
বিডিজেন ডেস্ক

যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের বাংলাদেশি–অধ্যুষিত টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের মাইলএন্ড ওয়ার্ডে ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে ২০ বছর বয়সী হাসান নামের এক ব্রিটিশ বাংলাদেশি তরুণ নিহত হয়েছে। ওই ভাইকে গ্রেপ্তার করলেও তাঁর নাম প্রকাশ করেনি পুলিশ। এ ঘটনায় ১৬ বছর বয়সী এক কিশোর ও ২০ বছর বয়সী এক তরুণী আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
খবর প্রথম আলোর।
স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় বুধবার (৩০ এপ্রিল) দিবাগত রাতে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা–কাটাকাটির জের ধরে এ ঘটনা ঘটে। এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডটি কাউন্সিল বিল্ডিং ব্লকের ভেতরে একটি ফ্ল্যাটে ধারালো অস্ত্রের উপর্যুপরি আঘাতে সংঘটিত হয়।
লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি সূত্র বৃহস্পতিবার জানায়, মাইলএন্ড এলাকার একটি আবাসিক ভবনে গুরুতর হামলার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় তারা। সেখানে পৌঁছে জরুরি বিভাগের কর্মীরা ২০ বছর বয়সী এক যুবককে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন। কিছুক্ষণ পর ওই যুবক মারা যায়। কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। টাওয়ার হ্যামলেটস পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে তারা এটিকে একটি সন্দেহজনক মৃত্যু হিসেবে গণ্য করছে। দুই ভাইয়ের বচসার মধ্যে সংঘটিত এ মর্মান্তিক ঘটনার কারণ উদ্ঘাটনে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে।
ছুরিকাঘাতে হত্যার এ ঘটনার পাশাপাশি ১৬ বছর বয়সী আরও এক কিশোর ও ২০ বছর বয়সী এক তরুণী আহত হয়েছে এবং বর্তমানে তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের আঘাতের বিস্তারিত এখনো জানা যায়নি।
নিহত হাসানের বাবা সালেহ আহমদ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ ঘটনার জন্য সোশ্যাল সার্ভিসকে (সরকারি সংস্থা) দায়ী করেন। তিনি বলেন, বহু বছর আগে তাঁরা স্বামী-স্ত্রী আলাদা হয়ে যান। এর পর থেকে সন্তানেরা সোশ্যাল সার্ভিসের অধীনে ছিলেন। বহুবার তিনি সন্তানদের নিজের সঙ্গে রাখার জন্য এবং সন্তানেরাও বাবার সঙ্গে থাকার ইচ্ছা পোষণ করলেও সোশ্যাল সার্ভিস সেই অনুমতি দেয়নি। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ‘সন্তানেরা আমার সঙ্গে থাকলে আজ এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটত না।’
স্থানীয় বাসিন্দারা দুই ভাইয়ের মধ্যে সংঘটিত এ সহিংস ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এ ঘটনা পুরো কমিউনিটিকে স্তম্ভিত করে দিয়েছে, যেখানে একজন তরুণ প্রাণ হারিয়েছেন এবং আরও দুজন আহত হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনার কোনো প্রত্যক্ষদর্শী বা কারও কাছে কোনো তথ্য থাকলে তা জানানোর জন্য অনুরোধ করেছে, যাতে তদন্তে সাহায্য হয়।
হত্যাকাণ্ডের খবরটি স্থানীয় কাউন্সিলর মোহাম্মদ চৌধুরী নিশ্চিত করেছেন। নিহত যুবকের বাবার বাংলাদেশের গ্রামের বাড়ির সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ উপজেলায়।
সূত্র: প্রথম আলো

যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের বাংলাদেশি–অধ্যুষিত টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের মাইলএন্ড ওয়ার্ডে ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে ২০ বছর বয়সী হাসান নামের এক ব্রিটিশ বাংলাদেশি তরুণ নিহত হয়েছে। ওই ভাইকে গ্রেপ্তার করলেও তাঁর নাম প্রকাশ করেনি পুলিশ। এ ঘটনায় ১৬ বছর বয়সী এক কিশোর ও ২০ বছর বয়সী এক তরুণী আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
খবর প্রথম আলোর।
স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় বুধবার (৩০ এপ্রিল) দিবাগত রাতে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা–কাটাকাটির জের ধরে এ ঘটনা ঘটে। এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডটি কাউন্সিল বিল্ডিং ব্লকের ভেতরে একটি ফ্ল্যাটে ধারালো অস্ত্রের উপর্যুপরি আঘাতে সংঘটিত হয়।
লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি সূত্র বৃহস্পতিবার জানায়, মাইলএন্ড এলাকার একটি আবাসিক ভবনে গুরুতর হামলার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় তারা। সেখানে পৌঁছে জরুরি বিভাগের কর্মীরা ২০ বছর বয়সী এক যুবককে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন। কিছুক্ষণ পর ওই যুবক মারা যায়। কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। টাওয়ার হ্যামলেটস পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে তারা এটিকে একটি সন্দেহজনক মৃত্যু হিসেবে গণ্য করছে। দুই ভাইয়ের বচসার মধ্যে সংঘটিত এ মর্মান্তিক ঘটনার কারণ উদ্ঘাটনে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে।
ছুরিকাঘাতে হত্যার এ ঘটনার পাশাপাশি ১৬ বছর বয়সী আরও এক কিশোর ও ২০ বছর বয়সী এক তরুণী আহত হয়েছে এবং বর্তমানে তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের আঘাতের বিস্তারিত এখনো জানা যায়নি।
নিহত হাসানের বাবা সালেহ আহমদ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ ঘটনার জন্য সোশ্যাল সার্ভিসকে (সরকারি সংস্থা) দায়ী করেন। তিনি বলেন, বহু বছর আগে তাঁরা স্বামী-স্ত্রী আলাদা হয়ে যান। এর পর থেকে সন্তানেরা সোশ্যাল সার্ভিসের অধীনে ছিলেন। বহুবার তিনি সন্তানদের নিজের সঙ্গে রাখার জন্য এবং সন্তানেরাও বাবার সঙ্গে থাকার ইচ্ছা পোষণ করলেও সোশ্যাল সার্ভিস সেই অনুমতি দেয়নি। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ‘সন্তানেরা আমার সঙ্গে থাকলে আজ এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটত না।’
স্থানীয় বাসিন্দারা দুই ভাইয়ের মধ্যে সংঘটিত এ সহিংস ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এ ঘটনা পুরো কমিউনিটিকে স্তম্ভিত করে দিয়েছে, যেখানে একজন তরুণ প্রাণ হারিয়েছেন এবং আরও দুজন আহত হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনার কোনো প্রত্যক্ষদর্শী বা কারও কাছে কোনো তথ্য থাকলে তা জানানোর জন্য অনুরোধ করেছে, যাতে তদন্তে সাহায্য হয়।
হত্যাকাণ্ডের খবরটি স্থানীয় কাউন্সিলর মোহাম্মদ চৌধুরী নিশ্চিত করেছেন। নিহত যুবকের বাবার বাংলাদেশের গ্রামের বাড়ির সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ উপজেলায়।
সূত্র: প্রথম আলো
মধ্যপ্রাচ্যগামী বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা-সংক্রান্ত প্রতারণা থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং নিরাপদ ও স্বচ্ছ অভিবাসন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। সেবাটি এরই মধ্যে চালু হয়েছে এবং ১৬৭৬৮ নম্বরে ফোন করে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্ষমাপ্রাপ্ত সব বাংলাদেশি ইতিমধ্যেই দেশে ফিরে এসেছেন। তারা ২০২৪ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত জুলাই আন্দোলনের সময় আমিরাতে আটক হয়েছিলেন।
সংলাপে মূলত ৩টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে আলোচনা করা হয়। এগুলো হলো—বায়রাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের পরিকল্পনা, নৈতিক নিয়োগ নিশ্চিতকরণে প্রার্থীদের অঙ্গীকার এবং বাংলাদেশে ও গন্তব্য দেশসমূহে অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খলিলুর রহমান আমেরিকা থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কৃষিপণ্য আমদানি বাড়ানোর ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি সাম্প্রতিক ভিসা বন্ডের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের আমেরিকায় ভ্রমণ সহজ করার অনুরোধ জানান।