
সংবাদদাতা, গাজীপুর

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, ‘মব জাস্টিস কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁর সঙ্গে [সাবেক সিইসি নূরুল হুদা] যেটা হয়েছে, মানে গলায় এটা–সেটা পরিয়ে দেওয়া হয়েছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এমন কোনো কিছু থাকলে আমাদের জানাবেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করবেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রপার অ্যাকশন নেবে।’
আজ সোমবার (২৩ জুন) সকালে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক এলাকায় হর্টিকালচার সেন্টার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আরও বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সামনেই ওনার (এ কে এম নূরুল হুদা) ওপর হামলা করা হয়েছে। এটার জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত করে দেখব কারা জড়িত। এর সঙ্গে যদি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কেউ জড়িত থাকেন, তবে তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।’
কৃষিজমি দখলের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের এই উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা কৃষিজমি সুরক্ষার জন্য একটি আইন করতে যাচ্ছি, যাতে কৃষিজমি দখল না হয়। আমাদের দেশ থেকে অনেক দেশি ফল হারিয়ে যাচ্ছে। তাই সবাইকে সচেতন করবেন, যাতে দেশি ফলের গাছ সবাই বেশি করে লাগায়।’
এ সময়ে উপদেষ্টার সঙ্গে ছিলেন গাজীপুরের জেলা প্রশাসক নাফিজা আরেফীন, গাজীপুরের পুলিশ সুপার চৌধুরী মো. যাবের সাদেক, কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার আহমেদ, হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক এনামুল হক, কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মান্নান, মৌচাক পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক আবদুস সেলিম প্রমুখ।
সকাল সাড়ে ১০টায় জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী মৌচাক হর্টিকালচার সেন্টারে আসেন। পরে তিনি টাঙ্গাইলের উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে তিনি পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার (পিটিসি) পরিদর্শন ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যোগ দেবেন।
আরও পড়ুন

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, ‘মব জাস্টিস কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁর সঙ্গে [সাবেক সিইসি নূরুল হুদা] যেটা হয়েছে, মানে গলায় এটা–সেটা পরিয়ে দেওয়া হয়েছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এমন কোনো কিছু থাকলে আমাদের জানাবেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করবেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রপার অ্যাকশন নেবে।’
আজ সোমবার (২৩ জুন) সকালে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক এলাকায় হর্টিকালচার সেন্টার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আরও বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সামনেই ওনার (এ কে এম নূরুল হুদা) ওপর হামলা করা হয়েছে। এটার জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত করে দেখব কারা জড়িত। এর সঙ্গে যদি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কেউ জড়িত থাকেন, তবে তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।’
কৃষিজমি দখলের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের এই উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা কৃষিজমি সুরক্ষার জন্য একটি আইন করতে যাচ্ছি, যাতে কৃষিজমি দখল না হয়। আমাদের দেশ থেকে অনেক দেশি ফল হারিয়ে যাচ্ছে। তাই সবাইকে সচেতন করবেন, যাতে দেশি ফলের গাছ সবাই বেশি করে লাগায়।’
এ সময়ে উপদেষ্টার সঙ্গে ছিলেন গাজীপুরের জেলা প্রশাসক নাফিজা আরেফীন, গাজীপুরের পুলিশ সুপার চৌধুরী মো. যাবের সাদেক, কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার আহমেদ, হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক এনামুল হক, কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মান্নান, মৌচাক পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক আবদুস সেলিম প্রমুখ।
সকাল সাড়ে ১০টায় জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী মৌচাক হর্টিকালচার সেন্টারে আসেন। পরে তিনি টাঙ্গাইলের উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে তিনি পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার (পিটিসি) পরিদর্শন ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যোগ দেবেন।
আরও পড়ুন
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।