূচির মাধ্যমে চট্টগ্রাম বিভাগের প্রতি ৬ জন বাসিন্দার মধ্যে একজনের কাছে তাদের উন্নয়ন কার্যক্রম পৌঁছেছে।
আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে চায় প্রতিষ্ঠানটি। এ জন্য নারী ও তরুণদের কেন্দ্র করে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন, মানসম্মত শিক্ষা, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা এবং জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
বর্তমানে চট্টগ্রাম বিভাগে ব্র্যাকের ১৫ হাজার ৯৮৪ জন কর্মী বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজ করছেন, যাদের মধ্যে ৩৭ শতাংশ নারী।
সামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় ৯১৫টি অফিস এবং সামাজিক উদ্যোগের আওতায় ৩৯টি অফিসের মাধ্যমে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
ব্র্যাকের অ্যাডভোকেসি, কমিউনিকেশনস অ্যান্ড এনগেজমেন্ট বিভাগের সিনিয়র পরিচালক কে এ এম মোরশেদ চট্টগ্রাম বিভাগে চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, আগামী পাঁচ বছরের কৌশলগত অগ্রাধিকার এবং সমন্বিত উন্নয়ন পদ্ধতি তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, রাজনৈতিক নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা তাদের মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেন।
বক্তব্যে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন টেকসই নগরী হিসেবে চট্টগ্রামের উন্নয়নে ব্র্যাককে সহযোগিতার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে ব্র্যাক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি আরও জানান, কিশোর গ্যাং, মাদক ও সন্ত্রাসবাদের মতো সামাজিক সমস্যা থেকে তরুণদের সুরক্ষায় কিশোর ও যুবকদের জন্য খেলার মাঠ উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কে এ এম মোরশেদ বলেন, ব্র্যাকের ৮০ শতাংশের বেশি কার্যক্রম নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত হয়, আর দাতাদের সহায়তা আসে মাত্র ১৮ থেকে ১৯ শতাংশ।
তিনি বলেন, “এর ফলে বাইরের অনুমোদন বা পরামর্শ ছাড়াই দেশের মানুষ ও বাস্তব প্রয়োজনের ভিত্তিতে ব্র্যাক স্বাধীনভাবে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, যদিও ব্র্যাকের কার্যক্রম বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত হয়েছে, তবুও বাংলাদেশ ও দেশের মানুষই সংস্থাটির সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
তিনি বলেন, “ব্র্যাকের জন্ম বাংলাদেশে এবং এটি বাংলাদেশেরই প্রতিষ্ঠান।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, মানুষের অসীম সম্ভাবনাকে জাগিয়ে তোলা এবং তাদের এগিয়ে যেতে সহায়তা করাই ব্র্যাকের অন্যতম মূল দর্শন।
চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাঠান মো. সাইদুজ্জামান বলেন, সরকারের পর তৃণমূল পর্যায়ে সবচেয়ে সুসংগঠিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে ব্র্যাক।
তিনি দক্ষ যুবশক্তি গড়ে তুলতে ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের সুপারিশ করেন।
চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, দেশে মোট মৃত্যুর ৭০ শতাংশের জন্য দায়ী অসংক্রামক রোগ।
তিনি সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যশিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, এ ক্ষেত্রে ব্র্যাক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. নাজিমুল হক বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও স্যানিটেশন বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে এনজিওগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তিনি ব্র্যাকসহ অন্য এনজিওকে এই অবদান অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দিন।
এ ছাড়া, বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক ডা. শেখ ফজলে রাব্বি; জামায়াতে ইসলামির চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সেক্রেটারি প্রিন্সিপাল মুহাম্মদ নুরুল আমিন; সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) চট্টগ্রামের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন মজুমদার; পাবলিক প্রসিকিউটর মফিজুল হক ভূঁইয়া; নারী উদ্যোক্তা সুলতানা জাহান; চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি; এবং এনসিপির চট্টগ্রাম বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইফরাত ইব্রাহিমসহ অনেকে।
ব্র্যাকের সমন্বিত উন্নয়ন কর্মসূচির (আইডিপি) সিনিয়র ম্যানেজার আঞ্জুমান আরা বেগম চট্টগ্রাম বিভাগে ২০২৫ সালের কার্যক্রমের সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বিভাগে ৮ হাজার ৫০৭টি অতিদরিদ্র পরিবার আর্থিক সহায়তা পেয়েছে এবং ১০ হাজার ৩৯৪ পরিবার চরম দারিদ্র্য থেকে উত্তরণ ঘটাতে সক্ষম হয়েছে।
এ ছাড়া, ৯ হাজার ৪৬৪ জন জলবায়ু সহনশীলতা সহায়তা পেয়েছেন এবং ৪৭১ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
ব্র্যাকের ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচির আওতায় ২৭ লাখ ৭০ হাজার মানুষ আর্থিক সেবা পেয়েছেন। ১৪ লাখ ১৩ হাজার ৯৬৫ সদস্যের মধ্যে ৮৯ দশমিক ৮ শতাংশই নারী। পাশাপাশি উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ১ হাজার ১৭৬ জন বেকার যুবককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
কমিউনিটি-ভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের মাধ্যমে ২ লাখ ৩ হাজার ৮২২ জন মানুষ সেবা পেয়েছেন। এ ছাড়া, ১৩ হাজার ৬৬৬ জন গর্ভবতী নারী পূর্ণাঙ্গ প্রসূতি-পূর্ব সেবা পেয়েছেন এবং ৭ হাজার ২১৩টি নিরাপদ প্রসব নিশ্চিত করা হয়েছে। ৩৮ হাজার ৬০৪ জনের চোখ পরীক্ষা এবং ১০ হাজার ১১৯ জোড়া চশমা বিতরণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে গত এক বছরে শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ সহনশীলতা, জেন্ডার সমতা এবং সামাজিক উদ্যোগ খাতে ব্র্যাকের কার্যক্রমও তুলে ধরা হয়।
আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে চায় প্রতিষ্ঠানটি। এ জন্য নারী ও তরুণদের কেন্দ্র করে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন, মানসম্মত শিক্ষা, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা এবং জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
আরিফুল হক চৌধুরী কাতারকে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য একটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় শ্রমবাজার হিসেবেও উল্লেখ করেন। তিনি জানান, বর্তমানে ৪ লাখেরও বেশি বাংলাদেশি কর্মী কাতারের বিভিন্ন উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় দক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে অবদান রাখছেন।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রায় ৯৪ হাজার বর্গমিটার এলাকায় এই ওয়াইফাই সেবা সহজলভ্য করা হয়েছে। কভারেজের মধ্যে রয়েছে টার্মিনাল ১, টার্মিনাল ২, ডোমেস্টিক টার্মিনাল, ভিআইপি টার্মিনাল, ভিভিআইপি টার্মিনাল ও কার পার্কিং এলাকা।
প্রাথমিকভাবে বৈধভাবে বিদেশে কর্মরত এবং সরকার অনুমোদিত উপায়ে রেমিট্যান্স পাঠানো বাংলাদেশিরাই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই কার্ড পাবেন বলে জানা গেছে। বিশেষ করে যেসব প্রবাসীর বৈধ পাসপোর্ট, কর্ম অনুমতি এবং নিবন্ধিত তথ্য রয়েছে, তাদের তথ্য যাচাই শেষে পর্যায়ক্রমে কার্ড বিতরণ করা হবে।