
বিডিজেন ডেস্ক

যশোরের অভয়নগর থেকে এক যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ রোববার (১৫ জুন) সকালে উপজেলার নাউলী গ্রামের চান্দের বিলের একটি মাছের ঘেরের পাড় থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।
খবর প্রথম আলোর।
ওই যুবকের নাম এস এম হাসান (৩০)। তিনি উপজেলার নাউলী গ্রামের হাবিবুর রহমান শেখের ছেলে। তিনি কুয়েতপ্রবাসী ছিলেন। গত ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি ছুটিতে বাড়ি এসেছিলেন।
নিহত এস এম হাসানের বড় ভাই খুলনা মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি মুন্না হোসেন বলেন, তার ভাই হাসান সাত বছর ধরে কুয়েতে ছিলেন। কুয়েতে তার ব্যবসা আছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি ছুটিতে বাড়ি এসেছিলেন। আগামী সেপ্টেম্বর মাসে তার কুয়েতে ফিরে যাওয়ার কথা ছিল। হাসান প্রতিদিন অনেক রাত পর্যন্ত চাচাতো ভাই ও বন্ধুদের সঙ্গে নাউলী বাজারে আড্ডা দিতেন। গতকাল রাত সাড়ে ১১টার দিকে তিনি বাড়ি ফেরেন। এই সময় হাসান বাড়ি ফেরেননি। রাত তিনটার দিকে একজন তাকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে জানান, হাসান রাতে বাড়ি ফেরেননি। পরে বাড়ির কাছেই চান্দের বিলের একটি মাছের ঘেরের পাশে তার গলাকাটা লাশ পাওয়া যায়।
মুন্না হোসেন আরও বলেন, ‘এলাকায় আমার ভাইয়ের কোনো শক্র ছিল না। কারা এবং কেন তাকে হত্যা করা হলো বুঝতে পারছি না।’
অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল আলিম বলেন, এস এম হাসানকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
সূত্র: প্রথম আলো

যশোরের অভয়নগর থেকে এক যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ রোববার (১৫ জুন) সকালে উপজেলার নাউলী গ্রামের চান্দের বিলের একটি মাছের ঘেরের পাড় থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।
খবর প্রথম আলোর।
ওই যুবকের নাম এস এম হাসান (৩০)। তিনি উপজেলার নাউলী গ্রামের হাবিবুর রহমান শেখের ছেলে। তিনি কুয়েতপ্রবাসী ছিলেন। গত ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি ছুটিতে বাড়ি এসেছিলেন।
নিহত এস এম হাসানের বড় ভাই খুলনা মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি মুন্না হোসেন বলেন, তার ভাই হাসান সাত বছর ধরে কুয়েতে ছিলেন। কুয়েতে তার ব্যবসা আছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি ছুটিতে বাড়ি এসেছিলেন। আগামী সেপ্টেম্বর মাসে তার কুয়েতে ফিরে যাওয়ার কথা ছিল। হাসান প্রতিদিন অনেক রাত পর্যন্ত চাচাতো ভাই ও বন্ধুদের সঙ্গে নাউলী বাজারে আড্ডা দিতেন। গতকাল রাত সাড়ে ১১টার দিকে তিনি বাড়ি ফেরেন। এই সময় হাসান বাড়ি ফেরেননি। রাত তিনটার দিকে একজন তাকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে জানান, হাসান রাতে বাড়ি ফেরেননি। পরে বাড়ির কাছেই চান্দের বিলের একটি মাছের ঘেরের পাশে তার গলাকাটা লাশ পাওয়া যায়।
মুন্না হোসেন আরও বলেন, ‘এলাকায় আমার ভাইয়ের কোনো শক্র ছিল না। কারা এবং কেন তাকে হত্যা করা হলো বুঝতে পারছি না।’
অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল আলিম বলেন, এস এম হাসানকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
সূত্র: প্রথম আলো
প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ কার্যক্রমের মাধ্যমে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-৬-এর লক্ষ্য অর্জনে জাতীয় প্রচেষ্টা আরও বেগবান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হিফজুর রহমান গতকাল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বলেন, আমি বিভিন্ন অফিসে ঘুরে ঘুরে হয়রান কিন্তু আমার পাসপোর্ট ও টাকা পাইনি। এসব আমি যেকোনোভাবে ফেরত চাই।
মাধ্যমে ঢাকার এটিবি ওভারসিজ লিমিটেডর এজেন্সির সহায়তায় তার মা সৌদি আরবে যান। সেখানে যাওয়ার পর থেকেই তিনি নিয়োগকর্তার শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন। দালাল ও সংশ্লিষ্টদের কাছে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি