
বিডিজেন ডেস্ক

যুক্তরাজ্য, কানাডা ও জার্মানিসহ বিশ্বের ১৩টি দেশ তাদের দূতাবাসগুলো থেকে ভিসাসহ সেবা নেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশি নাগরিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ ও কয়েকটি নির্দেশনা দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ভিসা, পারমিট ও অন্য কনস্যুলার সেবা গ্রহণে আবেদনকারীদের দাপ্তরিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।
১৩টি দেশ স্বাক্ষরিত এক যৌথ বিবৃতিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলো হচ্ছে—যুক্তরাজ্য, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, হাঙ্গেরি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, স্পেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া।
জার্মানিসহ ঢাকায় নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকটি দেশের দূতাবাস তাদের ফেসবুক পেজে বিবৃতিটি প্রকাশ করেছে।
১৩টি দেশের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভিসার জন্য আবেদন করতে হলে অবশ্যই নির্ধারিত সরকারি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। জাল কাগজপত্র ব্যবহার, অবিশ্বস্ত বা লাইসেন্সবিহীন এজেন্টের সহায়তা নেওয়া কিংবা অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে অর্থ দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
এ ধরনের অনিয়মের কারণে ভিসাপ্রক্রিয়ায় বিলম্ব, আর্থিক ক্ষতি, সীমান্তে প্রবেশে বাধা ও গুরুতর আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে বলেও যৌথ বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, কোনো দেশের মিশন বা দূতাবাস কোনো এজেন্টের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়। কাজেই ভিসাপ্রক্রিয়ায় বিশেষ সুবিধা বা প্রভাব বিস্তারের দাবি করে, এমন মধ্যস্থতাকারীদের ওপর নির্ভর না করতে বিশেষভাবে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আবেদনকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে যাচাইকৃত তথ্য ও সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারি চ্যানেলের মাধ্যমে সব ধরনের ভিসাসংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, এতে সবার জন্য নিরাপদ, স্বচ্ছ ও ন্যায্য আবেদনের প্রক্রিয়া নিশ্চিত হবে।

যুক্তরাজ্য, কানাডা ও জার্মানিসহ বিশ্বের ১৩টি দেশ তাদের দূতাবাসগুলো থেকে ভিসাসহ সেবা নেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশি নাগরিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ ও কয়েকটি নির্দেশনা দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ভিসা, পারমিট ও অন্য কনস্যুলার সেবা গ্রহণে আবেদনকারীদের দাপ্তরিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।
১৩টি দেশ স্বাক্ষরিত এক যৌথ বিবৃতিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলো হচ্ছে—যুক্তরাজ্য, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, হাঙ্গেরি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, স্পেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া।
জার্মানিসহ ঢাকায় নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকটি দেশের দূতাবাস তাদের ফেসবুক পেজে বিবৃতিটি প্রকাশ করেছে।
১৩টি দেশের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভিসার জন্য আবেদন করতে হলে অবশ্যই নির্ধারিত সরকারি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। জাল কাগজপত্র ব্যবহার, অবিশ্বস্ত বা লাইসেন্সবিহীন এজেন্টের সহায়তা নেওয়া কিংবা অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে অর্থ দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
এ ধরনের অনিয়মের কারণে ভিসাপ্রক্রিয়ায় বিলম্ব, আর্থিক ক্ষতি, সীমান্তে প্রবেশে বাধা ও গুরুতর আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে বলেও যৌথ বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, কোনো দেশের মিশন বা দূতাবাস কোনো এজেন্টের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়। কাজেই ভিসাপ্রক্রিয়ায় বিশেষ সুবিধা বা প্রভাব বিস্তারের দাবি করে, এমন মধ্যস্থতাকারীদের ওপর নির্ভর না করতে বিশেষভাবে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আবেদনকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে যাচাইকৃত তথ্য ও সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারি চ্যানেলের মাধ্যমে সব ধরনের ভিসাসংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, এতে সবার জন্য নিরাপদ, স্বচ্ছ ও ন্যায্য আবেদনের প্রক্রিয়া নিশ্চিত হবে।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”
মানুষের জীবন যেমন প্রেম ভালোবাসায় পূর্ণ থাকে, ঠিক তেমনি থাকে সম্পর্কের টানাপোড়েন। অধিকাংশ মানুষ শেষ বয়সে জীবন একাকীত্বর জীবনে পরিণত হয়ে যায়।