
বিডিজেন ডেস্ক

সংযুক্ত আরব আমিরাতে মোছাফফায় ওপরে লোহার অ্যাঙ্গেল ওয়েলডিংয়ের কাজ করার সময় নিচে পড়ে মারা গেছেন চট্টগ্রামের রাউজানের উরকিরচরের এমরান হোসেন (৪২) নামে এক প্রবাসী।
খবর দৈনিক পূর্বকোণের।
এমরান হোসেন উরকিরচর ইউপির উরকিরচর গ্রামের মৃত ছাবের আহম্মদের ছেলে।
শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১১টার দিকে এমরানের চাচাতো ভাই সাইফুদ্দিন আত্তারি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, এমরান শনিবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা এবং আমিরাত সময় বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মোছাফফা এলাকায় একটি সেমিপাকা ঘরে অ্যাঙ্গেল ফিটিংয়ের জন্য ওপরে উঠে ওয়লেডিং করছিলেন। এ সময় তিনি ওপর থেকে অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে যান। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
জানা যায়, এমরান ১ ছেলে ও ১ মেয়ের জনক। তিনি গত প্রায় ২২ বছর ধরে প্রবাস ছিলেন। তিনি প্রবাসে একটি গ্যারেজের দোকান দিয়েছিলেন।
সূত্র: দৈনিক পূর্বকোণ

সংযুক্ত আরব আমিরাতে মোছাফফায় ওপরে লোহার অ্যাঙ্গেল ওয়েলডিংয়ের কাজ করার সময় নিচে পড়ে মারা গেছেন চট্টগ্রামের রাউজানের উরকিরচরের এমরান হোসেন (৪২) নামে এক প্রবাসী।
খবর দৈনিক পূর্বকোণের।
এমরান হোসেন উরকিরচর ইউপির উরকিরচর গ্রামের মৃত ছাবের আহম্মদের ছেলে।
শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১১টার দিকে এমরানের চাচাতো ভাই সাইফুদ্দিন আত্তারি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, এমরান শনিবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা এবং আমিরাত সময় বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মোছাফফা এলাকায় একটি সেমিপাকা ঘরে অ্যাঙ্গেল ফিটিংয়ের জন্য ওপরে উঠে ওয়লেডিং করছিলেন। এ সময় তিনি ওপর থেকে অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে যান। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
জানা যায়, এমরান ১ ছেলে ও ১ মেয়ের জনক। তিনি গত প্রায় ২২ বছর ধরে প্রবাস ছিলেন। তিনি প্রবাসে একটি গ্যারেজের দোকান দিয়েছিলেন।
সূত্র: দৈনিক পূর্বকোণ
সৌদি আরবের দাম্মাম শহরে একটি বৈদ্যুতিক প্যানেল বোর্ডে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করছিলেন ইব্রাহিম। কাজের একপর্যায়ে বোর্ডের ভেতরে থাকা উচ্চক্ষমতার সার্কিট ব্রেকারে হঠাৎ বিকট শব্দে একটি ইলেকট্রিক্যাল আর্ক ব্লাস্ট ঘটে।
নিহতরা হলেন—নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলামের ছেলে কামাল উদ্দিন বাবুল, তার স্ত্রী আরজু বেগম এবং তাদের পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশা।
দুই পক্ষ শিক্ষা, কৃষি ও বাণিজ্যসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অংশীদারত্বকে এগিয়ে নেওয়ার যৌথ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো অভিবাসন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো, দক্ষতার সনদায়ন জোরদার করা এবং কর্মীরা যাতে তাদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা নিয়ে সৌদি আরবে পৌঁছাতে পারেন তা নিশ্চিত করা।”